
গৃহপালিত মুরগি কেবল সহমর্মিতাই দেখায় না, তারা অন্য মুরগির দুঃখ বুঝতে পারে এবং আন্তরিকভাবেই তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। গবেষকদের মতে, মুরগির আবেগের এই ধরন উদ্ভাবনের ফলে ফার্ম এবং অন্যান্য ল্যাবরেটরির প্রাণী গবেষণায় কাজে আসবে। পাশাপাশি সন্তানের প্রতি অভিভাবকের যত্নের বিষয়টি গবেষণায় কাজে লাগবে।
মুরগির মধ্যে আবেগ থাকার কারণেই তার মধ্যে ভালোবাসা, ঘৃণাবোধ, প্রতিহিংসা এবং আত্মকেন্দ্রিকতাও রয়েছে। এমনকি মুরগির মধ্যে রাজনীতির বৈশিষ্ট্যও দেখা যায়। মুরগি নিয়ে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে প্রসিডিংস অব দ্য রয়েল সোসাইটি বি সাময়িকীতে।
সূত্র : আমার দেশ
No comments:
Post a Comment