ফেসবুকে কেউ যদি কোনো ছবি, লেখা বা ভিডিওতে কাউকে ট্যাগ (প্রোফাইলে যোগ করে দেওয়া) করে তাহলে সেই ছবি বা ভিডিওটি যাকে ট্যাগ করা হয়েছে তার নামের পাশে যুক্ত থাকে এবং তার সব বন্ধু সেটি দেখতে পায়। তবে ছবি বা ভিডিওটি যদি আপত্তিকর হয়, তখন বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। তবে আপনি ইচ্ছা করলে খুব সহজেই এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। অর্থাৎ আপনাকে ট্যাগ করা ছবি বা ভিডিওটি আপনি ছাড়া আর কেউ দেখবে না এমন ব্যবস্থা করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে ফেসবুকে ঢুকে পরে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন নিচে থেকে Customize settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পেইজ এলে পেইজের মাঝখানে Photos and videos you’re tagged in-এর ডান পাশে Edit settings-এ ক্লিক করে Who can see photos and videos I’m tagged in-এর ডান পাশে ক্লিক করে Customize নির্বাচন করে Make this visible to বক্সে ক্লিক করে Only Me নির্বাচন করে Save Setting-এ ক্লিক করুন। এখন আপনাকে আপনার কোনো বন্ধু কোনো ছবি বা ভিডিওতে ট্যাগ করলে সেই ট্যাগ করা ছবি বা ভিডিওটি শুধু আপনি দেখতে পাবেন, আপনার অন্য বন্ধুরা সেটি দেখবে না।
Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts
Monday, June 20, 2011
Sunday, December 19, 2010
কিভাবে ডিমো কিংবা ট্রায়াল সফ্টঅয়ারকে সারা জীবন ব্যবহার করবেন!
কিছু সফ্টঅয়ার আছে যেগুলো ফ্রি ব্যবহার করতে দেয় আবার কিছু সফ্টঅয়ার আছে যা ৩০/৯০দিনের জন্য ট্রায়াল হিসেবে দিয়ে থাকে । যখন ৩০/৯০ দিন শেষ হয় তখন সেটি বন্ধ হয়ে হয়ে যায়। সেটি বন্ধ হলে একটা নির্ধারিত টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে ব্যবহার করতে হবে। আপনি ইচ্ছে করলে একটি ছোট্ট সফট দিয়ে ডিমো কিংবা ট্রায়াল সফ্টঅয়ারকে সারা জীবন ব্যবহার করতে পারবেন। সফটটির নাম টাইম স্টপার। টাইম স্টপার আপনাকে সাহায্য করবে ট্রায়াল সফ্ট এর দিন গননা কে বন্ধ করতে যেটা সফ্ট ইন্সটল এর দিন থেকে শুরু হয়েছিল।
এখন আসি সফ্টটা কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ
১ম ধাপঃ সফট টি সেটআপ দিন
২য় ধাপঃ ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন *.exe file যেই সফ্ট এর সময় পেছাতে চান।
৩য় ধাপঃ নতুন একটা ডেট দিন যেটা হবে ট্রায়াল প্রিয়ড এর মধ্যে যেকোন দিন।
৪র্থঃ নতুন জীবন পাওয়া সফ্ট এর আইকন এর নাম দেবার জন্য নাম লিখুন।
৫মঃ এখন থেকে নতুন তৈরী হওয়া আইকন দিয়ে ব্যবহার করতে থাকুন।
ডাউনলোড করুন এখান থেকে
এখন আসি সফ্টটা কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ
১ম ধাপঃ সফট টি সেটআপ দিন
২য় ধাপঃ ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন *.exe file যেই সফ্ট এর সময় পেছাতে চান।
৩য় ধাপঃ নতুন একটা ডেট দিন যেটা হবে ট্রায়াল প্রিয়ড এর মধ্যে যেকোন দিন।
৪র্থঃ নতুন জীবন পাওয়া সফ্ট এর আইকন এর নাম দেবার জন্য নাম লিখুন।
৫মঃ এখন থেকে নতুন তৈরী হওয়া আইকন দিয়ে ব্যবহার করতে থাকুন।
ডাউনলোড করুন এখান থেকে
পরিবেশ বাঁচাতে গ্রীন টেকনোলজি by সাদ আব্দুল ওয়ালী
কী এই গ্রিন টেকনোলজি ?
যে টেকনোলজি বা প্রযুক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে তৈরি ও ব্যবহৃত হয় তাকে বুঝায়। পৃথিবীতে প্রাকৃতিক উৎস ধ্বংস না করে প্রযুক্তি উৎপাদন করার উপায় খোঁজা এর প্রধান লক্ষ্য। গ্রীন টেকনোলজির সুবিধা হলো- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যাবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রীন টেকনোলজি ব্যবহার হতে পারে। যেমন, বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎপাদন হবে। পরিবেশের সহায়ক এমন বিল্ডিং নির্মাণ করা যেতে পারে যা কার্যকর ভূমিকা রাখবে। আরো বিভিন্ন ক্ষেত্র রয়েছে। পরিবেশ বান্ধব এসব প্রযুক্তি নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সামপ্রতিক তৎপরতা লক্ষ্যনীয়।
ওবামা প্রশাসনে গ্রীন টেকনোলজি ব্যবহারে সহযোগিতা
সমপ্রতি ওবামা প্রশাসন গ্রীন টেকনোলজি প্রসারে সহযোগিতা করার উপর জোর দিয়েছে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বায়োফুয়েল প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনটি এজেন্সি যথা ইউএসডিএ, ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি এবং ইপিএ একটি গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে। এতে একটি স্ট্যান্ডার্ড ও লক্ষ্য নির্ধারন করা হবে। এতে বৃহৎ পরিসরে বায়োফুয়েল উৎপাদন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
চীনে পরিবেশ বান্ধব গাড়ী এবং ব্যাটারি
চীন একটি বৃহৎ রাষ্ট্র। সমপ্রতি এদেশে পরিবেশের ব্যাপারে সচেতন হয়ে ওঠছে চীনের একটি গাড়ী এবং ব্যাটারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। এই প্রতিষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের শতকরা ১০ ভাগ শেয়ার রয়েছে, তারা আগামী পাঁচ বৎসর পর্যন্ত চায়না বৃহত্তম সোলার ব্যাটারি প্লান্টে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। শিনজেন নির্ভর বিওয়াইডি পরবর্তী বৎসর ৮ লক্ষ ভেহিকল বা গাড়ী বিক্রি করবে। এই প্লান্টে ৫,০০০ মেগাওয়াট ব্যাটারি উৎপাদন করবে। বিওয়াইডি ২০০৯ সালে সর্বোচ্চ গাড়ী বিক্রি করেছে। তারা আশা করছে এ বৎসর প্রথমার্ধে প্রথম ইলেকট্রিক গাড়ী বিক্রি শুরু করবে।
এরিজোনায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে সোলার প্লান্ট
বিদ্যুৎ উৎপাদনে সোলার প্লান্ট কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক দেশে এ প্রযুক্তির প্রসার ঘটলেও এরিজোনায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটি বৃহৎ সোলার প্লান্ট গড়ে ওঠেছে। এটি প্যারাবোলিক ডিস যা সূর্য হতে ইলেকট্রিসিটি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এই প্রজেক্টে প্রতিটি ডিস হতে ২৫ কিলোওয়াট এবং মোট ১.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। এতে স্টাইরলিং এনার্জি সিস্টেম টেকনোলজি কাজ করবে। সোলার পাওয়ার ডেভেলপার টেসেরা সোলার এরিজোনায় এজন্যে কাজ করে যাচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়া এবং টেক্সাসে টেসেরা সোলার ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে।
হাইতিতে সোলার প্লান্ট
হাইতিতে সোলার পাওয়ার ইকুইপমেন্ট ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে লাইট জ্বালানো, পানি উত্তোলনে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর দেশটিতে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া পানির তো রয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা এ ব্যাপারে এগিয়ে এসেছে। ক্ষুদ্র আকৃতির সোলার প্যানেল দ্বারা লেড ল্যাম্প জ্বলবে। সোল প্রতিষ্ঠান এ কাজে নিয়োজিত রয়েছে। সোলার প্যানেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সোলার ওয়ার্ল্ড সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ওয়াটার পাম্প স্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে। এখানে মোবাইল ফোনে সোলার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। এতে বিল্ট ইন সোলার প্যানেল দ্বারা মোবাইল ফোনে চার্জ হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে|
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
সেলফোন, ল্যাপটপ কম্পিউটার এবং বিভিন্ন পাওয়ার টুলে লিথিয়াম আয়োন ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। এই ব্যাটারি সমূহ হবে ক্ষুদ্রাকৃতির এবং হালকা। এতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১০ সালের একটি উল্লেখ করার মতো প্রযুক্তি এটি। এটি ওভারচার্জিং, শর্ট সার্কিট এবং অতিরিক্ত হিট ক্ষতির সম্মুখীন হবে না। এ ধরনের ব্যাটারি বাজারে আসার ফলে অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয় ঘটবে। এটি একটি পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি।
অ্যাপল আই গেজেটে বিল্ট ইন সোলার প্যানেল
এবার ইন্টিগ্রেটেড সোলার সেল ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক ডিভাইসে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে অ্যাপল কর্পোরেশন। অ্যাপল আই গেজেটে ইন্টিগ্রেটেড সোলার সেল থাকছে। অর্থাৎ সোলার সেল হতে ডিভাইসে বিদ্যুৎ যাবে।
এ প্রযুক্তি নিয়ে বিট গেটস্ এর ভাবনা
বিল গেটস এনার্জি বা জ্বালানি শক্তি এবং আবহাওয়ার নিয়ে যথেষ্ট চিন্তা-ভাবনা করছেন। এ লক্ষ্যে বিল এবং মেলিন্ডা গেটস্ ফাউন্ডেশন কাজ শুরু করেছে। বিল গেটসের মতে, বিশ্বে কম খরচে বিদ্যুৎ শক্তি প্রয়োজন বিশেষ করে দরিদ্র লোকদের জন্যে। তিনি একটি বায়ো ফুয়েল কোম্পানী সেফায়ার এনার্জি গড়ে তুলছেন। এটি কার্বনকে সীমিত পর্যায়ে নিয়ে আসতে সচেষ্ট থাকবে।
বিশ্বে পরিবেশের বিপর্যয় রোধে গ্রিন টেকনোলজি বা প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে এবং এই প্রযুক্তি প্রসারে অনেক প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের দেশ এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশে বিদ্যুৎ নিয়ে ভোগান্তির যেনো শেষ নেই। এর সঙ্গে আরো একটি নতুন সমস্যা গ্যাস সংকট। এই বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে আমরা বড় ধরনের সোলার প্লান্ট ব্যবহার করতে পারি। একদিকে এটি যেমন পরিবেশ বান্ধব তেমনি সাশ্রয়ী হবে বড় সোলার প্লান্ট নির্মাণে। আবার গ্যাস বা জ্বালানি সমস্যার সমাধানে বায়ো প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারি ক্ষুদ্র ও মাঝারি পরিসরে। একমাত্র গ্রিন টেকনোলজিই পারে পরিবেশকে নিরাপদ রাখতে ।
Saturday, December 11, 2010
ইন্টেলের কোর আই সেভেন প্রসেসরঃ অজানা যত কথা : সৌজন্য- হ্নীলার বাঁধন
ইন্টেল কোর আই-সেভেন
কোর আই-সেভেন ইন্টেলের এক্স৮৬-৬৪ ঘরনার তৃতীয় ডেস্কটপ প্রসেসর। প্রথমটি ছিল ইন্টেল নেহালেম মাইক্রোআর্কিটেকচার প্রযুক্তি ব্যবহার করা ইন্টেল কোর ২ সিরিজের প্রসেসর। মূলত কোয়াড কোর প্রসেসর বের করবার পর ব্লুমফিল্ড কোডনেম ধারণ করে কোর আই-সেভেনের কাজ এগিয়ে যায়। ২০০৪ সাল থেকে এই প্রকল্প শুরু হয় এবং ১২০০ প্রকৌশলী ও ডিজাইনার এখানে কাজ করেছেন। যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের কথা হচ্ছে এই প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপে ১০-১৫ জন বাংলাদেশী প্রকৌশলীও কাজ করেছেন এখানে। বিশ্বের প্রথম কোর আই-সেভেনটি আলোর মুখ দেখে ইন্টেলের কোস্টারিকা কারখানায়। এরপর ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর এটি প্রথম বাজারে আসে। বর্তমানে ইন্টেলের এরিজোনা, নিউ মেক্সিকো এবং ওরিগন কারখানায় এই কোর আই-সেভেন উৎপাদিত হচ্ছে।
কোর আই-সেভেন ইন্টেলের এক্স৮৬-৬৪ ঘরনার তৃতীয় ডেস্কটপ প্রসেসর। প্রথমটি ছিল ইন্টেল নেহালেম মাইক্রোআর্কিটেকচার প্রযুক্তি ব্যবহার করা ইন্টেল কোর ২ সিরিজের প্রসেসর। মূলত কোয়াড কোর প্রসেসর বের করবার পর ব্লুমফিল্ড কোডনেম ধারণ করে কোর আই-সেভেনের কাজ এগিয়ে যায়। ২০০৪ সাল থেকে এই প্রকল্প শুরু হয় এবং ১২০০ প্রকৌশলী ও ডিজাইনার এখানে কাজ করেছেন। যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের কথা হচ্ছে এই প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপে ১০-১৫ জন বাংলাদেশী প্রকৌশলীও কাজ করেছেন এখানে। বিশ্বের প্রথম কোর আই-সেভেনটি আলোর মুখ দেখে ইন্টেলের কোস্টারিকা কারখানায়। এরপর ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর এটি প্রথম বাজারে আসে। বর্তমানে ইন্টেলের এরিজোনা, নিউ মেক্সিকো এবং ওরিগন কারখানায় এই কোর আই-সেভেন উৎপাদিত হচ্ছে।
কোর আই-সেভেনের প্রধান ফিচারসমূহ
এই কথা বলাই বাহুল্য যে, এ পর্যন্ত বিশ্বে যতগুলো প্রসেসর তৈরি করা হয়েছে তার মধ্যে কোর আই-সেভেন সবচেয়ে জটিল উন্নত ডিজাইনের অধিকারী। আর এর নেহালেম আর্কিটেকচারের রয়েছে সম্পূর্ণ নতুন বেশ কিছু ফিচার, যা কোর আই সেভেনকে দিয়েছে স্বকীয়তা। এটি অতিরিক্ত কোনো বিদ্যুৎ খরচ ছাড়াই ৪০ শতাংশ দ্রুতগতিতে ভিডিও এডিটিং, মাল্টিমিডিয়া, হাই-এন্ড গেমিং-এর মতো হাই পারফরম্যান্স কাজ সামাল দিতে সক্ষম। নিচে এক নজারে কোর আই-সেভেনের মূল ফিচারগুলো তুলে ধরা হলো-
>> সম্পূর্ণ নতুন এলজিএ ১৩৬৬ সকেট। আগের কোয়াড কোর পর্যন্ত প্রসেসরগুলোতে এলজিএ ৭৭৫ সকেট ব্যবহৃত হতো।
>> একটিমাত্র সিলিকন চীপের ভেতরেই পূর্ণাঙ্গ চারটি প্রসেসর কোর-এর জটিল এক সমন্বয়।
>> এই প্রথম হাইপার থ্রেডিং টেকনোলজি ব্যবহার করে একত্রে আটটি কম্পিউটিং থ্রেড সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। আগের পেন্টিয়াম সিরিজের প্রসেসরে এই টেকনোলজি ব্যবহৃত হলেও ডুয়েল কোর থেকে এই ফিচার বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছিল। তাই কোর আই-সেভেনে চারটি কোর থাকলেও আপনার অপারেটিং সিস্টেম আটটি পৃথক কোর সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
>> টারবো বুষ্ট টেকনোলজি ব্যবহার করে অধিক সংখ্যক কাজ কোর আই-সেভেন প্রসেসর অপেক্ষাকৃত কম বিদ্যুৎ খরচ করেই করতে সমর্থ হবে। আর প্রসেসর-এর তাপমাত্রা যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে তাও নিশ্চিত করা হয়েছে এর মাধ্যমে।
>> আগের যে কোনো প্রসেসরের চেয়ে এর মেমোরি ব্যান্ডউইডথ দ্বিগুণ। এই কাজটি করা হয়েছে আগের ফ্রন্ট সাইড বাস টেকনোলজির নতুন সংস্করণ কুইকপাথ টেকনোলজি ব্যবহার করে।
>> অন ডাই মেমোরি কন্ট্রোলার : প্রতিটি চ্যানেল একটি বা দুটি পর্যন্ত ডিডিআর৩ ডিআইএমএম (র্যাম) সাপোর্ট করতে সক্ষম। প্রচলিত মাদারবোর্ডে যেখানে সর্বোচ্চ চারটি র্যাম স্লট থাকে সেখানে কোর আই-সেভেন সাপোর্টেড মাদারবোর্ডে থাকবে ছয়টি পর্যন্ত র্যাম স্লট। কোর আই-সেভেন প্রসেসর এই পুরো মেমোরির সদ্বব্যবহার করতে সক্ষম। তবে কোর আই-সেভেন প্রসেসর পূর্ববর্তী ডিডিআর২ র্যাম সাপোর্ট করে না।
>> ৩২ কিলোবাইট লেভেল১ ইন্সট্রাকশন বেং ৩২ কিলোবাইট এল১ ডাটা ক্যাশ, প্রতিটি কোরের জন্য।
>> ২৫৬ কিলোবাইট লেভেল২ ক্যাশ, প্রতিটি কোরের জন্য
>> ৮ মেগাবাইট লেভেল৩ ক্যাশ, সবগুলো কোরের জন্য।
>> সিঙ্গেল ডাই ডিভাইস : চারটি কোর, মেমোরি কন্ট্রোলার ও সব ক্যাশ একটি সিঙ্গেল ডাই-এর মধ্যেই অবস্থিত।
>> ৪৫ ন্যানোমিটার টেকনোলজি।
>> প্রতিটি প্রসেসিং কোরে রয়েছে ৭৩১ মিলিয়ন ট্রান্সজিস্টর। আর কোর আই-সেভেনে রয়েছে এরকম চারটি প্রসেসিং কোর বা ইউনিট। অর্থাৎ প্রতি ক্লক সাইকেলে এটি ২.৬৬ থেকে ৩.৩৩ এর চার গুণিতক ক্যালকুলেশন করতে সক্ষম। এর সার্ফেস এরিয়া আগের যে কোনো মডেলের প্রসেসরের চেয়ে বেশি, ২৬৩ মিলিমিটার২, যেখানে আগে ছিল ২১৪ মিলিমিটার২।
>> এর রয়েছে অত্যাধুনিক পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যার ফলে যখন সিস্টেম কম কাজ করবে তখন প্রয়োজনীয় কোরটি ছাড়া প্রসেসরের বাদবাকী অংশ কোনো বিদ্যুৎ খরচ করবে না
কোর আই-সেভেনের বিভিন্ন মডেল:
ইতোমধ্যেই ইন্টেল বের করে ফেলেছে দুই ধরনের কোর আই-সেভেন প্রসেসর। এগুলো হচ্ছে-
১. কোর আই-সেভেন
২. কোর আই-সেভেন এক্সট্রিম এডিশন
যেভাবে কাজ করে কোর আই-সেভেনএই কথা বলাই বাহুল্য যে, এ পর্যন্ত বিশ্বে যতগুলো প্রসেসর তৈরি করা হয়েছে তার মধ্যে কোর আই-সেভেন সবচেয়ে জটিল উন্নত ডিজাইনের অধিকারী। আর এর নেহালেম আর্কিটেকচারের রয়েছে সম্পূর্ণ নতুন বেশ কিছু ফিচার, যা কোর আই সেভেনকে দিয়েছে স্বকীয়তা। এটি অতিরিক্ত কোনো বিদ্যুৎ খরচ ছাড়াই ৪০ শতাংশ দ্রুতগতিতে ভিডিও এডিটিং, মাল্টিমিডিয়া, হাই-এন্ড গেমিং-এর মতো হাই পারফরম্যান্স কাজ সামাল দিতে সক্ষম। নিচে এক নজারে কোর আই-সেভেনের মূল ফিচারগুলো তুলে ধরা হলো-
>> সম্পূর্ণ নতুন এলজিএ ১৩৬৬ সকেট। আগের কোয়াড কোর পর্যন্ত প্রসেসরগুলোতে এলজিএ ৭৭৫ সকেট ব্যবহৃত হতো।
>> একটিমাত্র সিলিকন চীপের ভেতরেই পূর্ণাঙ্গ চারটি প্রসেসর কোর-এর জটিল এক সমন্বয়।
>> এই প্রথম হাইপার থ্রেডিং টেকনোলজি ব্যবহার করে একত্রে আটটি কম্পিউটিং থ্রেড সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। আগের পেন্টিয়াম সিরিজের প্রসেসরে এই টেকনোলজি ব্যবহৃত হলেও ডুয়েল কোর থেকে এই ফিচার বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছিল। তাই কোর আই-সেভেনে চারটি কোর থাকলেও আপনার অপারেটিং সিস্টেম আটটি পৃথক কোর সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
>> টারবো বুষ্ট টেকনোলজি ব্যবহার করে অধিক সংখ্যক কাজ কোর আই-সেভেন প্রসেসর অপেক্ষাকৃত কম বিদ্যুৎ খরচ করেই করতে সমর্থ হবে। আর প্রসেসর-এর তাপমাত্রা যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে তাও নিশ্চিত করা হয়েছে এর মাধ্যমে।
>> আগের যে কোনো প্রসেসরের চেয়ে এর মেমোরি ব্যান্ডউইডথ দ্বিগুণ। এই কাজটি করা হয়েছে আগের ফ্রন্ট সাইড বাস টেকনোলজির নতুন সংস্করণ কুইকপাথ টেকনোলজি ব্যবহার করে।
>> অন ডাই মেমোরি কন্ট্রোলার : প্রতিটি চ্যানেল একটি বা দুটি পর্যন্ত ডিডিআর৩ ডিআইএমএম (র্যাম) সাপোর্ট করতে সক্ষম। প্রচলিত মাদারবোর্ডে যেখানে সর্বোচ্চ চারটি র্যাম স্লট থাকে সেখানে কোর আই-সেভেন সাপোর্টেড মাদারবোর্ডে থাকবে ছয়টি পর্যন্ত র্যাম স্লট। কোর আই-সেভেন প্রসেসর এই পুরো মেমোরির সদ্বব্যবহার করতে সক্ষম। তবে কোর আই-সেভেন প্রসেসর পূর্ববর্তী ডিডিআর২ র্যাম সাপোর্ট করে না।
>> ৩২ কিলোবাইট লেভেল১ ইন্সট্রাকশন বেং ৩২ কিলোবাইট এল১ ডাটা ক্যাশ, প্রতিটি কোরের জন্য।
>> ২৫৬ কিলোবাইট লেভেল২ ক্যাশ, প্রতিটি কোরের জন্য
>> ৮ মেগাবাইট লেভেল৩ ক্যাশ, সবগুলো কোরের জন্য।
>> সিঙ্গেল ডাই ডিভাইস : চারটি কোর, মেমোরি কন্ট্রোলার ও সব ক্যাশ একটি সিঙ্গেল ডাই-এর মধ্যেই অবস্থিত।
>> ৪৫ ন্যানোমিটার টেকনোলজি।
>> প্রতিটি প্রসেসিং কোরে রয়েছে ৭৩১ মিলিয়ন ট্রান্সজিস্টর। আর কোর আই-সেভেনে রয়েছে এরকম চারটি প্রসেসিং কোর বা ইউনিট। অর্থাৎ প্রতি ক্লক সাইকেলে এটি ২.৬৬ থেকে ৩.৩৩ এর চার গুণিতক ক্যালকুলেশন করতে সক্ষম। এর সার্ফেস এরিয়া আগের যে কোনো মডেলের প্রসেসরের চেয়ে বেশি, ২৬৩ মিলিমিটার২, যেখানে আগে ছিল ২১৪ মিলিমিটার২।
>> এর রয়েছে অত্যাধুনিক পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যার ফলে যখন সিস্টেম কম কাজ করবে তখন প্রয়োজনীয় কোরটি ছাড়া প্রসেসরের বাদবাকী অংশ কোনো বিদ্যুৎ খরচ করবে না
কোর আই-সেভেনের বিভিন্ন মডেল:
ইতোমধ্যেই ইন্টেল বের করে ফেলেছে দুই ধরনের কোর আই-সেভেন প্রসেসর। এগুলো হচ্ছে-
১. কোর আই-সেভেন
২. কোর আই-সেভেন এক্সট্রিম এডিশন
সাধারণত আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেই কীবোর্ড বা মাউস দিয়ে। এই ডিভাইসগুলোর জন্য সি++ প্রোগ্রামিং ভাষায় তৈরি সাংকেতিক নির্দেশনার সারি আগে থেকেই কম্পিউটারের মেমোরিতে দেয়া থাকে। যখন আপনি কোনো কী প্রেস করেন তখনি কোর আই-সেভেনে প্রতিটি সংকেতকে আলাদা আলাদা ইন্সট্রাকশন কোডে রূপান্তর করতে থাকে। এরপর এই ইন্সট্রাকশনগুলো প্রসেসিং এর পর আরেকটি ইনপুট আউটপুট চ্যানেলের মাধ্যমে আমরা মনিটরে দেখতে পাই। যখন আমরা সাধারণ টাইপ করি বা গান শুনি তখন প্রসেসরে এই ইন্সট্রাকশনের সংখ্যা তেমন বেশি না হলেও যখন আমরা থ্রিডি গেম খেলি বা মাল্টিমিডিয়ার কাজ করি তখন একইসাথে অনেকগুলো ডাটা নিয়ে কাজ করতে হয় প্রসেসরকে। আর তখনি প্রয়োজন হয় গতির। প্রসেসর একই সাথে যত বেশি ক্যালকুলেশন করতে পারে তত দ্রুত কাজ সমাধা হবে। আবার এই কাজের রেজাল্ট পাবার জন্য ডাটা আদান প্রদান হতেও বেশি দ্রুতগতিতে, অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে। নাহলে পুরো সুফল পাবেন না আপনি ।
কোর আই-সেভেনে এই সবগুলো ব্যাপার মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় ডিজাইন করা হয়েছে যাতে দরকারি মুহূর্তে আপনার পিসি স্লো না হয়ে পড়ে। ফলে প্রফেশনালরা নির্দ্বিধায় তাদের কাজের জন্য ব্যবহার করতে পারেন এই সর্বাধুনিক কোর আই-সেভেন।কোর আই-সেভেনে এই সবগুলো ব্যাপার মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় ডিজাইন করা হয়েছে যাতে দরকারি মুহূর্তে আপনার পিসি স্লো না হয়ে পড়ে। ফলে প্রফেশনালরা নির্দ্বিধায় তাদের কাজের জন্য ব্যবহার করতে পারেন এই সর্বাধুনিক কোর আই-সেভেন
Subscribe to:
Posts (Atom)