টুনটুনি পাখিদের দর্জি পাখি বলা হয়। তারা গাছের পাতা ঠোঙার মতো মুড়ে তার পাশে সুতা বা গাছের আঁশ দিয়ে সুন্দরভাবে সেলাই করে এবং সেই ঠোঙার মধ্যে পালক বা তুলা বিছিয়ে ডিম পাড়ে। দর্জির মতো পাতা সেলাই করে বলে তাদের দর্জি পাখি বলা হয়। কাপড় সেলাই করতে হলে আমাদের সুই সুতা ইত্যাদির দরকার হয়, কিন্তু টুনটুনিদের সেসব কিছু জোগাড় করতে হয় না। তাদের ঠোঁট সুইয়ের কাজ করে এবং গাছের ছালের আঁশ জোগাড় করে তারা সুতার কাজ চালায়। এই পাখিরা কেমন করে সেলাই করার বিদ্যা শিখল_ তা ভাবলে অবাক হতে হয়। টুনটুনি পাখিদের আমরা সবাই দেখেছি। আকারে এরা চড়ুই পাখির চেয়েও ছোট। তাদের পিঠের রং কিছুটা খয়েরি, কিন্তু মাথা সাধারণত ধূসর। পেটের তলার পালক সাদাটে। লেজ খুব লম্বা নয়, কিন্তু ডিম পাড়ার সময় পুরুষ পাখিদের লেজের মাঝের দুটি পালক হঠাৎ লম্বা হয়ে যায়। তাই সে সময় পুরুষ পাখিদের লেজ লম্বা দেখা যায়। টুনটুনিরা একসঙ্গে তিন-চারটা করে ডিম পাড়ে। ডিমগুলো দেখতে সাদা, সাদার উপর লালের ছিটেফোঁটাও আছে। বৈশাখ মাস থেকে শুরু করে ভাদ্র মাস পর্যন্ত টুঁই টুঁই শব্দ করে এই চঞ্চল পাখিটি ঝোঁপ-জঙ্গলে ক্রমাগত লাফালাফি করে। পাখিগুলো ছোট; কিন্তু তাদের গলার স্বর নিতান্ত ছোট নয়। যখন টুনটুনিরা গাছের ডালে লাফালাফি করে ডাকতে থাকে, তখন অনেক দূর থেকে শোনা যায় সেই আওয়াজ
Showing posts with label প্রকৃতি বিষয়ক. Show all posts
Showing posts with label প্রকৃতি বিষয়ক. Show all posts
Sunday, June 10, 2012
দর্জি পাখি টুনটুনি | দীপক দেবনাথ
মাঠ মানে ছুট | কার্তিক ঘোষ
মাঠ মানে কি মজাই শুধু মাঠ মানে কি ছুটি-
মাঠ মানে কি অথৈ খুশির অগাধ লুটোপুটি !
মাঠ মানে কি হল্লা শুধুই মাঠ মানে কি হাসি-
মাঠ মানে কি ঘুম তাড়ানো মন হারানো বাঁশি !
মাঠ মানে কি নিকেল করা বিকেল আসা দিন ,
মাঠ মানে কি নাচনা পায়ের বাজনা তাধিন ধিন !
মাঠ মানে তো সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দীপ-
মাঠ মানে ছুট এগিয়ে যাবার-পিপির পিপির পিপ।
ছুট মানে কি ছোটাই শুধু ছুট মানে কি আশা-
ছুট মানে কি শক্ত পায়ের পোক্ত কোন ভাষা।
ছুট মানে কি সাহস শুধু ছুট মানে কি বাঁচা ,
ছুট মানে কি ছোট্ট পাখির আগল ভাঙা খাঁচা !
ছুট মানে কি ছুটন্ত আর ফুটন্ত সব প্রাণে-
সাতটি সবুজ সমুদ্দুরের ঢেউকে ডেকে আনে !
ছুট মানে তো জীবন এবং ছুট মানে যে সোনা-
ছুট মানে কি ছুটেই দেখ- আর কিছু বলবো না।
Wednesday, November 9, 2011
শেষ বিকেলের আলোয়...
এই বর্ষায় জলভ্রমণের সময় বেশ বিকেলের আলোয় তোলা একটি নৌকোর কটি ছবি....







এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের ঝিঁঝি পোকার বাগানে নিমন্ত্রণ।
এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের ঝিঁঝি পোকার বাগানে নিমন্ত্রণ।
Labels:
প্রকৃতি,
প্রকৃতি বিষয়ক,
মরুভূমির জলদস্যু,
সারোয়ার সোহেন,
স্থির চিত্র
Thursday, October 13, 2011
উঠলো জেগে প্রাণ || একে আজাদ
শরত্ এলো—তাই বাতাসে—
বাজে সুখের গান,
নোতুন দিনের স্বপ্ন নিয়ে
উঠলো জেগে প্রাণ।
শরত্ এলো—তাই আকাশে—
সাদা মেঘের ঢেউ,
শরত্ এলো—নদীর নায়ে
পাল উড়ালো কেউ।
সূত্র : আমার দেশ
বাজে সুখের গান,
নোতুন দিনের স্বপ্ন নিয়ে
উঠলো জেগে প্রাণ।
শরত্ এলো—তাই আকাশে—
সাদা মেঘের ঢেউ,
শরত্ এলো—নদীর নায়ে
পাল উড়ালো কেউ।
সূত্র : আমার দেশ
Labels:
একে আজাদ,
কবিতা,
প্রকৃতি,
প্রকৃতি বিষয়ক,
শরতের কবিতা
শরৎ ঋতু তুমি এলে || আ.শ.ম. বাবর আলী
শরত্ ঋতু তুমি এলে
চোখ বুজে তা বলতে পারি,
আনন্দেতে একা একা
গাঁয়ের বুকে চলতে পারি।
শরত্ ঋতু তুমি এলে
গন্ধ শুকে বুঝতে পারি,
সকালবেলা ঘাসের বুকে
সুখের পরশ খুঁজতে পারি।
শরত্ ঋতু তুমি এলে
নিজেই আমি জানতে পারি,
প্রজাপতি মৌমাছিদের
শিউলিমেলায় আনতে পারি।
শরত্ ঋতু তুমি এলে
ছবি আঁকা শিখতে পারি,
তোমায় নিয়ে মজার মজার
অনেক ছড়া লিখতে পারি।
সূত্র : আমার দেশ
চোখ বুজে তা বলতে পারি,
আনন্দেতে একা একা
গাঁয়ের বুকে চলতে পারি।
শরত্ ঋতু তুমি এলে
গন্ধ শুকে বুঝতে পারি,
সকালবেলা ঘাসের বুকে
সুখের পরশ খুঁজতে পারি।
শরত্ ঋতু তুমি এলে
নিজেই আমি জানতে পারি,
প্রজাপতি মৌমাছিদের
শিউলিমেলায় আনতে পারি।
শরত্ ঋতু তুমি এলে
ছবি আঁকা শিখতে পারি,
তোমায় নিয়ে মজার মজার
অনেক ছড়া লিখতে পারি।
সূত্র : আমার দেশ
Labels:
আ.শ.ম. বাবর আলী,
কবিতা,
প্রকৃতি বিষয়ক,
শরতের কবিতা,
শরৎ
Subscribe to:
Posts (Atom)
