প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label প্রাঞ্জল সেলিম. Show all posts
Showing posts with label প্রাঞ্জল সেলিম. Show all posts

Monday, October 3, 2011

পথে হাঁটার আদব-কায়দা || প্রাঞ্জল সেলিম

আমরা অনেকসময়ই অনেক শিক্ষিত হয়েও আচরণটা করি একেবারে মূর্খের মতো। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি কিছু ম্যানার্স বা আদব-কায়দা জানা জরুরি। কারণ এসবের মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব ও রুচির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। অনেক যোগ্য ও অভিজ্ঞ হওয়া সত্ত্বেও অনেকে এসব ম্যানার্স বা আদাব-কায়দা না জানায় পিছিয়ে পড়ে ক্যারিয়ারের দৌড়ে। পথে হাঁটার আদব-কায়দা নিয়ে রইল কিছু পরামর্শ—
যা করবেন
ওয়ান ওয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হলে যেদিক থেকে গাড়ি আসছে সেদিকে মুখ করে হাঁটুন। সবসময় ফুটপাত ব্যবহার করুন। রাস্তা পার হওয়ার সময় সচেতন থাকুন। এলোমেলোভাবে রাস্তা পার হবেন না। রাস্তা পার হওয়ার সময় ডান দিক, বাঁ দিক ও আবার ডান দিক দেখে রাস্তা পার হোন। ফুট ওভার ব্রিজ বা আন্ডার গ্রাউন্ড পাস থাকলে তা ব্যবহার করুন। ছাতা নিয়ে হাঁটলে যাতে রাস্তা দেখতে পান সেদিকে খেয়াল রাখুন। রাস্তা পার হওয়ার সময় কারও ওপর নির্ভর করবেন না। নিজের দায়িত্ব নিজে নিন। কোনো বাঁকের মুখে সাবধান থাকুন। গাড়ির হর্ন শুনে বুঝে নিন গাড়ি কত দূরে। রাস্তা পার হওয়ার প্রয়োজন হলে অযথা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। কোনো সময় দৌড়ে রাস্তা পার হবেন না। সিগন্যাল দেখে পার হবেন। বয়স্ক কোনো ব্যক্তি রাস্তা পার হতে বা পথে চলতে গিয়ে আপনার সাহায্য চাইলে সাহায্য করুন। জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। অনেক ব্যাগ বা জিনিস নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটলে নিজের জিনিসপত্রের প্রতি সচেতন থাকবেন।
যা করবেন না
রাস্তা পার হওয়ার সময় মুঠোফোনে কথা বলবেন না। চলার সময় পরিচিত কাউকে দেখলে উচ্ছ্বাসে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে যাবেন না। আপনি যদি খুব দ্রুত হাঁটতে অভ্যস্ত হন তাহলে ভিড়ের জায়গায় দ্রুত হাঁটবেন না। গাড়ির সিগন্যাল ছেড়ে দিলে দৌড়ে পার হতে যাবেন না। অফিস টাইমে ছোটদের নিয়ে গাড়ির সিগন্যাল খোলা থাকলে কখনো রাস্তা পার হবেন না। বন্ধুদের সঙ্গে হৈচৈ করে রাস্তা পার হবেন না।
যা ঘটে
লাল আলো জ্বলা থাকলেও ‘ধুর, কিস্সু হবে না’ এই মানসিকতায় এক দৌড়ে রাস্তা পার হওয়া স্বাভাবিক হয়ে গেছে। ওভার ব্রিজ বা আন্ডার গ্রাউন্ড ব্যবস্থা থাকলেও কষ্ট করে রাস্তায় হাঁটা বা পার হওয়া যায় নাকি? তারচেয়ে হেঁটে পার হওয়ায়ই ভালো! বেশির ভাগ লোকের মানসিকতা এরকম। ব্যস্ত রাস্তায় বন্ধুরা মিলে হাঁটছেন। অন্যের গতির সঙ্গে আপনাদের গতি ‘ম্যাচ’ করবেন না। ফলে একটা ধাক্কাধাক্কি চলছেই। ভিড় রাস্তায় আপনার খুব তাড়া। অন্যকে ধাক্কা মেরে, ঠেলা দিয়ে দ্রুত হেঁটে যেতে হবে। অন্যরা ধাক্কা খাচ্ছে তাতে কি! যে রাস্তায় হাঁটতে নিষেধ সেই রাস্তায়, আর ফুটপাত থাকলেও মেইন রোডে হাঁটা একটা সাধারণ ব্যাপার। এতে কোনো ভুল আছে বলে মনেই হয় না। লজেন্স বা চিপস খেয়ে কাগজটা অবলীলায় রাস্তায় ফেললেন। রাস্তা নোংরা হচ্ছে তো হোক না! অনেকেরই অভ্যেস আছে রাস্তায় থুতু ফেলা। দেখতেও খারাপ লাগে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপরোক্ত বিষয়গুলো ঘটে থাকে।
যা করা উচিত 
অনেকে মিলে হাঁটলেও ব্যস্ত রাস্তায় সবসময় সচেতন থাকা উচিত। ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে রাস্তা পার হতে হবে। মনে রাখবেন আপনার পরিবার আপনার জন্য অপেক্ষায় আছে। একটি ভুল সারা জীবনের কান্না হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনি বা আপনারা কয়েকজন গল্পের মুডে থাকতে পারেন। তাই বলে অন্যদের দিকটাও খেয়াল রাখা উচিত।

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ