প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label মোহসেনা জয়া. Show all posts
Showing posts with label মোহসেনা জয়া. Show all posts

Thursday, July 26, 2012

আয় বৃষ্টি... | মোহসেনা জয়া

 বৃষ্টি দেখলেই তোমাদের তা ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করে। ভিজতে ইচ্ছে করে। আসলে শুধু তোমাদেরই নয়; বড়দেরও তা করে। কিন্তু বড় বলে তারা তোমাদের কাছে মনের এই ইচ্ছেটার কথা বলতে চান না। বললে তাদের সঙ্গে যদি তোমরাও বৃষ্টিতে ভেজার বায়না ধরো! তা বলছিলাম কি, তারা কিন্তু তোমাদের ভালোর জন্যই বৃষ্টিতে যখন-তখন ভিজতে দিতে চান না। তোমরাও বৃষ্টি দেখলেই তাতে নেমে পড়ো না। বড়দের কথা মাথায় রেখো। তাদের বলো যে, তুমি বৃষ্টিতে ভিজতে চাও। বড়দের অনুমতি নিয়েই বৃষ্টিতে ভেজো।
বৃষ্টিদিনে তো পথেঘাটে পানি জমে থাকে। দেখো, এই পানিতে হুটহাট করে নেমে পড়ো না। অনেক রোগের জীবাণু কিলবিল করে এসব পানিতে।
বাইরে বের হওয়ার সময় মনে করে ছাতাটা নিয়ে বেরোবে। বড়দের মনে না থাকলে তুমিই মনে করিয়ে দাও। আর রেইনকোট থাকলে তা পরে বের হলে তো বৃষ্টি তোমার সঙ্গে বাহাদুরি করে কূল পাবে না।
আর একটু কাশি বা জ্বর হলেই ডাক্তারের কাছে যেও। দেখো আবার, জ্বর-সর্দি নিয়ে ঘরে বসে থেকো না।
গ্রামের বন্ধুরা, বৃষ্টিদিনে নদী খালে না নামাই ভালো। কারণ এ সময় নদী আর খালের পানিতে স্রোত থাকে। যে কোনো বিপদ ঘটে যেতে পারে কিন্তু।
বৃষ্টির সঙ্গে যদি ঝড় থাকে কিংবা বজ্রপাত হয়, তাহলে সেই বৃষ্টিতে ভিজতে যেও না।
ভেজা পথে হাঁটার সময় সাবধান থেকো, যেনো পড়ে না যাও।
আর বড়দের কথা মেনে চলো। তবে যারা এখনও বৃষ্টিতে ভেজোনি; তারা জলদি করে ভিজে নাও। বর্ষা কিন্তু আর বেশিদিন থাকবে না। 
সূত্র : সমকাল

Saturday, October 15, 2011

গাধার দাম লাখ টাকা || মোহসেনা জয়া

বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া করে রাস্তায় হাঁটছেন এক ভদ্রলোক। হাঁটতে হাঁটতে একটা আবাসিক এলাকায় ঢুকলেন। শরীরে ক্লান্তিবোধ নেমে আসায় বসলেন চায়ের দোকানে। চা নিয়ে চুমুক দিতেই হৈহল্লা শুনতে পেলেন। খরগোশের মতো কান খাড়া করে কিছু বুঝতে চেষ্টা করলেন। কিন্তু না। তিনি তো মানুষ! খরগোশ হলে হয়তো বুঝতে পারতেন কিছু একটা। কোনো কথা না বলে তিনি চায়ে মন দিলেন। চুপচাপ খেয়ে গেলেন চা। আস্তে আস্তে তার মনে কৌতূহলের ইঞ্জিন গরম হতে লাগল। উঠে দাড়িয়ে সরগোলের স্থানটার দিকে উঁকিঝুঁকি দিলেন। কিছু বুঝতে পারলেন না। তারপর দোকানিকে জিজ্ঞেস করলেন,'ভাই, কী হয়েছে ওখানে?' দোকানি তেমন আগ্রহ না দেখিয়ে কাজ করতে করতে বললেন, 'বাড়ির গৃহকত্রী মারা গেছে তাই এতো লোক ভিড় জমিয়েছে।' 'তা ভাই মহিলা বুঝি অনেক বিখ্যাত কেউ?' 'না' দোকানির উত্তর। 'তাহলে অনেক ভালোমানুষ ছিলেন?' আবারও শুধায় লোকটা। 'না তাও ছিল না।' দোকানির ফের জবাব। 'তো এতো মানুষ কেন ভিড় করছে এখানে?' 'ভাই, যারা ভীড় করছে এখানে এরা সবাই বিবাহিত আর তারা কেউ মহিলাটাকে দেখতে আসেনি। এসেছে যে গাধাটার লাথি খেয়ে বাড়ির গৃহকত্রী মারা গেছে সেই গাধাটা কিনতে।' দোকানির টাকা মিটিয়ে লোকটাও সেদিকে হাঁটা ধরলেন।

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ