প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts

Tuesday, January 10, 2012

প্রয়োজনীয় ও মজার কয়েকটি সাইট

এ মুহূর্তে ঢাকার সময় যদি বিকাল সাড়ে পাঁচটা হয় তাহলে লন্ডনের সময় কত? জোহোনেসবার্গে যদি সন্ধ্যা ছয়টা বাজে তাহলে ওয়াশিংটন ডিসিতে কত? বিভিন্ন সময় এ রকমের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা আমাদের প্রয়োজন হতে পারে। আর তখন যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার সামনে থাকে তাহলে গোটা বিশ্বের চলতি সময় জানার জন্য কষ্ট করতে হবে না।
এসবের জন্য চলে যেতে হবে অসাধারণ ওয়েবসাইট টাইমটিকারে। সেখানে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে পৃথিবীর একটি মানচিত্র। সেই মানচিত্রে আমার দরকারি জায়গাটায় মাউস কার্সর রাখলেই ওই নির্দিষ্ট টাইম জোনে ক’টা বাজছে তা জেনে নেয়া যাবে। এছাড়া নিচে সাজানো আছে বিভিন্ন দেশ ও শহরের নাম। তার কোনো একটিকে সিলেক্ট করলেই সঙ্গে সঙ্গে বড় অক্ষরে লিখে জানানো হবে এখন ওখানে ক’টা বাজে। তাহলেই বাংলাদেশের সময়ের সঙ্গে সে এলাকার সময়ের তুলনা করতে পারবেন আপনি। ওয়েবসাইট ঠিকানা : http://www.timeticker.com আমরা সবাই জানি ইন্টারনেটে ফ্রি জিনিসের অভাব হয় না। নানা কাজে ইন্টারনেটের কাছে হাত পাতলেই ফ্রি তথ্য, ফ্রি উপদেশ, ফ্রি সফটওয়্যার বা ফ্রি বুদ্ধির অভাব হবে না।

বিমটোনস : মোবাইলের রিংটোন বানান এবং ডাউনলোড করুন
অনলাইনে মোবাইল ফোনের জন্য সুন্দর সুন্দর রিংটোন তৈরি করা এবং তারপর সেগুলো নিজের মোবাইল ফোনে ডাউনলোড করার সুযোগ করে দেয় এই অসাধারণ ওয়েবসাইটটি। এখানে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের নাম পাবেন ড্রপ ডাউন বক্সের মধ্যে। তারপর কিবোর্ড বা মাউসের মাধ্যমে এসব বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নিজের পছন্দমত টিউন তৈরি করে ফেলুন। নিজেই হয়ে যান আজকের বিটোভেন বা মোজার্ট। যত খুশি রিংটোন বানান, নিজে ডাউনলোড করুন, বন্ধুদের উপহার দিন, সবই একই ওয়েবসাইট থেকে।
ওয়েব ঠিকানা : http://www.bimtones.com

আর্জ-মি : দরকারি কাজের কথা মনে করিয়ে দেবে
আজকের ব্যস্ত জীবনে হাজারও ঝামেলার ভিড়ে অনেক দরকারি কাজের কথাই আমরা ভুলে যাই। আর্জ-মি সাইটের কাজ হচ্ছে যাতে দরকারি কাজ ভুলে গিয়ে একটা দুর্ঘটনা পাকিয়ে না ফেলি সেটি নিশ্চিত করা। দরকারি বিভিন্ন কাজের জন্য আপনাকে ই-মেইলের মাধ্যমে রিমাইন্ডার দেবে এই সাইট। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, যে কাজের কথা আপনাকে মনে করিয়ে দিতে হবে সেটির নাম এই সাইটে প্রবেশ করানো, একটা ডেডলাইন ঠিক করে দেয়া এবং তারপর ঙশধু বাটনে ক্লিক করা। ব্যস, আর আপনাকে কিছুই করতে হবে না। ওই ডেডলাইন অনুসারে আপনাকে ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে দরকারি সেই কাজের কথা মনে করিয়ে দেবে আর্জ-মি নামের এই সাইট।
ঠিকানা : http://www.urge-me.com

হুইসপার : নিজের ই-মেইল ঠিকানা লুকিয়ে রাখতে
নিজেদের ই-মেইল অ্যাড্রেস নিয়ে আমাদের প্রায়ই বিব্রত হতে হয়। আমরা চাই না, তবু নানা জায়গায় নিজের ই-মেইল ঠিকানা দিতে হয়। ব্যস, আর যায় কোথায়! ঝাঁকে ঝাঁকে অবাঞ্ছিত মেইল এসে ইনবক্সে হানা দেয়। মেইল চেক করার কাজটিকেই করে তোলে ভোগান্তির নামান্তর। যারা নিজের ই-মেইল ঠিকানা খুব বেশি মানুষের মধ্যে ছড়াতে চান না তাদের জন্যই এই ওয়েবসাইট : হুইসপার। এটি আপনার ই-মেইল ঠিকানাকে লুকিয়ে রেখে যারা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চায় তাদের দেবে একটি ছোট ফরম। এই ফরম পূরণ করেই তারা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। ফলে অনলাইনে যেখানে খুশি আপনি আপনার ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে বেড়াতে পারেন, স্প্যাম মেইলের শিকার হওয়ার ভয় না করেই!
ওয়েব ঠিকানা : http://whspr.me

সূত্র : আমার দেশ
লেখক : এম. হারুন অর রশিদ

Friday, July 1, 2011

ইন্টারনেট এলো যেভাবে


১৯৬৯ সালের গ্রীষ্মকাল। বিশ্ববাসী তখনো জানে না ইতিহাসের দিনপঞ্জিতে কি বৈপ্লবিক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। নীরবে-নিভৃতে কাজ করে চলেছেন গুটিকয়েক কম্পিউটার বিজ্ঞানী। লক্ষ্য একটাই_ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মব্যস্ত বিজ্ঞানীদের মধ্যে পারস্পরিক ভাববিনিময়ের পথ সুগম করার জন্য একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা। এই নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই ভিত্তি রচিত হলো শতাব্দীর বিস্ময় ইন্টারনেটের যোগাযোগ। প্রযুক্তিতে সৃষ্টি হলো নতুন দিগন্ত। তখন কোনো মানসম্মত অপারেটিং সিস্টেম ছিল না। কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করতে পারত না। এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা সরবরাহের সবচেয়ে সুবিধাজনক পথ ছিল একটি থেকে ম্যাগনেটিক টেপ বা পাঞ্চ কার্ড নিয়ে অন্যটির মধ্যে ঢোকানো। এই প্রতিকূলতা কম্পিউটার বিশারদদের চিন্তিত করে তুলল। এর মধ্যে ছিলেন জে সি আর লিকলিডার ও রবার্ট টেইলর। অন্য সহকর্মীদের মতো তারাও ভাবতে বসলেন কিভাবে কম্পিউটারগুলোর মধ্যে নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এগুলো আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়। আরপা নামে একটি প্রতিষ্ঠান এ প্রজেক্টে অর্থের জোগান দেয়। টেইলর ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আরপা ডিরেক্টরের অফিসে টাকার জন্য ধরনা দিতে যাওয়ার দিনটিকে আজো স্পষ্টভাবে স্মরণ করতে পারেন। ডিরেক্টরের সঙ্গে তার কথা হয় ১৫/২০ মিনিট। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি এই আইডিয়া লুফে নেন, কালবিলম্ব না করে ব্যবস্থা করে দেন এক মিলিয়ন ডলারের। বিজ্ঞানীরা কাজটা গ্রহণ করেছিলেন তীব্র অনুরাগের সঙ্গে। খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনার জন্ম দিতে যাচ্ছেন এই অনুভূতি তাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। ১৯৬৮ সালে লিকলিডার ও টেইলর একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে জানালেন, কম্পিউটার তথ্য আদান-প্রদানের একটি চমৎকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তারা একটি নেটওয়ার্ক তৈরির কাজে আত্মনিয়োগ করলেন, যা সৃষ্টি করবে বৈজ্ঞানিকদের নতুন একটি সংঘ, যারা ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রযুক্তিগতভাবে একই সুতায় গাঁথা। প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল চারটি সাইটের মধ্যে সংযোগ স্থাপন; ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান্তা বারবারা বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও ইউটাই বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট ভিন্ট সার্ফ, স্টিভ ক্রকার, জন পস্টেলসহ আরও অনেকের ওপর দায়িত্ব পড়েছিল প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার নির্মাণের। তাদের কাজ ছিল নেটওয়ার্ক সাইটগুলোর মধ্যে ডাটা সঞ্চালন করা_ প্রয়োজনীয় তথ্য যাতে নিশ্চিতভাবে সঠিক গন্তব্যে পেঁৗছতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখা। ২১ নভেম্বর এলো সেই শুভক্ষণটি। দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রমের পর অবশেষে গবেষকরা প্রস্তুত হলেন প্রথম আনুষ্ঠানিক ডেমনেস্ট্রেশনের জন্য। একটি কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হলো শত শত মাইল দূরে অবস্থিত স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডগ এঞ্জেলসবার্টস ল্যাবে রাখা আরেকটি কম্পিউটারের। দুঃখের বিষয়, ওই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দী করে রাখার জন্য সেদিন সেখানে কোনো আলোকচিত্রী ছিলেন না।


সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ