প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label মঈনুল হোসেন. Show all posts
Showing posts with label মঈনুল হোসেন. Show all posts

Thursday, December 16, 2010

আবারো স্বপ্ন দেখি একটা নতুন "৭১" এর বাংলাদেশ" by মঈনুল হোসেন

"৭১" আমি যুদ্ধ দেখিনি,আমি বিজয় দেখিনি
কিন্তু আমার বাবার মুখে পাক সেনাদের
বর্বরতার পাশবিকতার কথায় শিউরে উঠতো
আমার শরীরের লোমকুপ গুলো।
স্যালুট দিতাম শহীদদের ছোট বেলা হতেই, যখন
বুঝতে শিখেছি, অনূভব করতে শিখেছি।
দিন- দিন কেন যেন ভুলে যেতে বসেছি "৭১" এর
সেদিন গুলোকে,১৬ই ডিসেম্বরকে ।
আগে যেভাবে প্রতি বছর "১৬ই ডিসেম্বরে বিজয়ের
সুর ভেসে উঠতো, চারিদিকে মাইকের আওয়াজ
ভেসে আসতো- "জয় বাংলা বাংলার জয়", শুনে
শরীরের রক্ত তেজদ্বীপ্ত হতো, এখন আর হয়না অতটা।
কালের শ্রোতে হারিয়ে যেতে চাচ্ছে স্বাধীনতার সে
সুর, সে আনন্দ, সে বিজয়ের চিরচেনা গান।
তাই আমার আবার ও '৭১' এর মতো গর্জে উঠতে
ইচ্ছা করে, মুক্তিযোদ্ধা হতে ইচ্ছা করে, সুখী সমৃদ্ধ
শান্তিময় একটা বাংলাদেশের প্রত্যাশা করা
কি আমার অন্যায়? লাখো মানুষ কি জীবন
দিয়েছিল এমন বাংলাদেশের প্রত্যাশায়?
আমি জানিনা,জানতে চেয়েও কোন উত্তর কাহারো
কাছে থেকে পাবনা।
আবারো ১৬ই ডিসেম্বর এসেছে, বিজয়ের দিনে
আবারো স্বপ্ন দেখি একটা নতুন "৭১" এর বাংলাদেশ।

Monday, December 13, 2010

কিভাবে রিকশা ভাড়া করবেন by মঈনুল হোসেন

রিকশা কি ?
সংজ্ঞা : এটা মূলত এটা তিন চাক্কার এক বাহন , খুবই আস্তে চলে , গায়ে প্রচুর বাতাস লাগে ।

রিকশা ভাড়া করার টিপস :-

রিকশা ভাড়া করা খুবই কঠিন ব্যাপার । একটা রিকশা ভাড়া করার জন্য আপনাকে কতগুলো বিষয় এর উপর তীক্ষ্ণ নজর দিতে হবে।
১. আপনি কোথায় যাবেন ?
২. রিকশায় উঠার সময়।
৩. পরিবেশ ভেদে রিকশার সহজলভ্যতা ।
৪. রিকশা চড়ার জন্য আপনার মত উ‍‍‌‌ৎসুক লোকের সংখ্যা।

এখন ধরেন উপরোক্ত বিষয়গুলো আপনি বিবেচনা করে ভাড়া নির্ধারণ করলেন ২০ টাকা । এখন আপনি কিভাবে এই ভাড়া রিকশায় চড়বেন , তার টিপস ।

হার হার ভান পদ্ধতি :
এই পদ্ধতিতে আপনি রিকশাওয়ালার কাছে হারার ভান করবেন । দেখবেন রিকশাওয়ালা খুসি হবে এবং ২০০ মাইল স্পিডে রিকশা টানবে ।উপায় – আপনার নির্ধারিত ভাড়া বিশ । আপনি রিকশা ওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন কত যাবা , উত্তর আসল ২৫ বা ৩০ । এখন আপনি বলেন , মাথা খারাপ , ১৫ যাবা । তখন রিকশা ওয়ালা বলবে – “না” । এবার আপনি অফার করবেন - ২০, দেখবেন খুসি মনে রিকশাওয়ালা মেনে নিবে। (তবে রিকশাওয়ালা ট্যারা মার্কা হলে ১০০% ফেইল )

বদদোয়া পদ্ধতি :
এটা প্রতারণার সামিল।আপনি রিকশা ওয়ালা বললেন যাবা , সে বলল “না , যাব না” । এবার বদদোয়া দেন “আমি বদদোয়া দিলাম আর একটা ভাড়াও তুমি আজকে পাবা না” । আমি মাঝখানে মজার করার জন্য এ পদ্ধতি ব্যবহার করতাম । অবাক হয়ে লক্ষ করতাম রাজি হয়ে যাচ্ছে ।কিন্তু মনটা তাদের খারাপ হত। বন্ধুরা হাসতে হাসতে শেষ । তার পর বুঝলাম কারো রি‍জীক নিয়ে খেলা করা উচিত না ।


বিরক্ত বিরক্ত বিরক্ত পদ্ধতি :
এই পদ্ধতি যখন খুব কম রিকশা থাকে তখন কাজ দেয়। একটা রিকশা টার্গেট করবেন । এবং প্রতি ২৫ সে: অন্তর অন্তর তাকে যেতে অনুরোধ করবেন । হয় ওই রিকশাওয়ালা যাবে নয়তো পালাবে।

সাম্য অবস্থা :
এই পদ্ধতিতে আপনি এমন কিছু বলবেন যাতে , এ কথা প্রকাশ পায় যে , যে ভাড়া টা দিচ্ছেন সেটা উপযুক্ত । আমার প্রিয় লাইন “এইটা আপনার জন্যও কম না , আমার জন্য বেশি না , এর বেশি হলে আমি যাব না”। রিকশাওয়ালা কখনও যদি রাজনীতি না করে থাকে তাহলে অবশ্যই যাবে ।


অবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : রিকশাওয়ালা জাত ট্যারা হলে হন্টনই উত্তম ।

অপদেশ : রিকশাতে চড়ার সময় যখন একটু উচু জায়গা আসে তখন যাত্রীর নেমে যাওয়া উচিত ।



এর পরেও যদি রিকশা ঠিক করতে না পারেন ।‍(তিন হাত লম্বা দীর্ঘ নিশ্বাস ) আমার মত রিকশাওয়ালার ভাড়াটাই মেনে নেন ।

যেসব কাজ কখনই করবেন না by মঈনুল হোসেন

মরা সবাই প্রতিদিন অনেক কাজ করে থাকি নিজের প্রয়োজনে অথবা অন্যের প্রয়োজনে । কাজ করতেই হয় সেটা চাইলেও বা না চাইলেও । এসব কাজ এর ভিড়ে কিছু কাজ আছে যেটা করা সাধারনত উচিত না । আমরা জেনে হোক বা না বুঝে হোক সেসব কাজ করে ফেলি । কিন্তু কোন এক সময় পর সেটা নিয়ে আমরা ঠিকই অনুশোচনা করতে থাকি । তাহলে আসুন জেনে নেই কি কি কাজ করা আমাদের উচিত না কখনই ।
• কখন কাউকে ছোট / অপমান করবেন না । হয়ত এমন এক সময় আসবে যখন আপনি নিজেই
অপমানিত হবেন তার কাছেই ।

• নিজের ছেলে মেয়েদের সাথে সব সময় হাসি খুশি আচরণ করুন । তাদের নন্ধু হতে চেষ্টা করুন । আর তা না করলে তারা বিগড়ে যেতে পারে ।

• ছোট থাকতেই আপনার সন্তানকে মোবাইল হাতে ধরিয়ে দিবেন না ।

• কখনও বাচ্চাদের সামনে আপনার স্ত্রী / স্বামী এর সাথে ঝগড়া করবেন না । এতে তাদের
উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে ।

• বাবা আর মা জীবিত অবস্থায় তাদেরকে দূরে ঠেলে দিবেন না । পারলে নিজের কাছে রাখুন । একসময় তার ফল পাবেন ।

• মা আর বাবার অমতে কখন কোন কাজ করবেন না । এটা করলে পরে দেখবেন কোন কাজ ঠিক মত হচ্ছে না ।

• তাদেরকে না জানিয়ে কখনই পালিয়ে বিয়ে করার চিন্তা করবেন না । এতে তারা অনেক কষ্ট পান । তাদের সাথে এই বিষয় নিয়ে আলাপ করুন । তাদের কাছ থেকে সময় নিন ।

• তাদের কে কখন হেয় করবেন না ।

• বিয়ের পর বাবা আর মায়ের সাথে না থাকাটাই ভাল । তবে তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন । দূরে থাকলেও তখন অনেক বেশি শ্রদ্ধা হবে আপনার তাদের প্রতি ।

• নিজের বউ এর কথা শুনে বাবা আর মায়ের প্রতি খারাপ আচরণ করবেন না । মনে রাখবেন
পৃথিবীতে একমাত্র বাবা আর মা ছাড়া আপন কেউ নাই । তারাই আপনার বিপদে বন্ধু হয়ে পাশে
থাকবেন ।

• কখনও অন্যের কোনকিছুতেই নাক গলাতে যাবেন না । যেখানে আপনার দরকার নাই সেখানে জ়েয়ে অযথা নিজের পান্ডিত্ত জাহির করবেন না ।

• বিয়ের আগে কখনও শারীরিক মেলামেশা করতে যাবেন না কারো সাথে । একটু কষ্ট করুন । বিয়ের পর সব পাবেন এই ধারণা রাখুন ।

• ইভ টিজিং এর মত বাজে কাজ করতে যাবেন না । এতে আপনার সুনাম বাড়বে না বরং আপনি
অপমানিত হবেন ।

• শুধু প্রেম ভালবাসার নাটক করে অন্যের সাথে শারীরিক মেলামেশা করবেন না । এতে যে কারও জীবন নষ্ট হয়ে যেতে পারে । অনেকে আছে শুধু মজা করার জন্যই এই কাজ করে থাকেন ।

• মিথ্যা কথা বলবেন না বিশেষ করে বাবা আর মায়ের সাথে ।

• আত্তহত্যার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে বিদায় করুন । সুস্থ ভাবে বসে ঠান্ডা মাথায় সবকিছু বুঝার
চেষ্টা করুন । কারণ আত্তহত্যা কোন সমাধান নয় ।

• কোন মানুষের কখনও ক্ষতি করতে যাবেন না । পরে নিজেই পস্তাবেন ।

• বিয়ে করা নিয়ে প্রেমিকারা খুব বেশি চাপ এ রাখেন প্রেমিকদের । তাদেরকেই বলছি । দয়া করে
চাপ দিবেন না তাদের । এতে হিতে বিপরীত হয়ার চান্স থাকে ।

• ছেলেদের কখনই পড়াশুনা শেষ করেই / না করেই বিয়ে করা উচিত না । প্রথম প্রথম ভাল
লাগলেও সময় যত গড়াতে থাকতে ততই পারিবারিক অশান্তি বাড়বে ।

• কখনও নিজের মনের একান্ত কোন কথা যা আপনি নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন স্বজত্নে এমন কোন কথা কাউকে বলতে যাবেন না । এমন কি নিজের স্ত্রী / স্বামী / বন্ধুকেও না । কারণ তারাই একসময় আপনাকে সেই বিষয় নিয়ে পরে খোটা দিবে ।

• নিজের জীবনের এমন কোন কথা যা শুনলে আপনার স্ত্রী / স্বামী অন্যভাবে নিতে পারে এমন
কোন কথা তাকে বলবেন না ।

• আপনার প্রেমিকার পরিবার ব্যবসা / বেসরকারী চাকরি করে এমন ছেলেকে তারা মেনে নিবেন না
এইসব কথায় কান দিবেন না । কারণ আপনি প্রতিষ্ঠিত হলে তারাই আপনাকে সমাদর করতে থাকবে । তাই নিজেরটা নিয়ে নিজেই চিন্তা করুন ।

• আপনার প্রেমিকা / প্রেমিক যদি চলে যায় তাকে নিয়ে ভেবে ভেবে সময় নষ্ট করবেন না । নিজেকে কষ্ট দিবেন না । যে চলে গিয়েছে যাক । ভুলটা যদি আপনি করে থাকেন তাহলে তার কাছে যেয়ে ক্ষমা চান । সে যদি তাতেও মেনে না নেয় তাহলে চলে আসুন তার কাছ থেকে । কারো জন্য জীবন কখনও থেমে থাকে না । বাস্তবতা কে মেনে নিতেই হবে ।

• নিজের উপর বিশ্বাস হারাবেন না ।

• অন্যের গীবত গাওয়া থেকে দূরে থাকুন । এটা ভাল না ।

• নেশা করতে যাবেন না কখন ও । এটা আপনার মৃত্যুকে ডেকে আনবে তারাতারি ।

যেকোন পরিস্থিতি তে যেভাবে নিজ়েকে সামলাবেন by মঈনুল হোসেন

মরা জীবন অনেক সময় এমন কিছু সমস্যার মুখোমুখি হই যেখান থেকে সঠিক সমাধান বের করে তার বাস্তবায়ন করার বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সমাধান জানা থাকা সত্তেও আমরা তার ঠিক করতে পারি না। তাই এই পোস্ট এ বলবো কোন কোন পরিস্থিতে আপনি পড়লে কি রকম ব্যবস্থা নিতে পারেন।
•বাসায় আপনার আব্বা জেনে গিয়েছেন যে আপনি কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলেছেন

এটা অনেক কঠিন এক ব্যাপার। তবে সমাধান করা যাবে। কিন্তু সমাধান করতে গেলে হিতে বিপরীত ও হতে পারে। আপনাকে ত্যায্য করাও হতে পারে। তাই আপনার আব্বার কাছে যেয়ে পুরো ঘটনা খুলে বলুন। এখানে কিছুটা তাকে ইমোশনাল করে ফেলুন। মনে রাখবেন তাকে আপনি গলাতে না পারলে আপনার বিপদ আছে। আর আপনার বাবা যদি বেশ হাসিখুসি মাইন্ড এর হয় তাহলে তেমন কোন সমস্যা হয়ত হবে না।

•আপনার বন্ধুরা আপনাকে ধরেছে যে জন্মদিন এ খাওয়াতে হবে

এটা বেশ টাকা পয়সা খরচ এর ব্যাপার। ইদানিং মানুষজন বেশ চতুর হয়ে গিয়েছে তাই সহজেই ধরতে পারে যে কারো মনের কথা। তাই খাওয়াবেন না এদিন এই কথা সরাসরি বলবেন না। তাদের কে বলতে পারেন যে আপনি তাদের আপনার বাসায় খাওয়াবেন তবে এখন না। বাসায় কাজের মানুষ এখন নাই। আসলে তারপর জানাবেন তাদের।

•পুরোনো বন্ধুদের সাথে একটা গেট টু গেদার করেছেন তবে কয়েকজন বন্ধুকে বাদ দিয়ে

এ অবস্থায় পরেছেন এরকম অনেকেই আছেন। এখানে আমি সব সময় যেটা করি সবার সাথে সমান ভাবে মেশার চেষ্টা করি। সবাই তো আর এক রকম না। তারপর ও যতটুকু পারা যায় মিশুন সবার সাথে। এতে করে সবাই যেমন আপনাকে পছন্দ করবে তেমনি কদর ও বাড়বে। দেখা যাবে ইউনিভার্সিটির কোন গ্রুপ এর সাথে আপনি ছিলেন না কিন্তু ভাল একটা সম্পর্ক ছিল তারা যখন এরকম একটা আয়োজন করবে তখন আপনাকেও ডাকতে পারে সাথে থাকার জন্য। আপনাকে অনেকেই এ সময় দোষারোপ করতে পারে যে তাদের কেন বলা হয় নাই তাদেরকে। তখন আপনি বলতে পারেন যে এটা আপনি আয়োজন করেন নাই। আপনাকে তারা যেতে বলেছে তাই আমি গিয়েছেন।

•অফিস এর একটা ফাইল আটকে রাখা হয়েছে কোন সরকারি অফিসে। কারণ তারা............।।

ঘুষ ছাড়া সেই ফাইল আপনি যে পাবেন না সেটা একরকম নিশ্চিত। কি করবেন?? আপনি তো আর ঘুষ দেন না। এ ক্ষেত্রে মুন্না ভাই টাইপ কিছু একটা করতে পারেন। যা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। গায়ের জামাকাপড় জুতা মোজা খুলে দিয়ে দিবেন। অসাধারণ একটা ব্যাপার হবে। বাস্তবে হয়ত কেউ এরকম এখন ও করে নাই। তবে এরকম কিছু একটা করা শুরু হলে হয়ত ঘুষ দেয়া নেয়া কমে যেতে পারে।


•যদি দেখেন বাবা আর মা ২ পক্ষ নিয়েছে

প্রায়ই দেখা যায় যে পরিবারের ২ জনের মধ্যে ঝগড়া। আর এর ফলে শুরু হয় দলাদলি যাকে বলা হয় ঘরোয়া রাজনিতি। বাবা টানছে আপনাকে তার দিকে আবার আপনার মা ও চাচ্ছে আপনি তার পক্ষে থাকবেন। খুব কঠিন এক পরিস্থিতি। তখন আপনি সাহস করে বলে দিবেন আপনি কারো দলে না। আপনি নিরপেক্ষ।

•পরীক্ষায় ফেল করেছেন এখন স্যার আপনার বাবাকে দেখা করতে বলেছেন

মহা ঝামেলার বিষয় আর খানিকটা সম্মানহানী এর ব্যাপার আপনার বাবার জন্য। যদি আপনি সবসময় এরকম ফলাফল করেন তাহলে তো আরো খারাপ অবস্থা কিন্তু যারা প্রথমবার জীবনে করেছেন এরকম তাদের কাছে ব্যাপারটা অন্যরকম। যারা নিয়মিত ফেল করছেন আর বাবা মা কে স্কুল থেকে ডাকা হচ্ছে তাদের জন্য বলছি আপনার বাসা থেকে কাউকে নিয়ে যাইয়েন না। পারলে কোন বড় ভাইকে ম্যানেজ করুন আর স্কুল / কলেজ এ পাঠান।

•আপনার প্রেমিকা আপনাকে এখন সময় দেয় না / আচরণ সন্দেহমূলক

যা দিনকাল পরেছে তাতে দেখা যাচ্ছে একজনের উপর এখন কেউ সারাজীবন নির্ভর করতে চায় না। বাজারে অনেক অপশন আছে সেখান থেকে বাছাই করে নেয়া আর কি!!! তাই আপনাকে বলছি বাস্তবতাকে বুঝতে শিখুন। আপনার প্রেমিকা যেটা পারে আপনি তা কেন পারবেন না?? একজনের জন্য তো আপনি আপনার সারাজীবন নষ্ট করতে পারে না। আর আপনার ভালবাসা যদি সে বুঝতেই না পারলো তাহলে তার কি মুল্য থাকল?? তাই কিছু কাজ করুন। প্রেমিকা আপনার সাথে আগের মত আচরণ না করলে বা সন্দেহমূলক আচরণ করলে তার উপর নজর রাখুন কিছুদিন। তারপর চুরান্ত ভাবে ফলাফল টানুন।

•ক্রিকেট খেলতে গিয়ে অন্য বাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে ফেলেছেন

এ অবস্থায় আমি মনে করি সরাসরি সেই বাসায় যেয়ে পরিস্তিতি টাকে শান্ত করা আপনার দ্বায়িত্ব। কারণ পরে এটা নিয়ে ক্যাচাল হতে পারে আর আপনাকে চিনে রাখতে পারে সেই বাসার মানুষজন। তাই তাদের কাছে যেয়ে দুঃখ প্রকাশ করুন আর তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দিবেন এটা বলে আসুন। এটা যদি আপনি করেন তাহলে দেখা যাবে তারা আপনার উপর খুশি হয়ে গেল আর আপনার কাছ থেকে তারা কোন টাকা পয়সা নিল না।

•প্রেমিকা / প্রেমিক যদি বলে পালিয়ে বিয়ে করতে

পরিবারকে না জানিয়ে নিজেদের খেয়াল খুশি মত অনেকেই আছেন যারা বিয়ে করে ফেলেন। এর ফলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন আপনার না চাইলেও পরতে হয়। নানা রকম আইনি জটিলতায় অনেকে জড়িয়ে পরেন। তাই পরিবারকে না জানিয়ে কখনও এত বড় ডিসিশন নিতে যাবেন না। বরং কৌশলে এ ব্যাপার টাকে পাশ কাটিয়ে ফেলুন।

•অফিস এ আজকে অনেক কাজ আছে কিন্তু এ দিকে প্রেমিকা ডাকছে দেখা করার জন্য

এ পরিস্থিতিতে দেখা না করলে নিশ্চিত থাকেন যে আপনার উপর দিয়ে ঝড় আসতে বেশি সময় লাগবে না। তাই ১০ মিনিট এর জন্য হলেও তার সাথে সময় করে দেখা করুন আপনার অফিস এর আশেপাশে কোন খাবার এর দোকানে। কারণ ১ মাস কথা বন্ধ থাকার চেয়ে ১০ মিনিট দেখা করে মনের শান্তি আনুন।

•বাবা বিয়ে দিতে চাচ্ছেন আপনি পাশ করে বের হওয়ার পর পর ই (ছেলেদের ক্ষেত্রে)

ছাত্র থাকা অবস্থায় কখনই বিয়ে করতে যাবেন না। যদি মনে করেন সমস্যা কি, শুখেই তো থাকবো। এটা চিন্তা করা যাবে না। কারণ সুখ টা সে ক্ষেত্রে ক্ষণস্থায়ী হওয়ার চান্স আছে। তাই পাশ করে বের হওয়ার পর কমপক্ষে ৪/৫ বছর পর বিয়ে করুন। আপনার এই সুন্দর পরিকল্পনার কথা আপনার বাবাকে বুঝিয়ে বলুন যতই সে আপনাকে ইমোশনাল প্রেসার দিক। কারণ যদি ভুল করেন তাহলে সারাজীবন পস্তাতে হবে।

•প্রেমিকার ইমোশনাল ব্লাকমেইল কে নিয়ন্ত্রণে রাখুন

আপনার প্রেমিকার ইমোশনকে গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করুন। তবে সেটা যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয় এ ব্যাপারে খেয়াল রাখুন। দেখা গেল যে সে আপনাকে একটা কাজ করতে বলেছে কিন্তু আপনি সময় এর অভাবে করেন নি। সে ক্ষেত্রে তার রাগ করাটা নরমাল। কিন্তু সে নিয়ে সে যদি সমানে কান্না কাটি করে কিংবা রাগারগি করে কিংবা ঘুমের ঔষুধ খেয়ে ফেলে কয়েকটা তাহলে এসব কখনই আপনি লাই দিবেন না। আপনি যদি লাই / প্রশ্রয় দেন তাকে তাহলে ভবিষ্যতে আপনাকে সাইজে আনার প্রধান হাতিয়ার হবে এটাই। আর এ অবস্থায় পড়তে না চাইলে প্রথম থেকেই আপনাকে সজাগ থাকতে হবে।

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ