প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label গাছপালা. Show all posts
Showing posts with label গাছপালা. Show all posts

Wednesday, September 7, 2011

চিনি গাছ

চিনি গাছ
চিনি গাছ স্টেভিয়া (Stevia) গাছটির সহজ বাংলা নাম। স্টেভিয়া একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের নাম যেটা ন্যাচারাল সুইটেনার হিসাবে পরিচিত। নামটি এসেছে স্প্যানিশ উদ্ভিদবিদ “পেদ্রো জাইমি এস্টেভ” এর নাম থেকে, যিনি প্রথম এই স্টেভিয়া উদ্ভিদটি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। এই গাছের পাতায় আছে এক ধরণের মিষ্টি গ্লাইকোসাইডস যেটা খাবার চিনি ‘সুক্রোস’ থেকে ৩০ থেকে ...৪৫ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালরির পরিমাণ শুন্য। অর্থাৎ যেখানে আমরা ১গ্রাম সুক্রোস থেকে পেয়ে থাকি ৪ ক্যালরি, সেখানে স্টেভিয়া থেকে প্রাপ্ত ক্যালরি হবে শুন্য। এটাতে ক্যালরি শুন্য তার কারণ হল এটি সুক্রোসের মত
স্টোমাকে ডাইজেস্ট হতে পারে না। এদের গ্লাইকোসাইডটির নাম স্টেভিওসাইডস এবং রিবাউডিওসাইড, এটি অন্যান্য কৃত্রিম সুইটেনার যেমন সাইক্ল্যামেট, স্যকারিন থেকে আলাদা যেগুলো কিনা
সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারক। এখন এই স্টেভিয়া বিভিন্ন স্বল্প ক্যালরি ফুড আইটেম এ ব্যাবহৃত হোয়ে আসছে। বিভিন্ন গ্রোসারি স্টোরে ও এটি পাওয়া যায় স্টেভিয়া/পিওরভিয়া বা অন্য কোন নামে।

স্টেভিয়া সাধারণতঃ ট্রপিকাল এবং সাবট্রপিকাল অঞ্চলের, এটি সূর্যমুখি পরিবার ভুক্ত, স্টেভিয়া জেনাসের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। এটি সাধারণতঃ উত্তর আমেরিকা থেকে দক্ষিন আমেরিকায় জন্মায়। এই হল স্টেভিয়া প্লান্ট এর পরিচিতি অতি সংক্ষিপ্ত আকারে।

গ্লাডিওলাস


গ্লাডিওলাস ফুল ইদানিংকালে
আমাদের দেশে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এর ইংরেজি নাম Sword lily ও বৈজ্ঞনিক নাম Gladiolus sp. গ্লাডিওলাস ফুল কমবেশি সারাবছরই আমাদের দেশে উৎপাদন করা হয়। গ্লাডিওলাস ফুল বিভিন্ন রঙ- এর হয়ে থাকে। যেমন-সাদা, হলুদ, গোলাপী, লাল, ফিকে লাল, বেগুনী ইত্যাদি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ ...করে ঢাকা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা প্রভৃতি অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে এই ফুলের চাষ করা হচ্ছে। যে কোনো উৎসবে এই ফুলের উপস্থিতি দেখা যায়। টিনা, পুনম, ফ্রেন্ডশিপ, হোয়াইট ফ্রেন্ডশিপসহ বিভিন্ন প্রজাতির গ্গ্ন্যাডিওলাস ফুল রয়েছে। এই ফুল চাষ করে আপনিও আয়ের পথ সুগম করতে পারেন। জমি নির্বাচন ও বপন পদ্ধতি : এই ফুল চাষের জন্য প্রায় সব ধরনের মাটিই উপযুক্ত। তবে বেলে ও কাদামাটিতে চাষ না করাটাই ভালো। বেশি জৈব পদার্থযুক্ত মাটিই গ্লাডিওলাস ফুল চাষের জন্য ভালো। যে জমিতে এই ফুল চাষ করা হবে তাতে যেন পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকে এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। এই ফুলের চারা সাধারণত কন্দ থেকে তৈরি হয়। কন্দ লাগানোর আগে জমি ভালো করে তৈরি করে নিতে হবে। কন্দের আকৃতির ওপর সাধারণত নির্ভর করে ফুলের আকার ও আকৃতি। বিঘাপ্রতি ২ থেকে ৩ টন গোবর সার, ৫০ কেজি সুপার ফসফেট ও ১৫ কেজি ইউরিয়া সার মিশিয়ে জমি তৈরি করে নিতে হবে। জমি তৈরি হয়ে গেলেই কন্দ রোপণ করা যায়।
সেচ ও আগাছা দমন : কন্দ রোপণের পর সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে সেটা যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয়। আগাছা ভালোমতো পরিষ্কার করাটা জরুরি।
ফুল সংগ্রহ : এগাছ থেকে ফুল ৭০-৯০ দিনের মধ্যেই সংগ্রহ করা যায়। দুপুরে গাছ থেকে ফুল তোলা যাবে না। ফুল সংগ্রহ করতে হবে সকাল বা বিকেলে।
ফুল বাজারজাতকরণ : ফুলের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে শাহবাগ। এছাড়া দেশের সব জেলাতেই রয়েছে অসংখ্য ফুলের দোকান। আর এসব দোকানে বর্ণিল গ্গ্ন্যাডিওলাস ফুলের চাহিদা প্রচুর। এসব দোকানে ফুল সরবরাহ করে আয় করতে পারেন।

বংশবিস্তার
১. বীজ, গুঁড়ি কন্দ ও গুঁড়ি কন্দের গায়ে জন্মানো ছোট ছোট কন্দ থেকে গ্লাডিওলাসের বংশবিস্তার করা যায়।
২. বীজ থেকে তৈরি চারাতে ফুল আসতে অনেক সময় লাগে এবং জাতিগত বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে না। তাই বীজ দিয়ে সাধারণত বংশবিস্তার করা হয় না।
৩. ফুল দেয়া শেষ হলে গাছ শুকিয়ে যায়। এ সময় মাটি খুঁড়ে গ্লাডিওলাসের কন্দ তুলে নিয়ে এর গায়ে জন্মানো ছোট কন্দগুলো আলাদা করে নিতে হবে।
৪. এর কন্দগুলোর গায়ে লেগে থাকা মাটি পরিষ্কার করে নিয়ে কন্দগুলো ছায়াযুক্ত জায়গায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে।
৫. শুকানোর পর কন্দগুলো কিছুটা অন্ধকার শুকানো জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে।
৬. এগুলো সুপ্ত অবস্থা অতিক্রম করে গজানো শুরু করলে নতুন ফুল গাছের জন্য মাটিতে রোপণ করতে হবে.
A field of gladioli

Thursday, May 26, 2011

রাতের রানী নাইট কুইন ।। বিন্দু এনায়েত


রানীর মতো সৌন্দর্য নিয়ে রাতের বেলা যে ফুল ফোটে, সে ফুলের নাম ‘রাতের রানী’ বা নাইট কুইন । রাত বেড়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে কলি থেকে একটি একটি করে পাপড়ি মেলতে থাকে। সে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছড়াতে থাকে মৃদু অথচ মন কেড়ে নেয়া সুগন্ধ। প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ নাইট কুইন ফুলের সুগন্ধ ও সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ব্যাকুল হয়ে প্রতীক্ষা করে।
কোনো এক সময় ছিল যখন সাধারণত ইউরোপের কয়েকটি দেশে এ ফুল দেখা যেত। এখন অবশ্য আমাদের দেশেও নাইট কুইন দেখতে পাওয়া যায়।
নাইট কুইন ফুলের অদ্ভুত একটি বৈশিষ্ট্য হলো এ ফুলের গাছ পাথরকুচি গাছের মতো পাতা থেকে অঙ্কুরিত হয়। একটি পাতা নরম মাটিতে রেখে দিলে ধীরে ধীরে সে পাতা থেকে অঙ্কুর বের হয় এবং পরে তা গাছে পরিণত হয়। একটি পাতা থেকে একাধিক গাছ জন্মাতে পারে।
পাতা থেকে শুধু নাইট কুইন ফুলের গাছই জন্মায় না, ফুলও জন্মায়। প্রথম পাতার যে কোনো দিকে ছোট একটি গুটির মতো বের হয়। এই গুটি আস্তে আস্তে বড় হয়। ১৪ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সেই ফুলের গুটি থেকে কলি রূপান্তরিত হয়। আর কলিপুষ্ট হওয়ার পর রাত যত বাড়তে থাকে তার পাপড়ি তত মেলতে থাকে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গন্ধ ছড়াতে থাকে। আর রাত শেষের দিকে যত এগোতে থাকে এই ফুলের পাপড়ি ততই ম্লান হতে থাকে। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কারণ রাতের রানী দিনের আলো সইতে পারে না। এও আল্লাহতায়ালার এক সুন্দরতম সৃষ্টি রহস্য—এ আমাদের স্বীকার করতেই হবে।
একটি তথ্য জানানো হয়নি, নাইট কুইন ফুল ফোটে বর্ষাকালে।
—বিন্দু এনায়েত
সূত্র : আমার দেশ

Monday, March 7, 2011

Paradise Tree



প্রচলিত অন্যান্য নাম Bead Tree, China Ball Tree, Paradise Tree, Persian Lilac, White Cedar, Japanese Bead Tree, Texas Umbrella Tree, Pride-of-Indiaইত্যাদি।


বাংলাদেশের উত্তর জনপদে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। উপহিমালয়ের প্রজাতি, আছে মিয়ানমার, চীন ও ইরানে, জন্মে ইউরোপ আমেরিকায়ও। ১৮৩০ সালের দিকে অর্নামেন্টাল ট্রি হিসাবে আমেরিকার ক্যারোলিনা ও জর...্জিয়ায় পৌঁছায়। মূলত নিমের সঙ্গে এ অঞ্চলের মানুষের যে আত্মিক যোগ আছে ঘোড়ানিমের সঙ্গে ঠিক সেভাবে নয়। কারণ আমাদের দেশে নিমটাই সহজলভ্য, ঘোড়ানিম মাত্র দুই দশক আগে থেকে লাগানো শুরু হয়েছে। এখানে সাধারণত সুদর্শন পুষ্প বৃ হিসাবেই চাষ। ফুলের সৌন্দর্য নজরকাড়া এবং অনেকটা উপেতিও বটে। ফুল ঝরেপড়ার পর ফলের নান্দনিকতাও আমাদের মোহিত করে।

 
৮ থেকে ১২ মিটার উঁচু পত্রমোচী গাছ, মাথা ছড়ানো। কা-ে লম্বা ফাটা ফাটা দাগ। যৌপত্র, ২-৩ পল, ৩০ থেকে ৪০ সেমি লম্বা, পত্রিকা ৬ সেমি লম্বা। বসন্তে নিষ্পত্র ডালে ১০-২০ সেমি লম্বা ডাঁটায় ছোট ছোট নীলচে বেগুনি বা বেগুনি রঙের সুগন্ধি ফুল ফোটে, পাপড়ি ৫-৬টি, মাঝখানে পুংকেশরের একটি গাঢ়-বেগুনি নল। ফল ডিম্বাকার, ১.৫ সেমি লম্বা, বীজ ৪-৫টি। বংশবৃদ্ধি বীজের মাধ্যমে। ঔষধি গুণসম্পন্ন। এ গাছ থেকে তৈরি নিমতেল তিকর পোকামাকড় দমনে অত্যন্ত কার্যকর। ফল ইন্ডিয়ান গ্রে হর্নবিল পাখির প্রিয় খাবার। কাঠ দারুমূল্যযুক্ত। 
 

Tuesday, February 22, 2011

স্টেভিয়া

চিনি গাছ স্টেভিয়া (Stevia) গাছটির সহজ বাংলা নাম। স্টেভিয়া একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের নাম যেটা ন্যাচারাল সুইটেনার হিসাবে পরিচিত। নামটি এসেছে স্প্যানিশ উদ্ভিদবিদ “পেদ্রো জাইমি এস্টেভ” এর নাম থেকে, যিনি প্রথম এই স্টেভিয়া উদ্ভিদটি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। এই গাছের পাতায় আছে এক ধরণের মিষ্টি গ্লাইকোসাইডস যেটা খাবার চিনি ‘সুক্রোস’ থেকে ৩০ থেকে ...৪৫ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালরির পরিমাণ শুন্য। অর্থাৎ যেখানে আমরা ১গ্রাম সুক্রোস থেকে পেয়ে থাকি ৪ ক্যালরি, সেখানে স্টেভিয়া থেকে প্রাপ্ত ক্যালরি হবে শুন্য। এটাতে ক্যালরি শুন্য তার কারণ হল এটি সুক্রোসের মত
স্টোমাকে ডাইজেস্ট হতে পারে না। এদের গ্লাইকোসাইডটির নাম স্টেভিওসাইডস এবং রিবাউডিওসাইড, এটি অন্যান্য কৃত্রিম সুইটেনার যেমন সাইক্ল্যামেট, স্যকারিন থেকে আলাদা যেগুলো কিনা
সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারক। এখন এই স্টেভিয়া বিভিন্ন স্বল্প ক্যালরি ফুড আইটেম এ ব্যাবহৃত হোয়ে আসছে। বিভিন্ন গ্রোসারি স্টোরে ও এটি পাওয়া যায় স্টেভিয়া/পিওরভিয়া বা অন্য কোন নামে।
স্টেভিয়া সাধারণতঃ ট্রপিকাল এবং সাবট্রপিকাল অঞ্চলের, এটি সূর্যমুখি পরিবার ভুক্ত, স্টেভিয়া জেনাসের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। এটি সাধারণতঃ উত্তর আমেরিকা থেকে দক্ষিন আমেরিকায় জন্মায়। এই হল স্টেভিয়া প্লান্ট এর পরিচিতি অতি সংক্ষিপ্ত আকারে।

গ্লাডিওলাস

গ্লাডিওলাস ফুল ইদানিংকালে
আমাদের দেশে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এর ইংরেজি নাম Sword lily ও
বৈজ্ঞনিক নাম Gladiolus sp. গ্লাডিওলাস ফুল কমবেশি সারাবছরই আমাদের দেশে
উৎপাদন করা হয়। গ্লাডিওলাস ফুল বিভিন্ন রঙ- এর হয়ে থাকে। যেমন-সাদা, হলুদ,
গোলাপী, লাল, ফিকে লাল, বেগুনী ইত্যাদি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ
...করে ঢাকা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা প্রভৃতি অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে এই
ফুলের চাষ করা হচ্ছে। যে কোনো উৎসবে এই ফুলের উপস্থিতি দেখা যায়। টিনা, পুনম, ফ্রেন্ডশিপ,
হোয়াইট ফ্রেন্ডশিপসহ বিভিন্ন প্রজাতির গ্গ্ন্যাডিওলাস ফুল রয়েছে। এই ফুল
চাষ করে আপনিও আয়ের পথ সুগম করতে পারেন।
জমি নির্বাচন ও বপন পদ্ধতি : এই ফুল চাষের জন্য প্রায় সব ধরনের মাটিই
উপযুক্ত। তবে বেলে ও কাদামাটিতে চাষ না করাটাই ভালো। বেশি জৈব পদার্থযুক্ত
মাটিই গ্লাডিওলাস ফুল চাষের জন্য ভালো। যে জমিতে এই ফুল চাষ করা হবে তাতে
যেন পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকে এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। এই
ফুলের চারা সাধারণত কন্দ থেকে তৈরি হয়। কন্দ লাগানোর আগে জমি ভালো করে
তৈরি করে নিতে হবে। কন্দের আকৃতির ওপর সাধারণত নির্ভর করে ফুলের আকার ও
আকৃতি। বিঘাপ্রতি ২ থেকে ৩ টন গোবর সার, ৫০ কেজি সুপার ফসফেট ও ১৫ কেজি
ইউরিয়া সার মিশিয়ে জমি তৈরি করে নিতে হবে। জমি তৈরি হয়ে গেলেই কন্দ রোপণ
করা যায়। সেচ ও আগাছা দমন : কন্দ রোপণের পর সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে সেটা যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয়। আগাছা ভালোমতো পরিষ্কার করাটা জরুরি।

ফুল সংগ্রহ : এগাছ থেকে ফুল ৭০-৯০ দিনের মধ্যেই সংগ্রহ করা যায়। দুপুরে গাছ
থেকে ফুল তোলা যাবে না। ফুল সংগ্রহ করতে হবে সকাল বা বিকেলে।

ফুল বাজারজাতকরণ : ফুলের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে শাহবাগ। এছাড়া দেশের সব
জেলাতেই রয়েছে অসংখ্য ফুলের দোকান। আর এসব দোকানে বর্ণিল গ্গ্ন্যাডিওলাস
ফুলের চাহিদা প্রচুর। এসব দোকানে ফুল সরবরাহ করে আয় করতে পারেন।

বংশবিস্তার

১. বীজ, গুঁড়ি কন্দ ও গুঁড়ি কন্দের গায়ে জন্মানো ছোট ছোট কন্দ থেকে গ্লাডিওলাসের বংশবিস্তার করা যায়।
২. বীজ থেকে তৈরি চারাতে ফুল আসতে অনেক সময় লাগে এবং জাতিগত বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে না। তাই বীজ দিয়ে সাধারণত বংশবিস্তার করা হয় না।
৩. ফুল
দেয়া শেষ হলে গাছ শুকিয়ে যায়। এ সময় মাটি খুঁড়ে গ্লাডিওলাসের কন্দ তুলে
নিয়ে এর গায়ে জন্মানো ছোট কন্দগুলো আলাদা করে নিতে হবে।
৪. এর কন্দগুলোর গায়ে লেগে থাকা মাটি পরিষ্কার করে নিয়ে কন্দগুলো ছায়াযুক্ত জায়গায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে।
৫. শুকানোর পর কন্দগুলো কিছুটা অন্ধকার শুকানো জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে।
৬. এগুলো সুপ্ত অবস্থা অতিক্রম করে গজানো শুরু করলে নতুন ফুল গাছের জন্য মাটিতে রোপণ করতে হবে.

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ