প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label চিত্র বিচিত্র. Show all posts
Showing posts with label চিত্র বিচিত্র. Show all posts

Wednesday, February 1, 2012

গাংচিল - ১ | মরুভূমির জলদস্যু

সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যাওয়ার সময় আমাদের জাহাজ কুতুবদিয়ার পেছন পেছন নাফ নদীর মহনা পর্যন্ত উড়ে আসে অনেক গুলি গাংচিল। প্রচুর ছবি তুলেছিলাম তাদের, সেখান থেকে বাছাই করা কয়েকটি একক গাংচিলের ছবি দেখুন। ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ ১০ এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের ঝিঁঝি পোকার বাগানে নিমন্ত্রণ।

Friday, January 13, 2012

দেশের ক্ষুদ্রতম মসজিদ || নাজমুল ইমন

আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৩০০ বছর আগের ঘটনা। এমন একটি মসজিদ তৈরি হবে যেখানে হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে পারবে। জানালা থাকবে না, দরজা থাকবে তবে ছোট আকৃতির। দেশের সবচেয়ে ছোট মসজিদ হবে সেটি।
বগুড়া জেলার প্রাচীনতম শহর সান্তাহার। সেই সান্তাহার থেকে ৩ কিলোমিটার ভেতরে একটি গ্রাম, তারাপুর। সকাল সকাল আমরা বের হলাম সেই গ্রামের উদ্দেশে। আঁকাবাঁকা রাস্তার দুই ধারে প্রচুর গাছ। গ্রামে ঢুকতেই কেমন জানি মনটা ভরে গেল। মাটির বাড়ি সারিসারি এক তলা, দুই তলা। বেশ কয়েকটা বাড়ি পেরিয়ে পেঁৗছে গেলাম একটা প্রাইমারি স্কুলে। সেখানে সবাইকে এ মসজিদের কথা বলতেই আমাদের এর ঠিকানা বলে দিলেন। শুরু হলো মাটির রাস্তা। গ্রামের যে এত সৌন্দর্য তা তারাপুর গ্রাম দেখলেই বোঝা যাবে। আমরা কয়েক মিনিটের মধ্যে পেঁৗছে গেলাম আমাদের লক্ষ্যস্থান সেই ক্ষুদ্র মসজিদের কাছে।
সুনসান জায়গা। দেড়শ' বছরের অধিক সময় ধরে এই মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ হয়ে আছে। কারা, কেন এই মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন এ নিয়ে বর্তমান গ্রামবাসীর মধ্যে অনেক মতবিরোধ আছে। আমরা সবার কথার গুরুত্ব দেই। সেখানে যেহেতু এই মসজিদের কোনো ইতিহাস নেই, সেহেতু এ মসজিদটির যে দুই-চারটে কথিত ইতিহাস আছে হয়তো এর মধ্যেই একটি ইতিহাস আছে যেটি সত্য। তাই আমরা আশপাশে থাকা বয়স্ক, যুবক, তরুণ সব ধরনের মানুষের কাছ থেকেই মসজিদ সম্পর্কে জানতে চাই।
তরুণ আরিফুল ইসলাম জনি বললেন, সান্তাহারের ছাতিয়ান গ্রাম ইউনিয়নের রানী ভবানীর বাবার বাড়ি। সান্তাহারের আশপাশসহ আমাদের তারাপুরও রানী ভবানীর বাবার রাজ্যত্ব ছিল। তারই অংশ হিসেবে রানী ভবানীর আসা-যাওয়া ছিল এ গ্রামে। একজন মুসলমান মহিলা এই গ্রামে ছিলেন, যিনি পরহেজগার। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা হওয়ার কারণে ওই মহিলার নামাজ পড়ার অনেক অসুবিধা হতো। রানী ভবানী এমন কথা জানতে পেরে তিনি নিজেই এই গ্রামে চলে আসেন আর সেই মহিলাকে যেন কেউ তার নামাজ পড়াতে অসুবিধা না করতে পারে, সে জন্য তার পেয়াদারদের হুকুম দেন_ তার জন্য রাজকীয় নকশায় একটি মসজিদ তৈরি করে দেওয়া হোক। এভাবেই এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। তবে এটাও তার দাদার মুখ থেকে শোনা। দাদা আবার শুনেছেন তার দাদার কাছে।
এক পর্যায়ে আমরা এ মসজিদটি মেপে দেখি। লম্বায় এই মসজিদের উচ্চতা ১৫ ফুট আর প্রস্থ ৮ ফুট, দৈর্ঘ্য ৮ ফুট। মসজিদের দরজার উচ্চতা ৪ ফুট আর চওড়া দেড় ফুট। একটি মানুষ অনায়াসে সেখানে ঢুকতে বা বের হতে পারবে। একটি গম্বুজ আছে যেটা অনেকটাই উঁচুতে। আর দেয়ালের পুরুত্ব দেড় ফুট। এ ছাড়া দেয়ালটি ইটের তৈরি। যে ইটগুলো মসজিদের দেয়ালে ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোর সবটার অর্ধেক ভাঙা। মসজিদের দরজায় দুটি রাজকীয় নির্দেশনার আদলে নির্মিত খিলান আছে। মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন সংবলিত মিনার, দরজার খিলান এবং মেহরাবই মসজিদটির প্রাচীন ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আছে।
আসলে এটি এত পুরনো আর সংস্করণের অভাবে এটির যে অবস্থা, মসজিদটি দেখার পরও তেমনভাবে বিশেষ চিহ্ন বা নিদর্শন চোখে পড়ে না। এমন একটি নিদর্শন আমাদের সংরক্ষণ করা এখনই দরকার।

সূত্র : সমকাল

Thursday, November 17, 2011

ভুলে যাওয়ার খেসারত

অনেক সময় প্রয়োজনীয় জিনিসটা কোথায় রেখেছি তা আমরা ভুলে যাই। যত্ন করে রাখার পরও মনে করতে পারি না, কোথায় রেখেছি। নিউইয়র্কের বাসিন্দা চার্লস পেটরেসক তার গাড়িটি কোথায় পার্ক করেছিলেন, তা বেমালুম ভুলে গিয়েছিলেন। তার ফলে তাকে যথেষ্ট খেসারত দিতে হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক সিটি ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করার জন্য ৩৪ বছরের চার্লস পেটরেসক তাড়াতাড়ি তার গাড়িটি ম্যানহাটনের একটি গ্যারেজে পার্ক করেন। আয়োজকদের বাসে ওঠার আগে পকেটে গাড়ির চাবি আর ৪০ ডলার নিয়ে যায়। কিন' পার্কিং টিকিটটি গাড়িতেই রেখে যায়। আর সমস্যার শুরু হয় এখান থেকেই। দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করে পেটরেসক যখন ব্রিয়ান্ট পার্কে আসেন তখন মনে করতে পারেন না, গাড়িটি কোথায় পার্ক করেছিলেন। এলোমেলো ঘুরতে দেখে পুলিশ জিজ্ঞেস করে জানতে পারে তার সমস্যার কথা। এরপর পেটরেসকের স্ত্রীকে ফোন করলে সাথে করে নিয়ে যায় স্বামীকে। কোনোভাবেই যখন মনে করতে পারছিলেন না তখন সিমুসা নামে একটি কোম্পানিকে জানায়, কোম্পানিটি দু’দিন পর হারিয়ে যাওয়া গাড়িটির সন্ধান দেয়। সূত্র : ইউপিআই।

Wednesday, October 12, 2011

সবচেয়ে ছোট অ্যাকুয়ারিয়াম || নুরে জান্নাত

মাত্র দুই চা চামচ পানি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বিশ্বের সবচেয়ে ছোট অ্যাকুয়ারিয়ামটি বানিয়েছেন রাশিয়ার ৫৭ বছর বয়সী আনাতোলি কোনানকো। মাত্র ৩০ মিলিমিটার দীর্ঘ, ২৪ মিলিমিটার উঁচু ও ১৪ মিলিমিটার গভীর অ্যাকুয়ারিয়ামটি হাতের তালুতে রাখা যাবে অনায়াসেই। অ্যাকুয়ারিয়ামে ঠিকভাবে পানি ভরার জন্য ১০ মিলিমিটার ধারণক্ষমতার একটি বিশেষ সিরিঞ্জ এবং মাছ ঢোকানোর জন্য ব্যবহার করা হয় বিশেষ হাতজাল। কোনানকো তাঁর এই সৃষ্টিকে বলেছেন 'অতিক্ষুদ্র শিল্প'_'আমি এটি বানিয়েছি স্রেফ কৌতূহলে। এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট অ্যাকুয়ারিয়াম এবং এর পানি ধারণক্ষমতা মাত্র ১০ মিলিলিটার।' তিনি আরো বলেন, 'এক চা চামচে যদি ৫ মিলিলিটার পানি ধরে তাহলে এই অ্যাকুয়ারিয়ামে মাত্র দুই চা চামচ পানি ধরবে।' তিন দশক ধরে চাল, পোস্তদানা, এমনকি মানুষের চুলসহ নানা জিনিসের ওপর মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে এ ধরনের শিল্পকর্ম বানিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিকর্মের মধ্যে রয়েছে একটি সুঁইয়ের ওপর ১২টি উটচালিত বিশেষ ক্যারাভান, একটি বোতলের ভেতরে মাত্র দশমিক ২৫ মিলিমিটার উঁচু একটি জাহাজ তৈরি। তাঁর আরেকটি বিশেষ সৃষ্টি হচ্ছে এক জোড়া জুতা, যা একটি ম্যাচের কাঠির চেয়েও ছোট।
১৯৯৬ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তাঁর নাম উঠেছিল সবচেয়ে ছোট বই বানানোর জন্য। রাশিয়ার লেখক আন্তন চেকভের 'ক্যামেলিয়ন' উপন্যাসটি বই আকারে প্রকাশ করে তিনি এই রেকর্ডের অধিকারী হন। ২৯ পৃষ্ঠার বইটি দৈর্ঘ্য-প্রস্থে মাত্র দশমিক ৯ মিলিমিটার।

সূত্র : কালের কন্ঠ

Friday, September 16, 2011

বাসা বাঁধার আনন্দে নাচে, গান গায় নরম গদিও দেয় মুনিয়া পাখি || সৈয়দ সোহরাব

প্রেম-ভালবাসার কাছে সবই তুচ্ছ। এ দিয়ে জয় করা যায় না এমন কিছু নেই। যাঁকে ভালবাসি, তাঁর সানি্নধ্যে আসার জন্য, তাঁকে খুশি করার জন্য কী না করে অন্যজন। বিশ্বে এমনও নজির আছে ভালবাসার জন্য ছেড়ে দিয়েছে সিংহাসন। সেই ভালবাসার টান বা প্রিয়জনের সানি্নধ্য পাওয়ার আনন্দ পাখিদের মধ্যেও দেখা যায়। আর এ ৰেত্রে মুনিয়া পাখি মনে হয় একটু বেশিই আবেগপ্রবণ হয়। স্ত্রী_পুরম্নষ উভয়েই এ সময় বাসা বাঁধার আনন্দে থাকে টইটুম্বর। খুশিতে ওদের গান বেড়ে যায়। পুরম্নষ পাখিই গান বেশি গায়। নাচার চেষ্টাও করে। বাসা বানানোর আনন্দে পুরম্নষ পাখির রূপ যেন খোলে। আর অন্য সময় স্ত্রী-পুরম্নষ আলাদা করাই কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্ত্রী মুনিয়াকে আকৃষ্ট করতেই এমনটি করে পুরম্নষ পাখি এবং বাসা বাঁধে বেশ চমৎকারভাবে। স্ত্রী মুনিয়ার আরাম-আয়েশের জন্য তৈরি করে নরম বাসা, ভিতরে নরম গদিও দেয়। আর এ গদির জন্য ব্যবহার করে তুলা, কাশফুল ও বাঁশের ছোট ছোট পাতা। পরস্পরকে শুধু আকৃষ্টই নয়, ডিম ও বাচ্চার জন্য বাসাকে বেশ সুরৰিতভাবে নির্মাণ করে। যেন শিকারী পাখিরা সহজে ডিম ও বাচ্চা চুরি করতে পারে না। শিকারী পাখিদের কথা ভেবে এরা দুর্গম স্থানে বাসা বাঁধে। যেমন_ খেজুর বা তাল পাতার ঘন পাতাওয়ালা মাথার ওপরে, নাটঝোপ ও হরগোজার কাঁটাঝোপ, কেয়াঝোপ, বাবলা গাছ, দেবদারম্ন ও শেওড়া গাছে। কেউ কেউ আবার রাসত্মার লাইট পোস্টের কাভারের ভিতরেও তৈরি করে বাসা। অর্থাৎ দুর্গম স্থানই তাদের পছন্দ। আর বাসা তৈরিতে উপকরণ হিসেবে ঘাস, ছন, খড়, কাশফুল, ঘাসফুল, দুর্বাঘাস, ধানের পাতা, আখের পাতা, বাঁশপাতা ইত্যাদি ব্যবহার করে তারা। উপকরণ নরম হলেও বাসা হয় খাসা ও সুরৰিত। নিরাপত্তার জন্য একেবারে গোল নয়, অনেকটা নারকেলের মতন ডিজাইন করে বাসার। কখনও কখনও লম্বাটে ধরনের গোল বাসাও বানায়। আর এর জায়গা নির্বাচনে সময় নেয় ৫ থেকে ৭ দিন। কোন তাড়াহুড়া করে না বাসা বাঁধতে। এমনভাবে করে যে বাসায় ঢোকার পথ খুঁেজ পাওয়া দুষ্কর। কারও কারও বাসার মুখ কিছুটা নলের মতো বাইরে বেরিয়ে থাকে। তৈরির পর পুরো বাসার আকার দাঁড়ায় মোটামুটি একটা ছোটখাটো ফুটবলের মতো। বাসা বাঁধার খুশিতে কাশফুল, ঘাসফুল, ধান, ছন, খড় বা ঘাসের লম্বা সরম্ন ফালি নিয়ে সাপের মতো উড়ে আসে গনত্মেব্যে। তখন তাদের দেখে মনে হয় উড়নত্ম সাপ। এমন মনে হওয়ার কারণ, ঠোঁট ও পা দিয়ে ধরা কাশফুল বা ঘাস নিয়ে দুলতে দুলতে উড়ে যায়। সে দৃশ্য দেখায় বেশ চমৎকার। বাসায় ডিম হলে বা ডিম ফুটে বাচ্চা বেরম্নলেও পুরম্নষ পাখি খুশিতে টইটুম্বর হয়। এ সময় ওদের চেহারাই যায় পাল্টে। সুন্দর যেন ধরে না।
এই মুনিয়ারই পাঁচ ধরনের পাখি দেখা যায় আমাদের দেশে। যেমন_ লাল মুনিয়া, তিলা মুনিয়া, কালোমাথা মুনিয়া, সাদাগলা মুনিয়া ও সাদা পিঠ মুনিয়া। এছাড়া শীতকালে আমাদের দেশে বেড়াতে আসে সবুজ মুনিয়া। তবে তিলা মুনিয়াই দেশে সবচেয়ে বেশি আছে। সারাদেশেই আছে। ঢাকা শহর ও সাভার জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানেও আছে। একটু খোঁজাখুঁজি করলে বাসাও খুঁজে পাবে শিশু-কিশোররা। পুরনো বিমানবন্দর এলাকার আশপাশে ঘোমটা দেবদারম্ন গাছে এর বাসা খুঁজে পাওয়া যাবে। তিলা মুনিয়া লম্বায় প্রায় ১২ সেন্টিমিটার হয়। বুক-পেটের পাশজুড়ে বুজানো ডানার তলায় কালচে_ বাদামি রঙের চিত্র-বিচিত্র ও চমৎকার কারম্নকাজ থাকে। যেন কোন চিত্রশিল্পী দ্বিতীয়ার চাঁদের মতন নকশা এঁকেছে। ভারি সুন্দর লাগে দেখতে। লেজের উপরিভাগে কালো ও হলুদের সোজা চওড়া টান থাকে। যেন কেউ সরম্ন, কাল ও লালচে হলুদ ফিতা সেঁটে দিয়েছে একের পর এক। লেজের উপরিভাগের গোড়াটা হলুদ ও তলা সাদাটে থাকে এবং চিবুক, গলা, ঘাড় ও মাথার রঙ হয় গাঢ় কালচে_বাদামি। বুক ও পেট অতি হালকা হলুদাভ, তার ওপর যেন থাকে সাদা ছিট লাগানো। লেজের আগা হয় চোখা। কম বয়সী বাচ্চার রঙ হয় হালকা বাদামি। চোখের মণি হয় হালকা লাল, তাতেও থাকে বাদামির আভা। এদের কণ্ঠস্বর হচ্ছে 'কিরিটি চিরিটি, চিট্টি_কিট্টি_কিটরি... চিক্ চিক্'। ডিম হয় প্রায় ছ'টি। ৮টিও পাড়ে। আবার ৪টিও দেখা যায়। কোন মুনিয়াই মাটিতে নেমে হাঁটতে পারে না। লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। তবে খাবার খায় মাটিতে নেমে। ধান, ঘাসের বীজ, বাদামের দানা, এমনকি মানুষের ফেলে যাওয়া পাউরম্নটি, বিস্কুটের কণাও খায়। উপমহাদেশে আবহাওয়া ভেদে এদের রঙের কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে। এক গাছে বা পাশাপাশি গাছে একাধিক বাসা দেখা যায়। শরীরে ছিট থাকে সবার। এদের বৈজ্ঞানিক নাম খ. চঁহপঃঁষধঃধ।
মুনিয়া! নামটি যেমন সুন্দর, এ পাখিটি দেখতেও তেমনি সুন্দর। চড়ুইয়ের চেয়ে সামান্য ছোট এই মুনিয়ারা অত্যনত্ম শানত্ম স্বভাবের পাখি। বিশ্বের যে সব দেশে মুনিয়া আছে, তাদের সবার সঙ্গে বাংলাদেশের মুনিয়াদের রয়েছে অভিন্ন কিছু মিল। যেমন_ সবার স্বভাব, ওড়ার ভঙ্গি, বাসার গড়ন ও ধরন এবং ডিম বাচ্চার সংখ্যা মোটামুটি একই রকম। ডিম ফুটে বাচ্চা হওয়ার সময়সীমাও বলতে গেলে এক। সবার ঠোঁট ত্রিকোণাকৃতির ঠোঁটের গড়ন ও ধরনও একই রকম। সবাই অল্পতে ভয় পায়। যেমন, মুনিয়ার ঝাঁকের ওপর দিয়ে যদি শূন্যে বন্দুকের গুলি ছোড়া হয়, তাহলে ঝাঁক থেকে দু'চারটি পাখি ভয়ে মাটিতে পড়ে যায় অজ্ঞান হয়ে। ডিম হয় সাধারণত হাতির দাঁতের মতন বা মুক্তোর মতন সাদা। ডিম গোল নয় টিকটিকির ডিমের মতই গড়ন, আকারে কিছুটা বড়। তবে ডিমের খোসা বেশ পাতলা, অল্পতেই ভেঙ্গে যায়। সব ধরনের মুনিয়ার কণ্ঠস্বর ফ্যাসফেসে, মনে হয় ডাকতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তবে কণ্ঠ ওদের ভাল। সুকণ্ঠী হিসেবে পরিচিত। মিষ্টি গলায় গায় গান। কিন্তু বাচ্চাদের যখন খাওয়াতে শুরম্ন করে, তখন স্ত্রী-পুরম্নষ দু'জনেরই চেহারা মলিন হতে থাকে। বাচ্চাদের জন্য খাবার যোগাড় কী করা চাট্টিখানি কথা? যদি বাচ্চার সংখ্যা হয় ৬/৭টি। খেতেও পারে বটে বাচ্চারা। মা-বাবাকে তাই প্রতিদিন গড়ে কমপৰে ৭০ বার করে বাসায় আসতে হয় খাবার মুখে নিয়ে। বাচ্চা ছোট থাকাবস্থায় মা-বাবার চিনত্মা তেমন থাকে না, কিন্তু ৭/৮ দিন হলেই তারা দিশেহারা হয়ে পড়ে বাচ্চাদের পেট ভরাতে। এ সময় রাতেও বাচ্চারা মা-বাবার কাছে খাবার চেয়ে কাঁদে। মায়েরা তখন রাত কাটায় বাসার আশপাশে। কেননা বাসায় থাকলে বাচ্চারা মায়ের কাছে বায়না জুড়ে দেয় খাবার জন্য। ঠোঁট দিয়ে মায়ের ঠোঁট_ মাথায় ঠোকর মারে, কাঁদে। মা ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে যায় এতে।

সূত্রঃ জনকন্ঠ

Friday, July 1, 2011

কেমন হবে ২০৫০ সালের বিমান

প্রযুক্তির ক্রমাগত অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা। এই অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতের বিমানের অবস্থা কেমন হবে সেটা প্রকাশ করল বিমান নির্মাতা কোম্পানি এয়ারবাস। গত ১৩ জুন লন্ডনে এই বিমানের বিষয়ে জানায় এয়ারবাস। আপাতত তাদের এই ভবিষ্যতের সীমা ২০৫০ সাল অব্দি।
এয়ারবাস ওই সময়ের বিমানের যে চেহারাটা তুলে ধরছে সেটা হলো ওইসময়ে বিমানের ভেতরে থাকবে ভার্চুয়াল গলফ খেলার ব্যবস্থা, নিঃশ্বাসের সঙ্গে ভিটামিনসমৃদ্ধ বাতাস টেনে নেবেন যাত্রীরা। এই বিমানে প্রচলিত কেবিনের পরিবর্তে থাকবে বিশেষ প্যাসেঞ্জার জোন। এর মধ্যে একটি জোন হলো ইন্টারেকটিভ জোন। এই জোনে ভার্চুয়াল প্রজেকশনের মাধ্যমে যাত্রীরা নিজেদের ইচ্ছেমত সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম বেছে নিতে পারবেন। এর মধ্যে হলোগ্রাফিক গেমিং থেকে ভার্চুয়াল পোশাক বদলানোর ঘর পর্যন্ত সবই থাকবে।
বিমান ভ্রমণের সময় মোটামুটি গোটা বিশ্বটাই যাত্রীদের সঙ্গে থাকবে। বিমানের ভেতরের দেয়ালের রং আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যাবে। এই বিমানের হলোগ্রাফিক পর্দা ও অন্যান্য বিনোদন চলার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উত্পাদন করা হবে যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা থেকে। বিমানে বসেই বাড়িতে থাকা সন্তানদের ঘুমপাড়ানি গল্প শোনাতে পারবেন তাদের বাবা-মা। এয়ারবাস জানায়, এই বিমানের দেয়াল হবে বুদ্ধিমান। এটা দরকার মতো বিমানের ভেতরকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করবে। এছাড়া এটা যে কোনো সময় পুরোপুরি স্বচ্ছ হয়ে যেতে পারবে। তখন যাত্রীরা বিমানের বাইরে তাদের চারপাশটা পুরোপুরি দেখতে পারবেন। তবে এয়ারবাস এই বিমানের জন্য যেসব প্রযুক্তির কথা বলছে, তার অনেক বর্তমানে থাকলেও বিমানের স্বচ্ছ দেয়াল কীভাবে তৈরি করা হবে সেটা তারা ব্যাখ্যা করেনি।
এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস চ্যাম্পিয়ন বলেন, আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০৫০ সালের যাত্রীরা অনেক বেশি আরামদায়ক ভ্রমণ প্রত্যাশা করবেন। তবে তারা সব বিলাসিতার পাশাপাশি পরিবেশের বিষয়েও সচেতন থাকতে চাইবেন। বিভিন্ন প্যাসেঞ্জার জোনে ভাগ করার ফলে এ বিমান ভ্রমণের সময় যাত্রীরা তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর পাশাপাশি নতুন আবিষ্কারের রোমাঞ্চকর অনুভূতিও টের পাবেন। 



সূত্র : আমার দেশ

Friday, June 17, 2011

রহস্যময় জায়ান্টস কজওয়ে

এ যেন এক অপার রহস্য। আর এই রহস্যের নাম জায়ান্ট কজওয়ে বা দৈত্যের বাঁধানো পথ। অ্যানট্রিম-এর উত্তরভাগস্থ সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত এই স্থাপত্য নিদর্শন প্রকৃতির বিচিত্র দৃষ্টান্ত। এর অসমান ষড়ভুজাকৃতি ঘোরবর্ণ আগ্নেয়শিলার স্তম্ভগুলো রাজমিস্ত্রির কাজ বলে মনে হয়। বাঁধানো পথটি ৩২ হাজার ঘনমিটার স্তম্ভের সমষ্টি বলে ধারণা করা হয়। এটা সমুদ্রের মধ্যে প্রায় ১৮৩ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। স্তম্ভগুলো প্রস্থে ১৫ থেকে ২০ ইঞ্চি ব্যাসের এবং উচ্চতায় ৯ মিটার (২০ ফুট)। এদের মধ্যে প্রায় সবই ষড়ভুজাকার, কেবল কিছু পঞ্চ ও সপ্তভুজাকার স্তম্ভ রয়েছে। কোনো কোনো স্থানে বাঁধানো পথের প্রস্থ হলো ৪০ ফুট এবং সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে এর উচ্চতা সবচেয়ে বেশি। ক্লিপগুলোর অর্থাৎ উচ্চ দুরারোহ পার্শ্বগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ক্লিপ হলো প্লিজকিন ক্লিপ, যার স্তম্ভগুলো ৪০০ ফুট উঁচু।

জায়ান্টস কজওয়ের গঠন সম্পর্কে অনেক ধরনের কাহিনী প্রচলিত আছে। স্থানীয়দের মত অনুযায়ী দৈত্যদের এক বংশ স্টাফাতে যাওয়ার জন্য চলাচলের পথ হিসেবে এ পথ তৈরি করে। স্টাফাতেও এ রকম একটি বাঁধানো পথ রয়েছে। আবার কারও কারও মতে দুটি দৈত্যের মধ্যে লড়াইয়ের ফলে স্থানীয় জায়ান্টস গ্রেভ নির্মিত হয়। তারা দু'জনই এক একটি পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে একে অপরের দিকে পাথর ছুড়তে থাকে। কিন্তু যার পাথরগুলো বেশিদূর পর্যন্ত যায় না সে মনোদুঃখে মৃত হয়। এভাবেই এই অপরিবর্তনীয় প্রাকৃতিক দৃশ্য নির্মিত হয়। জায়ান্টস কজওয়ে নির্মিত হওয়ার কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও রয়েছে। ৫০ মিলিয়ন বছর আগে অ্যানট্রিম বিরাট আগ্নেয়গিরি অঞ্চলের মধ্যভাগে অবস্থিত ছিল। স্কটল্যান্ডের দ্বীপপুঞ্জ, আইসল্যান্ড এবং গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব-উপকূল এ আগ্নেয়গিরি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অ্যানট্রিমে তরল লাভার পাতলা পাতগুলো এ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং শীতল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই তরল লাভা ঘন হতে থাকে। যখন এগুলো শীতল হতে থাকে তখন তা কিছু পরিমাণ সংকুচিত হয়ে পড়ে এবং এ সংকোচনগত ভগ্নাংশগুলো তৈরি হয়। লাভা শীতল হওয়ার মাত্রা একই রকম থাকায় সরলভাবে সংকোচনগত ফাটল সৃষ্টি হয় এবং শীতল হওয়ার মাত্রা যথারীতি চলতে থাকলে আরও অনেক ষড়ভুজাকৃতি স্তম্ভ তৈরি হবে। যেহেতু লাভা শীতল হয়ে গভীরতর দিকে বিস্তৃত হয়। অতএব এই ষড়ভুজাকৃতির ফাটলগুলোও নিচের দিকে বিস্তৃত হয় এবং এভাবেই বর্তমানকালের দৃশ্যমান বিরাট আকারের স্তম্ভের পার্শ্বদিক সৃষ্টি হয়। 

Wednesday, March 16, 2011

মুরগিও সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে !

আমাদের সবারই হয়তো ধারণা একমাত্র মানুষেরই আবেগ-অনুভূতি রয়েছে। অন্য কোনো প্রাণীর মধ্যে এসব দেখা যায় না। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, তারা গবেষণা করে দেখেছেন কেবল মানুষই নয়, মুরগির মধ্যেও রয়েছে আবেগ। আর সেই আবেগের বশবর্তী হয়ে অন্য মুরগির প্রতি সহমর্মিতা দেখায় তারা। এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছেন ইউনিভার্সিটি অব ব্রিস্টলের দ্য স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্সেসের গবেষকরা । সূত্র : বিবিসি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সহমর্মিতাবোধ কেবল মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবেই ধরা হয়। আর এই আবেগের বশবর্তী হয়েই একে অন্যের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করা যায়। সম্প্রতি মুরগির মধ্যেও এই বৈশিষ্ট্যটি খুঁজে পাওয়া গেছে।
গৃহপালিত মুরগি কেবল সহমর্মিতাই দেখায় না, তারা অন্য মুরগির দুঃখ বুঝতে পারে এবং আন্তরিকভাবেই তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। গবেষকদের মতে, মুরগির আবেগের এই ধরন উদ্ভাবনের ফলে ফার্ম এবং অন্যান্য ল্যাবরেটরির প্রাণী গবেষণায় কাজে আসবে। পাশাপাশি সন্তানের প্রতি অভিভাবকের যত্নের বিষয়টি গবেষণায় কাজে লাগবে।
মুরগির মধ্যে আবেগ থাকার কারণেই তার মধ্যে ভালোবাসা, ঘৃণাবোধ, প্রতিহিংসা এবং আত্মকেন্দ্রিকতাও রয়েছে। এমনকি মুরগির মধ্যে রাজনীতির বৈশিষ্ট্যও দেখা যায়। মুরগি নিয়ে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে প্রসিডিংস অব দ্য রয়েল সোসাইটি বি সাময়িকীতে। 

সূত্র : আমার দেশ

Tuesday, March 8, 2011

সবচেয়ে লম্বা নাক

নাক তো নাকই, এর আবার রেকর্ড কি?- কিন্তু নাকেরও রেকর্ড হতে পারে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় নাকের মালিক মেহমত নামের এক তুর্কি। তাঁর নাম উঠেছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। ৬১ বছর বয়সী মেহমেতের নাকের দৈর্ঘ্য ৮.৮ সেন্টিমিটার।সূত্র : কালের কন্ঠ

এক দৌড়ে অফিস ।। এস এম নাজমুল হক ইমন

কেউ দৌড়ায় বিপদে, আর কেউ জীবিকার তাগিদে। রাজ্জাক দৌড়ান অফিসে যেতে। শখের বসে এক-দুই দিন নয়, প্রতিদিনই দৌড়ান তিনি। কারণটা কী? পয়সা বাঁচাতে কি আর কেউ ৮৪ কিলোমিটার দৌড়াবে! মোটেই না। আসলে আবদুর রাজ্জাক একজন দৌড়বিদ। ম্যারাথনের প্র্যাকটিস করতেই কঠিনতর এ নিয়ম বেছে নিয়েছেন তিনি। নওগাঁর সদর উপজেলার বক্তারপুর গ্রামে তাঁর বাস।
সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় দৌড়। ফজরের নামাজ পড়ে হালকা নাস্তা সেরে ঠিক ৬টায় ফাইল বগলদাবা করে শুরু করেন ম্যারাথন। প্রথমে ধীর লয়ে, পরে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে গতি। ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যেই পেঁৗছে যান অফিস। ব্যতিক্রম হয়নি কোনো দিন। প্রায়ই দেখা যায়, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই হাজির হন অফিসে। আর এভাবেই কেটেছে চার বছর!একদিন হলো কি, যথারীতি অফিসের উদ্দেশে দৌড়াচ্ছিলেন রাজ্জাক। পথে এক টমটম চালক (বিদ্যুৎচালিত স্কুটার) টিপ্পনী কাটল তাঁকে। রাগ হলো রাজ্জাকের। ধুম করে বাজি ধরে বসলেন। ঠিক হলো, যে আগে ভূমি অফিসে পেঁৗছাতে পারবে সে পাবে এক হাজার টাকা। বিচারক হিসেবে থাকবেন টমটমের যাত্রীরা। শুরু হলো প্রতিযোগিতা। দৌড়ে অফিসে পেঁৗছানোর প্রায় ৫ মিনিট পর টমটম চালকের দেখা পেলেন রাজ্জাক। জিতলেন বাজি। পুরস্কারের এক হাজার টাকায় ছোটখাটো আয়োজন করলেন অফিসে। প্রতিদিন এতটা পথ যিনি দৌড়ান, তাঁর ঝুলিতে আছে এমন আরো অনেক মজার ঘটনা।
মাঝেমধ্যে বিপদেও পড়ে যান। একবার দৌড়াতে গিয়ে জুতা প্রায় ছিঁড়েই গেল। দেরি না করে জুতা জোড়া হাতে নিয়েই দৌড়াতে লাগলেন। ব্যাপারটা কী জানতে চাইলে হাসিমুখে বললেন, প্রতিদিনই তো জুতা পায়ে দৌড়াই, তাই একটু জুতা ছাড়া দৌড়ে দেখছি আর কি। কষ্ট কিন্তু ঠিকই পাচ্ছিলেন। এ তো আর অলিম্পিক দৌড়ের মসৃণ ট্র্যাক নয়! এবড়োখেবড়ো, পাথর আর ইটের খোয়া বিছানো রাস্তা বলে কথা!
আরেক বিপদের নাম 'কুকুর'। নিজেই বললেন, 'রাস্তার গাড়িঘোড়া ভয় পাই না, কুকুরই আমার একমাত্র ভয়। আমাকে দৌড়াতে দেখে ওরাও মাঝেমধ্যে পিছু নেয়। আত্মা শুকিয়ে যায় আমার।' একদিন ভালোমতোই পিছু নিয়েছিল কুকুরের পাল। রাজ্জাককে বেশ কিছুদূর ধাওয়া করে ওরা। জীবনে সেরা দৌড় দৌড়েছিলেন সেদিন। নির্দিষ্ট সময়ের ২০ মিনিট আগেই অফিসে পেঁৗছে গিয়েছিলেন রাজ্জাক!
এর মাঝে দুঃখের ঘটনাও আছে। একদিন মাঝরাস্তায় পায়ের রগে টান পড়ে রাজ্জাকের। এদিকে পকেটে নেই টাকা। আশপাশে আর কোনো গাড়িও নেই। অনেকক্ষণ খুঁড়িয়ে চলার পর শেষে একটা অটোরিকশা পেয়ে যান বলে রক্ষা।
ব্যথা পান না পায়ে? বললেন, 'ব্যথা পাই না যে তা নয়। তবে পেলে আরো বেশি দৌড়াই। প্রথম প্রথম বেশি ব্যথা লাগত। এখন সহ্য হয়ে গেছে। আর বছরে দু-তিন জোড়া কেডস লাগে।' ভালো কথা, হলিউডের ফরেস্ট গাম্প ছবিটা দেখেছেন নাকি? ওই ছবিতে ফরেস্ট নামের লোকটাও তো আপনার মতো দৌড়ায়। 'হুম, অফিসের একজন ছবিটার কথা বলেছিল। তবে দেখা হয়নি। একই ব্যাপার, তাই না? দেখতে হবে ছবিটা।' আপনার আসল লক্ষ্যটা কী? দৌড়ে অফিস করেন কেন? রাজ্জাকের উত্তর, 'নিজেকে একজন ক্রীড়াবিদ ভাবি। এজন্য শরীরটা ফিট রাখতেই হবে। দেখা যাক, কোনো রেকর্ড গড়তে পারি কিনা।'
এ দৌড়ই কিন্তু রাজ্জাককে দিয়েছে চাকরি। জানালেন, 'এক সময় চাকরির জন্য অনেক ঘুরেছি। ২০০৭ সালের ১ জুলাই কঙ্বাজার মেরিন ড্রাইভ রোডে বাংলা ম্যারাথন আয়োজিত এক প্রতিযোগিতায় ৪২ কিলোমিটার দৌড়ে প্রথম হই। এই জয়ই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। জয়ের সার্টিফিকেট নিয়ে আমি অফিসপাড়ায় ঘুরতে থাকি। শেষে একদিন তৎকালীন নওগাঁর জেলা প্রশাসক শেফাউল করিম আমাকে রাজস্ব বিভাগে এমএলএসএস পদে চাকরির ব্যবস্থা করেন। সেই থেকে জেলা প্রশাসকের রাজস্ব শাখার ভূমি অফিসে আছি।'
সাফল্যের ইতিহাসটা শোনা যাক রাজ্জাকের মুখেই_'১৯৯৩ সালের কথা। নাটোর থাকতে নিয়মিত ফুটবল খেলতাম। খেলতে গিয়ে একদিন পরিচয় হয় এক ম্যারাথন ট্রেনারের সঙ্গে। তাঁর কাছেই দৌড়ের প্রথম পাঠ নেই। পরের বছর নাটোরে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ২৫ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নিই। বিশ্বাস ছিল জিতব। প্রতিযোগিতায় প্রথম হলাম। একই প্রতিযোগিতায় ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত প্রথম হই। পরে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক ডে উপলক্ষে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি আয়োজিত ম্যারাথন প্রতিযোগিতাতেও অংশ নিতে থাকি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ ও এরপর ২০০৭ সালে ওই প্রতিযোগিতায় প্রথম হই। ১৯৯৯ এবং ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ ও ২০০৭ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার ম্যারাথনে ষষ্ঠ, চতুর্থ, তৃতীয়, পঞ্চম ও চতুর্থ স্থান লাভ করি। এর পর চাকরিটা হয়ে যায়। তাই বলে চর্চা বন্ধ রাখিনি। অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই আসা-যাওয়ার সময়টাতেই প্র্যাকটিস সেরে নেই। ইচ্ছে আছে জাতীয় দলের হয়ে ম্যারাথনে অংশ নেব।'
রাজ্জাকের স্ত্রী রুনা বেগম বলেন, প্রথম প্রথম খারাপ লাগত। কিন্তু দৌড়ের পর ও যখন চাকরিটা পেল, তখন বুঝলাম দৌড়টাই আমাদের ভাগ্যের চাকা। দৌড়ের কারণে সবাই তাঁকে এক নামে চেনে।' প্রতিবেশী আজাহার বলেন, 'ম্যারাথন রাজ্জাক নামে সবাই তাঁকে চেনে। উনি আমাদের জন্য বিশাল পাওয়া, আমাদের গর্ব।'
মাস ছয়েক আগেও আবদুর রাজ্জাক ধামইরহাট উপজেলার পলাশবাড়ীর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যেতেন ৪২ কিলোমিটার দৌড়ে। এখন তাঁকে অফিস করতে হয় ১০ কিলোমিটার দূরের কীর্তিপুর ইউনিয়নে। আগের মতো অতটা দৌড়াতে না হলেও ২০ কিলোমিটারই বা কম কী! তাঁর দেখাদেখি যদি রাজধানীর অফিসগামীদের কেউ কেউ এ অভ্যাস চালু করেন, তবে কি আর লোকাল বাসে বাদুরঝোলা হতে হয়! দেখা গেল যানজটকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বাসের আগেই পেঁৗছে গেলেন মিরপুর থেকে মতিঝিল।

কলা বাদুড়ের বে ।। আহমেদ রিয়াজ

আদুড় বাদুড় চালতা বাদুড়
কলা বাদুড়ের বে
টোপর মাথায় দে'
ছোটবেলায় ছড়াটি পড়েনি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া ভার। কিন্তু তখন হয়তো বুঝতে পারোনি বাদুড়ের সঙ্গে চালতা বা কলার সম্পর্কটা কোথায়? সম্পর্ক আছে। বাদুড়কে আবার পাখি ভেবে বসোনি তো? বাদুড় কিন্তু পাখি নয়। যদিও উড়তে পারে। আসলে বাদুড় হলো উড়তে সক্ষম এক ধরনের ডানাওয়ালা প্রাণী। এদের চিরোপটেরা বর্গের মেগাচিরোপটেরা ও মাইক্রোচিরোপটেরা দলে ভাগ করা হয়। মাইক্রোচিরোপটেরা প্রজাতি মূলত ফলভোজী। এ জন্য এদের আরেক নাম ফ্রুটব্যাট। আর আমরা বলি বাদুড় বা কলা বাদুড়। এই মাইক্রোচিরোপটেরাদের কেউ কেউ আবার পতঙ্গও খায়। কোন কোন পতঙ্গ খায় জানো? মথ, ঘাসফড়িং, মশা, গুবরে পোকা_এসব। একটা ছোট বাদামি রঙের বাদুড় নাকি ঘণ্টায় ৬০০টিরও বেশি মশা খেতে পারে। তো তোমার ঘরে মশার অনেক উৎপাত থাকলে বাদুড় পালতে পারো। এই পতঙ্গখেকো বাদুড়রা হচ্ছে ইনসেক্ট ব্যাট, বাংলায় চামচিকা। দুনিয়ায় বাদুড় আছে প্রায় ৮০০ প্রজাতির। কোনো কিছুর ফাটল, গাছের খোঁড়ল, দেয়াল, পাথরের ফোকর, গর্ত, পোড়ো দালান, পুলের তল, সড়কের কনভার্ট, বড় বড় গাছ, পুরনো কুয়ায় এরা আস্তানা গাড়ে। আমাদের দেশের বাদুড়রা থাকে বট, আম, ছাতিম, রেইনট্রি, গগনশিরীষ, নারিকেল, তাল, সুপারি, খেজুর গাছে এবং বাঁশঝাড়ে। দল বেঁধে থাকে বাদুড়। একেক দলে এক ডজন থেকে এক হাজার বাদুড় থাকে। আম, লিচু, পেয়ারা, কলা, সফেদা এমনকি খেজুরের রসও খায় বাদুড়।
বাদুড়ের চলাচল বেশ অদ্ভুত। আমরা যেমন আলোর ওপর নির্ভর করে পথ চলি, বাদুড় চলে শব্দের প্রতিধ্বনির ওপর নির্ভর করে। চলার সময় শব্দ করে ওড়ে বাদুড়, যাতে সামনে কোনো বাধা থাকলে তা কতখানি দূরত্বে আছে, কোন দিকে যেতে হবে_এসব বোঝা যায়।
বাদুড় বেশ উপকারী প্রাণী। বুনো গাছপালার বৃদ্ধি ও কীটপতঙ্গ কমাতে বাদুড়ের জুড়ি নেই। তবে বাদুড় থেকে নানা রোগও ছড়ায়। নিপা ভাইরাসের কথা তো শুনেছ। এই নিপা ভাইরাস বাদুড়ের কাছ থেকেই ছড়ায়। গত দশ বছরে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে ১০৯ জন মারা গেছে। একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এ ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকা যায়।
সূত্র : কালেরকন্ঠ

বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী নানী

বয়স তার মাত্র ২৩। এরই মধ্যে তিনি নানী হয়ে গেছেন। তিনি রিফকা স্ট্যানেসকু। আর তাতেই তিনি বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী নানীর রেকর্ড গড়েছেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি প্রথম সন্তান মারিয়ার জন্ম দিয়েছিলেন। এখন মেয়েকে পরামর্শ দিচ্ছেন- সে যেন রিফকার পদাঙ্ক অনুসরণ না করে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। মেয়ে মারিয়া যেন মায়ের চেয়ে একধাপ এগিয়ে গেলেন। সে মা হয়েছে মাত্র ১১ বছর বয়সে। সে জন্ম দিয়েছে একটি পুত্র সন্তান।
রিফকার বয়স যখন ১১ বছর তখন তিনি বিয়ে করেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্ট্যানেসকুকে। তখন স্ট্যানেসকুর বয়স ১৩ বছর। বিয়ে করেই তারা পালিয়েছিলেন। কারণ রিফকার ভয় ছিল, তার পিতা তাকে রুমানিয়ার আরেক গ্রামের এক পুরুষের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেবেন। তার পরই গড়েন ওই ইতিহাস। তার মেয়ে মারিয়া একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেওয়ায় রিফকার মা অর্থান মারিয়ার নানী ৪০ বছর বয়সে প্রমাতামহী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। মারিয়া একটি পুত্র সন্তানের মা হওয়ার এক বছর পর আরেক পুত্র নিকোলাই জন্ম নেয়। এর পরই রিফকা তার মেয়ে মারিয়াকে স্কুলে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করছেন। বৃটেনে সবচেয়ে কম বয়সে নানী হয়েছেন ইয়র্কের রোথারহ্যামের ২৬ বছর বয়সী এক নারী। ১৯৯৯ সালে তার মেয়ে ১২ বছর বয়সে একটি সন্তান প্রসব করেছিল।

সূত্র : মানবজমিন

পৃথিবীর সবচেয়ে কম বয়সী গায়ক

১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বরে 'ইটস হার্ড টু বি এ বেবি' নামে একটি অ্যালবাম ফ্রান্সে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে বেস্ট সেলারের তালিকায় শীর্ষ স্থানে ছিল। অ্যালবামটি ছিল ফরাসি শিশু গায়ক জরোভির। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৪ বছর।


সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

মাছি মারা অনেক কঠিন কাজ

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজের একটি মাছি মারা। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? যদি কঠিন কাজ না হতো তবে এমন কথারও সৃষ্টি হতো না, মাছি/মশা মারতে কামান। যাক কামান-বিমান এসব কথা বাদ দিয়ে এবার মাছি মারা প্রসঙ্গে। মাছি মারা অনেক কঠিন কাজ? সম্প্রতি এটিই খুঁজে বের করেছেন একদল মার্কিন গবেষক। মস্তিষ্কের স্নায়বিক পদ্ধতিতে মাছি বিপদ এড়ায়। আঘাতকারীর অস্তিত্ব টের পাওয়া মাত্র মাছি খুবই দ্রুত ২০০ মিলি সেকেন্ডের মধ্যে পালানোর পথ খুঁজে বের করে ফেলে। তারপর উড়ে যায় বিপরীত দিকে। মাছি মারা তাই অনেক কঠিন। ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব বায়োলজির একদল গবেষক এমন কথাই জানায়। গবেষণাটি কারেন্ট বায়োলজি নামে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। আঘাত আসার সামান্য ইঙ্গিত পেলেই ছোট্ট এই প্রাণীটি উল্টোদিকে উড়ে গিয়ে মানুষ শত্রুর হাত থেকে বেঁচে যায়। বিপরীত দিকে পালানোর সিদ্ধান্ত সে নেয় মুহূর্তের মধ্যে বলা হয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির মাইকেল ডিকিনসন এক বিবৃতিতে জানান, মাছি খুব দ্রুততার সঙ্গে ২০০ মিলি সেকেন্ডের মধ্যে পালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ওই সময়ের মধ্যেই মাছি বুঝতে পারে কোনদিক থেকে আঘাতটি আসছে এবং তখনই তার উল্টো দিকে যাওয়ার জন্য সে পা ও পাখা চালায়। বিবৃতিতে ডিকিনসন বলেন, এ থেকেই বোঝা যায় মাছির মস্তিষ্ক কত তাড়াতাড়ি সংবেদনশীল কোনো কিছু টের পায় এবং এর প্রতি সক্রিয়ভাবে সাড়া দিতে পারে। ডিকিনসন ও তার দল অত্যাধুনিক ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করে এবং ফলের ওপর বসা মাছি তাড়ানোর মধ্য দিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখেছেন। তিনি জানান, সামনের দিক থেকে আঘাত এড়াতে মাছি তার মাঝের পা সামনের দিকে বাড়িয়ে দেয় এবং নিচু হয়ে পেছনের দিকে সরে এসে পেছনের পা ব্যবহার করে পেছনের দিকে উড়া শুরু করে।

আর আঘাত যদি পাশ থেকে আসে তবে মাছিরা উল্টো দিকে নিচু হয়ে উড়া শুরু করে। নতুন এ গবেষণার মাধ্যমে মাছির স্নায়বিক পদ্ধতি সম্পর্কে নতুন দিক উন্মোচিত হলো এবং কিভাবে মাছি মারা যাবে তারও কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেল। ডিকিনসন বলেন, মাছির অবস্থানের ওপর আঘাত না করে বরং মাছির পালানোর পথের দিকে লক্ষ্য করে আঘাত করা উচিত। ডিকিনসন একজন জীবপ্রকৌশলী (বায়োইঞ্জিনিয়ার)। পোকামাকড়ের উড়ার ওপর গবেষণা করাই তার ধ্যানজ্ঞান। এছাড়াও তিনি ছোট একটি রোবট মাছি তৈরি করেছেন, যার নাম রোবোফ্লাই।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

Monday, February 28, 2011

মাছও মায়ের দুধ পান করে!

সম্প্রতি ডেনমার্কের গবেষকরা দুর্লভ প্রজাতির মাছের সন্ধান পেয়েছেন যেগুলোর মা মাছ তার পোনাদের দুধ পান করায়। আর ভ্রুণ অবস্থায় মা মাছের পেটের ভেতর থাকাকালে এই দুধ পানের ঘটনা ঘটে। সংবাদ মাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, স্তন্যপায়ী এই মাছগুলো পোনাদের দুধ পান করানোর মাধ্যমে পুষ্টির জোগান দেয়। আর এই দুধ তৈরি হয় মাছের ম্যামারি গ্লম্ল্যান্ডে।
সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, মাছের ক্ষেত্রে বাচ্চাদের দুধপান করানোর ঘটনা এর আগে জানা যায়নি। কোপেনহেগেন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা ইলপাউট নামের এই দুর্লভ মাছের সন্ধান পেয়েছেন। মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম তড়ধত্পবং ারারঢ়ধত্ঁং. গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে এক্সপেরিমেন্টাল মেরিন বায়োলজি অ্যান্ড ইকোলজি সাময়িকীতে।গবেষকরা জানিয়েছেন, ইলপাউট মা মাছ একসঙ্গে ৩০ থেকে ৪০০টি বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। আর জন্মের সময় বাচ্চাগুলোর আকার হয় ৩ থেকে ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত।
জানা গেছে, এই মাছ ইংলিশ চ্যানেল থেকে বাল্টিক সাগর এবং হোয়াইট সি-এর তীরবর্তী এলাকায় বেশি দেখা যায়। গবেষকরা জানিয়েছেন, ইলপাউট মাছের গর্ভধারণকাল অনেক দীর্ঘ হয়। ৬ মাসের দীর্ঘ সময় গর্ভধারণ করার পর শীতকালে বরফশীতল পানিতে বাচ্চা জন্ম দেয় মা মাছ। স্তন্যপায়ী অন্যান্য প্রাণীদের মতোই মাতৃগর্ভে ডিম্বাণু জন্ম হয় এবং বেড়ে ওঠে। আর নিষিক্তকরণ বা সন্তান জন্মের অন্যান্য সব পর্যায় ওভারিতে ঘটে থাকে। আর এ ওভারিতেই থাকে ফলিকলস। প্রতিটি পোনার জন্য আলাদা ফলিকলস থাকে। আর প্রতিটি ফলিকলসের মাধ্যমে পোনাদের মুখে পৌঁছে যায় মায়ের দুধ।

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ