প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label ঔষধ. Show all posts
Showing posts with label ঔষধ. Show all posts

Friday, June 17, 2011

গরমে বাঁচতে তরমুজ

ফলের জগতে বৃহৎ আকৃতির ফল তরমুজ। মানবজীবনে এর লাভজনক ভূমিকা রয়েছে প্রচুর। অসহ্য গরমে ঘেমে স্নান হয়ে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পর এক ফালি রসাল তরমুজ হলে মন্দ হয় না। আর সেটা যদি ফ্রিজ থেকে বের করা ঠাণ্ডা তরমুজ হয় তাহলে তো কথাই নেই। অবশ্য বাড়িতে যাওয়ার অপেক্ষা না করে অনেকে তো রাস্তায় দাঁড়িয়েই তরমুজ খেয়ে নেন। তরমুজের ওজনের প্রায় শতকরা ৯৩ ভাগই পানি। পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় তরমুজ জলশূন্যতা দূর করে, অতিরিক্ত গরমে শরীর থেকে যে জরুরি খনিজ লবণ বের হয়ে যায়, তা পূরণ করে দেয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পটাসিয়াম। পটাসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ হতে বাধা দেয়। অন্যদিকে দেহে অম্ল ও ক্ষারের সাম্যবস্থা বজায় থাকে, অতিরিক্ত গরমে শরীরে জ্বালা পোড়ানির সমস্যা দূর করে। ত্বকের প্রতিটি বিন্দুতে জল পেঁৗছে দেয় বলে তরমুজ নিয়মিত খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে, চুলও সুন্দর হয়। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'এ' থাকে এই ফলে। ভিটামিন 'এ' চোখের জন্য যথেষ্ট উপকারী। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েরা নিয়মিত তরমুজ খেলে সন্তানদের রাতকানা, চোখ ওঠা ইত্যাদি রোগ থেকে মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গরম থেকে ঠাণ্ডা লেগে যাওয়া রোগ যেমন হাঁচি, কাশি, টনসিল দূর করতেও তরমুজের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তরমুজের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হৃৎপিণ্ডের রোগগুলো দূর করতে সাহায্য করে, হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশিকে করে শক্তিশালী। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা দাঁত, হাড়, চুল গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এতে রয়েছে আয়রন, ফোলেট যা রক্তের হিমোগ্লোবিনকে করে ভীষণ শক্তিশালী। অল্প পরিমাণে চিনি থাকার জন্য ডায়াবেটিস রোগীরাও তরমুজ খেতে পারেন। 

দীপক দেবনাথ, কলকাতা
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

গাব

সাধারণত অন্যান্য ফলের মতো গাব বাগান দেখতে পাওয়া যায় না। দেশি গাব গ্রামাঞ্চলে বনে-জঙ্গলে আপনাআপনি জন্মে। যথেষ্ট ওষুধগুণ সমৃদ্ধ এ ফল। শুকনো গাব ফলের গুঁড়া ১ গ্রাম পরিমাণ সামান্য মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে বাচ্চাদের হিক্কারোগ বন্ধ হয়ে যায়। ঠোঁটের দুই পাশে এবং মুখের ভেতরে ঘা হলে গাব ফলের রস সামান্য পানির সঙ্গে মিশিয়ে কয়েকদিন কুলুকুচা করলে মুখের ঘা সেরে যাবে।

অনেক সময় দেখা যায় ফোঁড়া সেরে গেলেও দাগ থেকে যায়। এ ফলের রস কয়েকদিন লাগালে দাগ ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাবে। 



সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

আমলকী

ফল ও পাতা দু'টিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন 'সি' থাকায় একে ভিটামিন 'সি'র রাজা বলা হয়। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন 'সি' রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন 'সি' রয়েছে। একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' দরকার। দিনে দুটো আমলকী খেলে এ পরিমাণ ভিটামিন 'সি' পাওয়া যায়। অতিরিক্ত ভিটামিন 'সি' খেলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না। খাবার খেতে ভালো না লাগলে অরুচি হলে আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে। স্কার্ভি বা দন্তরোগ সারাতে টাটকা আমলকী ফলের জুড়ি নেই। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী। লিভার ও জন্ডিস রোগে উপকারী বলে ছোট্ট এ আমলকী ফলটি বিবেচিত। আমলকি, হরিতকী ও বহেড়াকে একত্রে ত্রিফলা বলা হয়। এ তিনটি শুকনো ফল একত্রে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা ছেঁকে খালি পেটে শরবত হিসেবে খেলে পেটের অসুখ ভালো হয়। কাঁচা বা শুকনো আমলকি বেটে একটু মাখন মিশিয়ে মাথায় লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। কাঁচা আমলকী বেটে রস প্রতিদিন চুলে লাগিয়ে দুতিন ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এভাবে একমাস মাখলে চুলের গোড়া শক্ত, চুল উঠা এবং তাড়াতাড়ি চুল পাকা বন্ধ হবে। 
 

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ