প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label শারমিন পড়শি. Show all posts
Showing posts with label শারমিন পড়শি. Show all posts

Saturday, October 22, 2011

হাসতে নাকি জানেনা কেহ || পর্ব - ৩

ডাক্তার রোগী :
এক রোগী ডাক্তারের চেম্বারে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসে বলল-
রোগী : আমার কান পোড়া গেছে। প্লিজ আমার জন্য কিছু করেন।
ডাক্তার : সেকি, আপনার দেখছি দু'টো কানই পড়া গেছে, কিভাবে হলো এটা?
রোগী : আমি কাপড় ইস্ত্রি করছিলাম, হঠাৎ আমার ফোন এল। আমি রিসিভার মনে করে কানে দিলাম।
ডাক্তার : সেটাতো বুঝলাম, কিন্তু অন্য কানটা ?
রোগী : ফোনটা আবারো এসেছিল।

আমার ছেলেকেও সেখানে ভর্তি করাব
দুই ভদ্রলোকের মাঝে কথা হচ্ছে।
- কি ভাই, খবর কি?
- খুব ভাল, আমার মেয়ে এ প্লাস পাইছে।
- ভাল, তা কোথায় ভর্তি করাবেন ?
- ওমেন কলেজে। শুনেছি কলেজটা নাকি খুব ভাল।
- তবে আমার ছেলেকেও সেখানে ভর্তি করাবো।

মরার আগে এতিমখানায় দান
দুই বান্ধবীর মধ্যে কথা হচ্ছে-
- জানিস? রফিকের দাদায় খুব দানশীল লোক ছিলেন। তিনি মরার আগে সব এতিমখানায় দান করে গেছেন।
- তাই নাকি! তা তিনি এতিমখানায় কি দিয়ে গেছেন ?
- দুই ছেলে ও এক মেয়ে।

দুইবার অপমান করতে চাইনা
এক ভদ্রলোক হোটেলে খেয়ে বয় কে ৫ টাকা দিলেন। তখন হোটেল বয় বলল-
বয় : আমাকে ৫ টাকা দিলেন মানে অপমান করলেন।
ভদ্রলোক : তাহলে কত দিতে হবে ?
বয় : আরো ৫ টাকা দিলেই চলবে।
ভদ্রলোক : সরি, আমি তোমাকে দুইবার উপমান করতে চাইনা।

ইয়ার্কি একদম সহ্য করিনা
দুই বান্ধবীর মাঝে তর্কাতর্কি হচ্ছে। তর্কাতর্কির এক প্রর্যায়ে এক বান্ধবী অন্য বান্ধবীকে একটি থাপ্পড় দিয়ে ফেলল। তখন বান্ধবীটি জিজ্ঞাসা করল-
১ম বান্ধবী : তুমি কি আমাকে থাপ্পড়টি সত্যি সত্যি মারছো নাকি ইয়ার্কি করে মারছো ?
২য় বান্ধবী : সত্যি সত্যি মারছি।
১ম বান্ধবী : তবে ঠিক আছে। আমি আবার ইয়ার্কি একদম সহ্য করিনা।

হাসতে নাকি জানেন কেহ দ্বিতীয় পর্ব পড়ুন

Thursday, October 20, 2011

হাসতে নাকি জানেনা কেহ || পর্ব : ২ (ভোলানাথ)

ভোলাকে কেহ হাসাতে পারল না
একবার এক অভিনব কৌতুক প্রতিযোগিতার আয়োজন হলো। সর্বমোট ১০০টি কৌতুক বলা হবে। যে ব্যক্তি পুরো ১০০টি কৌতুক শোনার পরও একটুও হাসবে না, তাকে পুরস্কৃত করা হবে। তো, এই খবর শুনে ভোলা বন্ধুবান্ধব নিয়ে লাফাতে লাফাতে সেখানে গিয়ে হাজির। ভোলাসহ সব প্রতিযোগী নিজ নিজ আসনে বসে আছে। সামনে চলছে কৌতুক পরিবেশন। কৌতুক শুনে সবাই হো হো করে হাসতে হাসতে একজন একজন করে বাদ পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভোলার মুখে কোনো হাসি নেই। এভাবে ৯৯টা কৌতুক শেষ এর পরও ভোলাকে কেউ হাসাতে পারল না। কিন্তু ১০০ নম্বর কৌতুক শুনেই পেট চেপে ধরে হাসতে হাসতে ভোলা গড়াগড়ি দিচ্ছিল। তার বন্ধুরা তো এবার রেগে অগ্নিশর্মা। পাশ থেকে বলতে লাগল, ‘আরে বুদ্ধু, এই শেষবেলায় এসে হাসছিস কেন? পুরস্কারটা তো আমাদের হাতছাড়া করে দিলি। সব বরবাদ হয়ে গেল’ ভোলা বলল, ‘আরে দোস্ত, আমি কী করব? এইমাত্র কানে লাগানো ছিপিটা খুলে গেল যে।

চিঠিটা এখনো হাতে এসে পৌছায়নি
একবার ভোলার কাছে তার বন্ধু রামের একটি চিঠি এল। চিঠিতে লেখা, ‘ভোলাজি, আমি একটা মহা ঝামেলায় পড়েছি, একমাত্র তুমিই পার এই ঝামেলা থেকে আমাকে মুক্তি দিতে। দয়া করে যদি তুমি আমাকে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দাও, তাহলে বর্তে যাই আমি। ছয় মাস পরই ধারের টাকা শোধ করে দেব।’ এই চিঠি পেয়ে ভোলার মাথা তো একদম গরম। ওই ব্যাটা রাম যে একটা জোচ্চোর তা ভালো করেই জানে ভোলা। মরে গেলেও সে কিছুতেই এ টাকা শোধ করবে না। মহা চিন্তায় পড়ল ভোলা। ভাবতে ভাবতে হুট করেই বুদ্ধি করল, এবার তাকে একটা পাল্টা চিঠি পাঠিয়ে দিই। ভোলা চিঠিতে লিখে দিল, ‘ভাই রামজি, আমি খুবই দুঃখিত যে, তুমি ১০ হাজার টাকা চেয়ে যে চিঠিটি আমার ঠিকানায় পাঠিয়েছ, তা হয়তো ভুল করে অন্য কারও কাছে গেছে। তাই সেই চিঠিটি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। তাই তোমাকে টাকাটা দিতে পারলাম না বলে ক্ষমা কোরো।’

ভোলানাথের রেস্তোরা ব্যবসা
ভোলানাথ আর তার কাকা একবার ব্যবসা করার পরিকল্পনা করল। অনেক ভেবেচিন্তে তারা ঠিক করল রেস্তোরাঁর ব্যবসা করবে। যেই ভাবা সেই কাজ। রেস্তোরাঁ তৈরি হলো। রান্নাবান্নাও হলো। তারপর তারা ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু কোনো ক্রেতাই সেদিন আর এল না। এভাবে এক দিন দুই দিন করে সপ্তাহ পার হলো, কিন্তু ক্রেতার কোনো দেখা নেই।
শেষে জানা গেল, ভোলানাথ তাদের রেস্তোরাঁর সামনে বড় করে লিখে দিয়েছিল ‘দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ’।
তো ব্যর্থ হয়ে তারা ভাবল, তাদের দিয়ে আর যা-ই হোক রেস্তোরাঁর ব্যবসা হবে না। এবার তারা আবার মোটর গ্যারেজের ব্যবসা শুরু করল। যন্ত্রপাতিও কেনা হলো। কিন্তু ‘যাহা কদু তাহাই লাউ’য়ের মতো অবস্থা। দিনমান অপেক্ষার পরও কোনো গাড়িই তাদের গ্যারেজে ঢুকল না। এভাবে এক দিন দুই দিন করে সপ্তাহই শেষ, কিন্তু গাড়ির কোনো খবর নেই। তো, তাদের গ্যারেজে কোনো গাড়ি না আসার কারণ হলো, গ্যারেজটি ছিল একটি ভবনের তৃতীয় তলায়।

ভোলানাথের শহর ভ্রমণ
জীবনের প্রথম ভোলানাথ গ্রাম থেকে শহরে এসে একটা হোটেলে উঠেছে। হোটেলবয় তাকে কক্ষ দেখানোর জন্য নিয়ে যাওয়ার পর ছোট্ট একটা কক্ষে ঢুকতেই দরজা বন্ধ হয়ে গেল। ভোলানাথ দেখল সেখানে আরও একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। তো তাকে ভোলানাথ বলল, ‘মশাই, দেখুন তো, আমি গ্রাম থেকে এসেছি। টাকাও সব শোধ করে দিয়েছি। কিন্তু এই ব্যাটারা কত ছোট্ট একটা ঘর আমাকে দিয়েছে। থাকার কথা ছিল আমার একার কিন্তু এখন দেখছি, মশাই, আপনিও আমার ঘরে। তারপর ওপরে আবার বিছানা নেই, নেই বাতাস ঢোকার কোনো ব্যবস্থা। ব্যাটারা কেমন জোচ্চোর বুঝুন।’
এমন সময় হোটেলবয় এসে জানাল, ‘আরে মশাই, এটা তো আপনার কক্ষ নয়। এটা তো লিফট।’

হাসুন প্রাণ খুলে ১ম পর্ব পড়ুন

Wednesday, October 19, 2011

হাসতে নাকি জানেনা কেহ || পর্ব : ১


ডাক্তার ও রোগী
রোগীঃ ডাক্তার সাহেব আমার দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা,
ডাক্তারঃ হা করুন
রোগীঃ হা..........।
ডাক্তারঃ আরো একটু হা করুন।
রোগীঃ করছি তো।
ডাক্তারঃ আরো সামান্য একটু
রোগীঃ কী ব্যাপার, ডাক্তার সাহেব! আমার মুখের ভিতর বসে দাঁত খুলবেন না কি!

হাসির বই
বই বিক্রেতা : এই বইটা পড়লে হাসতে হাসতে মারা যাবেন।
ক্রেতা : তাহলে এক কপি দিন। আমার বসকে পড়তে দেব।

কংকাল কী
শিক্ষক : কংকাল কী, কে বলতে পারো?
ছাত্র : আমি পারবো, স্যার।
শিক্ষক : ঠিক আছে, বলো তো।
ছাত্র : স্যার, কংকাল এমন এক মানুষ যার ভেতরটা আছে কিন্তু বাইরেটা নেই।

ত্রিভুজ
ছেলে : বাবা, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ, এটা কীভাবে প্রমাণ করবো?
বাবা : বলিস কিরে? ওরা এখনও প্রমাণ বার করতে পারেনি? সেই কোন ছেলেবেলা থেকে দেখছি প্রমাণের জন্য ওরা মাথা কুটে মরছে।

বাবার নাম
শিক্ষক : তোমার বাবার নাম কী?
ছাত্র : ( কোন জবাব না দিয়ে চিন্তামগ্ন)।
শিক্ষক : কী হলো জবাব দাও!
ছাত্র : স্যার, এখনও তাকে আমরা কোন নাম দিইনি। তাকে আপাতত আমরা বাবা বলে ডাকি।

কলমের বদলে পেন্সিল
প্রথম ব্যক্তি : ডাক্তার সাহেব, তাড়াতাড়ি আসুন, আমার ছেলে আমার কলম গিলে ফেলেছে। হায়রে, এখন আমি কি করব?
ডাক্তার : আমি না আসা পর্যন্ত আপাতত একটা পেন্সিল ব্যবহার করুন।

গরু
লোক- এই যে, তুমি যে ভিক্ষা চাইছো, কিভাবে বুঝবো যে তুমি কানা?
ভিক্ষুক- এই যে দূরে একটা গরু দেখতাছেন, ওইটা আমি দেখতাছি না।

সাঁতার
এক যুবক নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছে।
প্রশ্নকর্তাঃ আপনি কি সাঁতার জানেন?
উত্তরদাতাঃ সাঁতার শেখার সুযোগ হয়ে উঠেনি, স্যার।
প্রশ্নকর্তাঃ তাহলে কি ভেবে আপনি নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছেন?
উত্তরদাতাঃ মাফ করবেন, স্যার; তাহলে কি আমি মনে করব যে বিমানবাহিনীর আবেদনকারীরা উড়তে শেখার পর আসে।

জ্ঞানী লোক
রসায়ন-এর ব্যবহারিক ক্লাস চলছে-
শিক্ষক : আমি এই দ্রবণ প্রস্তুত করেছি এবং এই পাত্রে আমি আমার সোনার আংটিটা ডুবিয়ে দিলাম। এখন বল তো আংটিটা দ্রবণে গলবে, নাকি গলবে না?
ছাত্র : গলবে না স্যার?
শিড়্গক : গুড! ভেরি গুড! আচ্ছা বলতো কেন গলবে না?
ছাত্র : স্যার আপনি জ্ঞানী লোক, এই দ্রবণে যদি সোনার আংটি গলে যেত, তবে আপনি নিশ্চয় জেনেশুনে এই পাত্রে আপনার সোনার আংটিটি ডুবাতেন না।

রাস্তা
১ম ব্যক্তি- ভাই, এই রাস্তাটা কোথায় গেছে?
২য় ব্যক্তি- কেনো! কোথাও যায়নি তো! ২০ বছর ধরে দেখছি এখানেই আছে।

Tuesday, July 19, 2011

চাঁদ নানা

চাঁদ নানা
আমার কাছে আসোনা কেনো
আমি ডাকি কাছে তোমায়
আমার পাশে বসোন না কেনো ?

চাঁদ নানা চাঁদ নানা
সকাল হলে কই যাও হারিয়ে
আমায় তুমি কেন রাগাও
থাকো দূরে পালিয়ে ?

চাঁদ নানা চাঁদ নানা
একটা কথা রাখবে কি
আমায় তুমি সাথে নিয়ে
মেঘের ভেলায় ভাসবে কি ?


মাসিক কিশোর সাহিত্যের জুলাই সংখ্যায় প্রকাশিত।

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ