প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label ছড়া. Show all posts
Showing posts with label ছড়া. Show all posts

Friday, September 14, 2012

রংধনু | ফাতিহা জামান অদ্রিকা

রংধনুর সাতটি রং
দেখো ভাই দেখো
সাত রঙের মিল দেখে
মিলে থাকা শেখো।

রঙে রঙে কত মেলা
নীল আকাশে ভাসছে।
তাই দেখে মন আমার
আজ খুশিতে নাচছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ
প্রথম শ্রেণী, রোল-২৭

Thursday, July 26, 2012

বৃষ্টির ছড়া | ওয়াসিফ -এ-খোদা

চড়-থাপ্পড়? লাঠির বাড়ি?
কিংবা খেলো গাল?
তাই কি আকাশ আঁধার এমন
কালো মেঘের কাল!

বৃষ্টি এলে পাড়ার মাঠে
দুষ্টুগুলো খেলবে,
ঘোর বর্ষায় আনন্দিত
ময়ূর পেখম মেলবে।

০২.

বৃষ্টি নামছে নামুক
দাপিয়ে উঠোন চাতাল_
মাথাল মাথায় কৃষক
মাটির গন্ধে মাতাল।

উড়ূক বালাই খরা
শুচি সি্নগ্ধ ধরা
সোনা ধানের স্বপ্নে
ভাবনা আকাশ-পাতাল।

সূত্র : সমকাল

বৃষ্টি মেয়ে | অদ্বৈত মারুত

মেঘ,
দূরের দেশে
থেকে ভেসে
আসে হেসে
নেচে নেচে
হাওয়া দিলে
বেগ।

০২.

ঢাক গুড় গুড়
ঢাক গুড় গুড়
ঢাক,
মেঘের ভীষণ
রাগ!
মা বুঝি আজ
দেয়নি খেতে
পাট কলমির
শাক!

০৩.

মেঘের নাকি
বৃষ্টি মেয়ে
বৃষ্টি মানে জল
কাঁদলে আহা!
চুপ হয়ে যায়
মাঠের দূর্বাদল।

Sunday, July 8, 2012

কানা বগীর ছা | খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন


ঐ দেখা যায় তাল গাছ
ঐ আমাদের গাঁ।
ঐ খানেতে বাস করে
কানা বগীর ছা।
ও বগী তুই খাস কি?
পানতা ভাত চাস কি?
পানতা আমি খাই না
পুঁটি মাছ পাই না
একটা যদি পাই
অমনি ধরে গাপুস গুপুস খাই।
 

Sunday, June 10, 2012

টুনটুনি | আতোয়ার রহমান


টুনটুনিরে টুনটুনি, তুই উঠানে আয় এখ্খুনি
একটুখানি নাচ দেখি তোর, একটুখানি গান শুনি।
আয় বেঁধে পায় কুঁচের নূপুর বাউরি পাতার বোল নিয়ে।
মৌরি ফুলের টিপ পরে আয় ঝুমকো লতায় দোল দিয়ে।
মা রেখেছেন তিলের নাড়ু, খুকু দেবে ঝুনঝুনি,
খোকন দেবে লাল গামছা, নাচ দিখি তুই টুনটুনি।

Friday, June 8, 2012

গাধার কান | রোকনুজ্জামান খান

একটা দড়ির দুদিক থেকে টানছে দুদল ছেলে
তাই না দেখে বনের বানর লাফায় খেলা ফেলে।
সকল বানর ফন্দি আঁটে জবর মজার খেলা
এমন খেলা খেলেই সবাই কাটিয়ে দেব বেলা।
কিন্তু দড়ি মিলবে কোথায়? ঘাবড়ে গেল মাথা
পালের সেরা বানর বলে মগজ তোদের যা-তা।
নেইকো দড়ি বয়েই গেল ভাবিস মিছে হাবা
লেজে লেজে ধরব টেনে হবে দড়ির বাবা।
যেইনা বলা দুদল বানর দুদিক থেকে বসে
একের লেজটি ধরল টেনে জোরসে চেপে কষে।
বনের গাধা দাঁড়ায় মাঝে উঁচিয়ে দু’টি কান
বলে, আমার দুদিক থেকে কান ধরে দে টান
কান ধরে এই মাথা নিবি আপন দলে টেনে
জিতবি তবে এই খেলাতে, রাখিস সবাই জেনে।
অমনি দুদল হেঁইয়ো টানে- গাধার বিপদ ভারি
কান ছিঁড়ে সব হুমড়ি খেয়ে পড়ল সারি সারি
সাঙ্গ হল দড়ির খেলা বানররা সব হাসে
কান হারিয়ে গাধা শুধুই চোখের জলে ভাসে।

Thursday, May 31, 2012

পণ্ডশ্রম | শামসুর রহমান


এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা গেল উড়ে,
কান না পেলে চার দেয়ালে মরব মাথা খুঁড়ে।
কান গেলে আর মুখের পাড়ায় থাকল কি-হে বল?
কানের শোকে আজকে সবাই মিটিং করি চল।

যাচ্ছে, গেল সবই গেল, জাত মেরেছে চিলে,
পাঁজি চিলের ভূত ছাড়াব লাথি-জুতো কিলে।
সুধী সমাজ! শুনুন বলি, এই রেখেছি বাজি,
যে-জন সাধের কান নিয়েছে জান নেব তার আজই।

মিটিং হল ফিটিং হল, কান মেলে না তবু,
ডানে-বাঁয়ে ছুটে বেড়াই মেলান যদি প্রভু!
ছটতে দেখে ছোট ছেলে বলল, কেন মিছে
কানের খোঁজে মরছ ঘুরে সোনার চিলের পিছে?

নেইকো খালে, নেইকো বিলে, নেইকো মাঠে গাছে;
কান যেখানে ছিল আগে সেখানটাতেই আছে।
ঠিক বলেছে, চিল তবে কি নয়কো কানের যম?
বৃথাই মাথার ঘাম ফেলেছি, পণ্ড হল শ্রম।

Thursday, May 24, 2012

মুখোশের আড়ালে | এস এম শহীদুল আলম

মুখোশের আড়ালে
চেহারাটা ভিন্ন,
সুদ-ঘুষ অপরাধে
পাওয়া যায় চিহ্ন।

ভেঙে গেলে হাটে হাঁড়ি
সব লোক চমকায়,
কথাগুলো ফাঁস হলে
অপরাধী ধমকায়!

শাক দিয়ে মাছ ঢেকে
লাভ কিছু হয় না,
চুনকালি মাখা দেখে
কেউ কথা কয় না!



সূত্র : সমকাল

Saturday, February 4, 2012

গ্রন্থালোচনা : শিকল ভাঙার ছড়া

গ্রন্থালোচনা : শিকল ভাঙার ছড়া
লেখক : আমিনুল ইসলাম মামুন
আলোচনায় : জহির রহমান

এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় টিপাইমুখ বাঁধ। শুধু বাংলাদেশেই নয়; ভারতেও এটি আলোচিত বিষয়। এই বাঁধের প্রভাব সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। অবগত হয়েছে বিশ্বের মানুষও। এ বিষয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা থেকে ওঠে এসেছে এর নানা দিক। এর প্রভাবে ভারতের কিছু অংশসহ বাংলাদেশের বিরাট একটি অংশ; বিশেষ করে সিলেট মরুভূমিতে পরিণত হবে বলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই জনগণকে স্পষ্ট করেছেন। তারা বলেছেন, এই বাঁধের ফলে ধ্বংশ হবে এ অঞ্চলের পরিবেশ, জীব বৈচিত্র্য, কৃষি উৎপাদনসহ অর্থনীতি। মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারা হুমকির মুখে পড়বে। প্রতিবেশি বন্ধু দেশ বলছে এতে নাকি বাংলাদেশের কোন তিই হবে না। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে নদীমাতৃক এ দেশের পদ্মাসহ ছোট-বড় অনেক নদ-নদী বিলুপ্ত হয়েছে, আর কিছু এখন মৃত প্রায়।
এই ভয়াবহ তির মোকাবেলার জন্য আমাদের করণীয় কি? করণীয় হচ্ছে এই বাঁধের  বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো। কয়েকটি রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করেছে এবং করে যাচ্ছে। তাদের সাথে বসে নেই কবি-লেখকগণও। ছড়া-কবিতা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখে তারা প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন। তাদেরই মধ্যে একজন, সময়ের সাহসী ছড়াকার আমিনুল ইসলাম মামুন। টিপাইমুখ বাঁধের প্রতিবাদে তিনি লিখেছেন অগ্নিঝরা ছড়া। সেই ছড়াগুলোরই গ্রন্থিত রূপ- ‘শিকল ভাঙার ছড়া’ নামক বইটি। ইতিমধ্যে এই গ্রন্থটি টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী আন্দোলনের ‘গোলা-বারুদ’ হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছে। এখানে উল্লেখ্য যে,  টিপাইমুখ বাঁধের প্রতিবাদে লিখিত (বাংলাদেশ ও ভারতে) এটিই প্রথম ছড়ার বই। বইটিতে ােভ আর প্রতিবাদের সুরে ছড়াকার আমিনুল ইসলাম মামুন লিখেছেন-

“নদীর বুকে বাঁধ দিলে
দেশের বুকে হাত দিলে
হাতও নিবো পা-ও নিবো
মুণ্ডু কেটে তা-ও নিবো।”

আবার ‘আমরা তিতুমীর’ শিরোনামের ছড়ায় লিখেছেন-
“করবি কি ভুল খুব?
চুপ হয়ে যা চুপ
নইলে তোদের দেখতে হবে
আগুন ঝরা রূপ।

রূপটা কেমন, বুঝতে পারিস?
বারুদ মাখা তীর
বাঁধ ঠেকাতে তৈরি আছি
আমরা তিতুমীর।”

ভারতের সমালোচনা করে ছড়াকার লিখেছেন-
“বন্ধু সেজে আজও তারা
চলছে এঁটে ফন্দি
করবে এবার টিপাইমুখের
জালের ফাঁকে বন্দি?

এই আমাদের চায় যে ওরা
রাখতে করে বান্দী
তা হবে না, আয় সকলে
দা'য়ের বুকে শান্ দি।’’

এই দেশেরই কিছু নেতা-বুদ্ধিজীবি বাঁধের পে সুর তুলেছেন। তাদেরকে তিনি সবুজ প্রাকৃতিক দেশের কথা স্বরণ করিয়ে দিয়ে বলেন-

‘‘নেতার কী-যে নীতি
গান যে বাঁধের গীতি
বাঁধ হলে আজ ‘হেন’ হবে
ভবিষ্যতে ‘তেন’ হবে
ভাবেন নেতা একটুও কি
সবুজ হবে ইতি?”

কয়েকটি রাজনৈতিক দল কয়েকদিন বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুমকি দিলেও এখন অনেকটা নীরব হয়ে গেছে। ছড়াকার তাদের ল্য করে ‘কথামালার রাজনীতি’ ছড়ায় লিখেছেন-

“কথামালার রাজনীতিতে
আমরা সবে হয়রান
হিসাব করুন আসল মাঠে
কে করেছি কয় রান।

রানের খাতা শূন্য দেখি
বোলার ওরা শক্ত!
আসলে কি তলে তলে
সবাই ওদের ভক্ত!’’

প্রতিবেশি দেশের উদ্দেশ্যে ‘আমরা বাংলাদেশী’ ছড়ায় সাহসী উচ্চারণ করেছেন-
“শোন্রে প্রতিবেশী
দেখাস্নে আর পেশী
একাত্তরে লড়াই করা
আমরা বাংলাদেশী।”

টিপাইমুখ বাঁধ প্রতিরোধে সকলকে উদ্দেশ্য করে ছড়াকার লিখেছেন-
“প্রতিরোধের
প্রাচীর গড়
নদীর ধারা
রা কর।”

আরো লিখেছেন-
“রণাঙ্গনে
লড়তে হবে
দেশ রা
করতে হবে।”

এরকম অনেকগুলো ছড়া নিয়ে তরুণ মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট মনিরুল ইসলামকে উৎসর্গ করে প্রকাশিত ‘শিকল ভাঙার ছড়া’ বইটিতে প্রতিটি ছড়ার সাথে সামঞ্জস্য রেখে চিত্র অলংকরণ করা হয়েছে। অলংকরণ করেছেন- আরিফুর রহমান। নিয়াজ চৌধুরী তুলি’র প্রচ্ছদে বইটি প্রকাশ করেছেন মঈন মুরসালিন। ‘প্রতিভা প্রকাশ’ এর প্রকাশনায় বইটির দাম রাখা হয়েছে পঞ্চাশ টাকা। বইটি প্রথম প্রকাশ করা হয়েছে ১ জানুয়ারি ২০১০-এ। বইটিতে যেমনি রয়েছে ছন্দের চমৎকার কাজ, তেমনি উঠে এসেছে টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে ােভ আর প্রতিবাদের সুর। বইটি এদেশের রাজনীতি-সাহিত্যে একটি ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমি গ্রন্থটির আরো প্রচার ও প্রসার কামনা করছি। 

# জহির রহমান
সম্পাদক
মাসিক কিশোর সাহিত্য

Friday, January 13, 2012

ভাবুক ছেলে || অদ্বৈত মারুত

ও বাছাধন তোর কাঁচা মন
চিনতে পারিস গাছ?
তুই কি জানিস জলে থাকে
হরেক রকম মাছ?

জানবি না ক্যান, মনটা যে তোর
রঙমাখা আকাশ
ফুলগুলো সব ফুটলে আহা
চোখ মেলে তাকাস।

শিশিরভেজা ঘাসের বনে
হাঁটতে পারিস তুই?
তোর মনের ওই রঙ-আকাশে
ভাবছি গিয়ে শুই।

সবই পারিস, জিতিস হারিস
খুঁজিস কাশের বন
ভাবের দেশে ঘুরে খোকা
ফেরাস পাঠে মন।

সূত্র : সমকাল

Sunday, December 18, 2011

নোটন নোটন পায়রাগুলি


বিজয় || আবু সালেহ

যে বিজয়ে উল্লসিত হই
যে বিজয়ে রোমাঞ্চিত হই
সে বিজয় কি ধ’রে আছি কেউ
সে বিজয় কি জাগায় মনে ঢেউ?
যে বিজয়ে স্বাধীনতা আনি
যে বিজয়ে মুছি চোখের পানি
সে বিজয় কি অনুভবে আছে
সে বিজয় কি ধানের শীষে নাচে?
যে বিজয়ে মাথা উঁচু রাখি
যে বিজয়ে ফুলের সুবাস মাখি
সে বিজয় কি স্বপ্ন দেখায় আর
সে বিজয় কি এখন তবে ‘তার’?
যে বিজয়ে পদ্মা নদী ছিল
যে বিজয়ে কষ্ট তুলে নিল
সে বিজয় কি প্রাণে সাড়া দেয়
সে বিজয় কি কোলে তুলে নেয়?
যে বিজয়ে হেসেছিল জাতি
যে বিজয়ে কাটে কালো রাতি
সে বিজয় কি ছড়ায় চাঁদের আলো
সে বিজয় কি এখন আছে ভালো?
যে বিজয়ে আবেগ ছিল ভরা
যে বিজয়ে দেশ ও জাতি গড়া
সে বিজয় কি দেশের কথা বলে
সে বিজয় কি বুক ফুলিয়ে চলে?
যে বিজয়ে সুর তুলেছি গানে
যে বিজয়ে নতুন জীবন আনে
সে বিজয় কি ভালোবাসা দেয়
সে বিজয় কি কাছে টেনে নেয়?
যে বিজয়ে আশা ছিল মনে
যে বিজয়ে ঘুরি সবুজ বনে
সে বিজয় কি দিচ্ছে শীতল ছায়া
সে বিজয় কি ধারণ করে মায়া?
যে বিজয়ে গণতন্ত্র আসে
যে বিজয়ে এই জনতা হাসে
সে বিজয় কি ম্লান ও মলিন নয়
সে বিজয় কি অর্থবহ হয়?
যে বিজয়ে হাজার বছর পর
যে বিজয়ে পেয়েছি এই ঘর
সে বিজয় কি ছিন্নভিন্ন হবে
সে বিজয় কি সমুন্নত রবে?
সূত্র : আমার দেশ

Tuesday, October 25, 2011

রঙের মেলায় || আবেদীন জনী

ফুলের রাঙা পাপড়ি থেকে
নিলাম মধুর গন্ধ,
পাখির কিচিরমিচির থেকে
নিলাম সুর ও ছন্দ।

বুকের মধ্যে নিলাম তুলে
ভোরের নরম বাও।
সবুজ পাতার সজীবতা
নিলাম ছুঁয়ে তাও।

একটু হলুদ রোদ মাখি এই
মনের মাঠে-ঘাসে।
রূপঝরা এই রঙের মেলায়
দিন কাটুক উচ্ছ্বাসে।
সূত্র : সমকাল

চুলে চাই ফুল || গোলাম নবী পান্না

কানে তার দুল চাই
দুলটাও ফুল,
হয়তো জবার মতো
নয়তো বকুল।

খোঁপায় গোলাপ চাই
হবে না তো ভুল
ওটুকুন মেয়ে, তার
ক'টুকুন চুল!

তবু হেরফের হলে
সে হুলস্থূল
মাথায় তুলবে পাড়া
কাণ্ড ও মূল।
সূত্র : সমকাল

ময়না-টিয়ার গল্প || হাসান শরীফ

পোষা পাখি ময়না
কইতো কথা মিষ্টি স্বরে
এখন তো আর কয় না।

০২.
সবুজ পাখি টিয়া
উড়ে বেড়ায় মনের সুখে
সঙ্গী সাথি নিয়া

০৩.
উড়ে বেড়ায় নীলাকাশে
টিয়া এবং ময়না
কেউ কখনও কারও সাথে
একটু কথা কয় না।
সূত্র : সমকাল

বৃষ্টি শহর || রোকেয়া খাতুন রুবী

বৃষ্টি শহর জল ঝরছে আকাশ ভাঙা গানে,
সে গানে কী সুর ছড়ানো দোলনচাঁপা জানে।
দোলনচাঁপা, কদমকুঁড়ি শহর ভাসে জলে,
বিষণ্ন দিন স্মৃতির খাতায় চোখ দুটো ছলছলে।

বৃষ্টি শহর 'রেইনি ডে'তে স্কুলেতে ছুটি
চঞ্চলা সব কিশোরীরা মাথায় বাঁধে ঝুঁটি।
ঝুঁটিতে লাল পাপড়ি ফিতের ঝুঁটিতে লাল সাদা
মাদল বাজায় বাদল রানী সারাটা দিন কাদা।

কান্না যদি পান্না হতো নিশিত রাতের কালে
নিঝুম শহর উজানো মাছ আটকাতো সব জালে।
মাছকুমারী হারিয়ে গেছে জলের গহীন তলে
পুরনো শহর পুরনো হয়, নতুন হওয়ার ছলে।

মেঘেতে নীল, মেঘের সাদা, কোন আকাশে বাস,
বাদাম ভাজা দুপুর উদাস জলের নিচে ঘাস।
ঘাসের ফাঁকে জলের ফড়িং ডানায় আঁকিবুঁকি
বৃষ্টি শহর মেঘের ভেতর সূর্য কি দেয় উঁকি?
সূত্র : সমকাল

Wednesday, October 19, 2011

সারা আঁখি পাতা || শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ

সেই মেয়েটি দস্যি মেয়ে
পাতায়, ফলে, ফুলে
দোদোল দোদোল দোলে।

পাতাদ্বীপ ঝাড়ু দেয়
দীঘল দীঘল চুলে।

সেই মেয়েটি গেছো মেয়ে
গাছে গাছে ঘোরে,
কিংবা হাওয়ায় ওড়ে।

সারা আঁখি পাতা
তার পাতাদ্বীপ জুড়ে।

বাবুই পাখি || জাওয়াদ তাজুয়ার মাহবুব

বাবুই পাখি, বাসাটা তার
গাছের ডালে গড়ে,
একটুখানি হাওয়া এলেই,
এদিক-ওদিক নড়ে।

খেজুরপাতা চিরে ওরা
আপন বাসা বোনে,
মনের ব্যথা, দুঃখ কথা
রয় হৃদয়ের কোণে।

খিদে পেলে ঝাঁকে ঝাঁকে
এগাঁও ওগাঁও যায়,
ইচ্ছেমত ঘুরেফিরে,
খাবার খুঁজে খায়।

সারাটি দিন এদিক-সেদিক
সাঁঝের বেলা ফেরে,
এমনি করে দিন কেটে যায়,
বাবুই পাখির নীড়ে।

Tuesday, October 18, 2011

মৌচাকে || নাসির আহমেদ

মৌচাকে ঢিল দেয়া ভালো নয়
মৌমাছি বোকা-বোবা কালো নয়।
বুঝবার ভুল আছে
ভয়াবহ হুল আছে
হামলা হলেই দেবে হামলা
করতে যাবে না কোনো মামলা।

ওরা একজোট থাকে সকলে
তাই নেই হামলার ধকলে
ফুলে ফুলে উড়ে উড়ে
মধু নেয় ঘুরে ঘুরে
সঞ্চয়ী শিক্ষাও ওরা দেয়
বিনিময়ে মৌমাছি কিছু নেয়?

এমন প্রাণীকে নিয়ে
গোল করা ভালো নয়
সোনালি রঙের মাছি
খারাপ বা কালো নয়।
সূত্র : সমকাল

মা ও স্বচ্ছ || পৃ থি্ব শ চ ক্র ব র্তী

স্বচ্ছ স্বচ্ছ কচ্ছ কি
আবোল-তাবোল পচ্ছ কি?
স্বচ্ছ বলে_ পচ্ছি মা
আবোল-তাবোল কচ্ছি না।

স্বচ্ছ এখন নাচ্ছ কি
নাশতা তোমার খাচ্ছ কি?
স্বচ্ছ বলে_ খাচ্ছি না।
লাচ্ছি সেমাই পাচ্ছি না।

স্বচ্ছ গায়ে পচ্ছ কি
এটা-ওটা ধচ্ছ কি?
স্বচ্ছ বলে_ খুচ্ছি মা
পব্বটা কি বুচ্ছি না।
সূত্র : সমকাল

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ