প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label সুমনা হক. Show all posts
Showing posts with label সুমনা হক. Show all posts

Thursday, February 3, 2011

পাখিদের ছোটো বড়ো by সুমনা হক

পাখির মতো হতে চায় না কে! আমাদের যদি ডানা থাকতো? আমরাও যদি উড়তে পারতাম! সবাই এরকমটাই ভাবে। আর এরকম ভাবে বলেই না আজকে আমরা এরোপ্লেন আবিষ্কার করেছি। যদিও নিজেরা উড়তে পারি না তবুও তো দুধের স্বাদ ঘোলে মেটে। শুধু কি ওড়ার জন্য, সময় বাঁচাতে যে এরোপ্লেনে চড়ার কোনো বিকল্প নেই। তবে যদি পাখির কথা বলি চট করে আমাদের মাথায় চলে আসে হাজারো পাখির নাম। বিশেষ করে ময়না, টিয়া, দোয়েলের নাম তো সবার আগেই আসে। এগুলোই যে মানুষ বেশি চেনে, তাই তো এদের নামই আগে বলবে।এছাড়াও পৃথিবীতে রয়েছে হাজার হাজার পাখি। তবে সবাইকে নিয়ে কথা বলতে গেলে তো রাতই ফুরিয়ে যাবে। তাই আজকে আমরা শুধু সবচেয়ে ছোটো আর সবচেয়ে বড়ো পাখির কথা শুনবো। চলো তবে শুরু করা যাক।
হামিং বার্ড

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো পাখিটি হচ্ছে হামিং বার্ড। এর ওজন মাত্র ১.৮ গ্রাম আর দৈর্ঘ্য ৫ মিটার। তবে মজার বিষয় হচ্ছে  পুরুষ হামিং বার্ড গুলো কিন্তু আকারে মেয়ে হামিং বার্ড থেকে ছোটো হয়ে থাকে। শুধু আকারে নয় আরো পার্থক্য আছে মেয়ে এবং পুরুষ হামিং বার্ডের মধ্যে।

পুরুষ পাখি গুলোর লোম সবুজ রঙের হয়। এদের পাখা গুলো উপরের দিকটা নীল বর্ণের আর শরীরের নিচের দিকটা বেশিরভাগ সময় ধূসর সাদা হয়ে থাকে। অপরদিকে মেয়ে পাখিদের মাথার ওপরের দিকটা নীলচে সবুজ রঙ এর হয়, সরু লেজটিতে থাকে সাদা রঙের ফোটা ফোটা দাগ। হামিং বার্ড যে শুধু তার রঙের জন্য বিখ্যাত তা কিন্তু ভেবো না। ছোটো হলে কি হবে এদের শরীরে কিন্তু অনেক শক্তি আছে। হেলিকপ্টার যত উঁচুতে উড়ে হামিং বার্ডও ঐ উচ্চতায় উঠতে পারে। আর সবচেয়ে অবাক করার মত বিষয় হলো এরা প্রজাতিভেদে সেকেন্ডে ১২ থেকে ৯০ বার নিজেদের পাখা নাড়াতে পারে। এ কারণেই চোখের পলকে অনেকটা দূরে চলে যেতে পারে হামিং বার্ড। সাধারণত এদের ওড়ার গতি ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার। মজার ব্যাপার হলো এরা কেবল সামনে নয়, পেছন দিকেও উড়তে পারে।
তবে উঁচুতে উড়তে পারলেও এরা অনান্য পাখিদের মত হাঁটতে পারে না। দেহের আকার ছোটো এবং সেই সঙ্গে তাদের ডানাগুলো বেশ বড়ো হয় বলে হামিং বার্ড বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। খাবার দাবারের বেলায় হামিং বার্ড একটু এগিয়েই রয়েছে অন্য সবার তুলনায়। কারণ এরা সারাদিন খায়। ছোটোগুলো মায়ের দেয়া খাবার খায় আর বড়োগুলো খায় ফুলের মধু। সারাদিন কেবল এই ফুল থেকে ঐ ফুলে ঘুরে বেড়ায় হামিং বার্ড।

আমাদের মতো এদেরও কিন্তু রঙের পছন্দ অপছন্দ আছে। এরা লাল রঙের ফুল বেশি পছন্দ করে। তাই বেশির ভাগ সময় হামিং বার্ড লাল রঙের ফুল থেকেই মধু সংগ্রহ করে থাকে। মধু খাবার সঙ্গে সঙ্গে এরা গাছেরও কিছু উপকার করে দেয়। কারণ হামিং বার্ড যখন ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ায় তখন এদের পায়ের এবং পাখার সঙ্গে ফুলের রেণু জড়িয়ে যায়। এতে গাছের পরাগায়ণ ভালো হয়। এই কাজগুলো সাধারণত করে থাকে মৌমাছি। মৌমাছির সঙ্গে এদের স্বভাবের মিলের কারণে অনেকেই হামিং বার্ডকে বড়ো মৌমাছি বলে থাকে। হামিং বার্ড দিনে প্রায় ১৫০০ ফুলের মধু সংগ্রহ করে থাকে।
বাসা বানানোর ব্যাপারে পুরুষ পাখিগুলোর কোনো মাথাব্যাথা নেই। এই কাজ মেয়ে পাখিগুলোকেই করতে হয়। বাসা তৈরি করার জন্য এরা মাকড়সার জাল, গাছের বাকল এবং বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক ব্যবহার করে। বাসার আকার দেখতে হয় ঠিক কাপের মতো। একটি মেয়ে হামিং বার্ড এক সঙ্গে দুইটি ডিম পাড়ে। এদের ডিমগুলো এতই ছোটো যে দেখলে শস্য দানা মনে হয়। মা পাখিটি ডিমগুলো তার ছোট্ট বাসায় রাখে।

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো এই পাখিটি বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। এদের গড় আয়ু ৩ থেকে ৫ বছর হয়। 
উট পাখি

বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো পাখিটি হচ্ছে উট পাখি। যদিও এরা সবচেয়ে বড়ো পাখি কিন্তু এদের ওড়ার ক্ষমতা নেই। তবে দারুণ জোরে ছুটতে পারে এরা। উট পাখিরা ঘন্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। তবেই বোঝো এদের ছোটার ক্ষমতা! এদেরকে সাধারণত আফ্রিকাতে পাওয়া যায়।
এদের উচ্চতা প্রায় ৩ মিটার আর ওজন ১৫০ কেজিরও বেশি হতে পারে। ভাবো একবার, কি পরিমাণ ওজন! এদের রয়েছে বিশাল বিশাল পাখা। কত বিশাল বলো তো, পুরোটা মেলে ধরলে প্রায় ৭ ফুট হবে এর দৈর্ঘ্য। এই বড়ো বড়ো পাখার জন্যই তো এরা উড়তে না পারলেও পাখি। পুরুষ পাখি গুলোর পাখার রঙ হয় কালো। এর সঙ্গে থাকে সাদা লেজ। মেয়েগুলোর পাখার রঙ হয় ধুসর বাদামী। বলতেই পারো যে এত বড়ো পাখা থাকার পরও কেন এরা উড়তে পারে না? কারণ এদের শরীরের ওজন অনেক বেশি। এত বেশি ওজন নিয়ে ওড়ার মতো শক্তি তাদের ওই বড়ো পাখাতেও নেই। এজন্যই এরা উড়তে পারে না।

উট পাখিদের এত জোরে ছুটতে পারার ক্ষমতার জন্য এদের দৌড় প্রতিযোগিতা হয়। এই প্রতিযোগিতা নিয়ে মানুষেরা আবার অনেক আনন্দ করে থাকে। দেখতে অনেক বড়োসড়ো হলেও উট পাখিরা কিন্তু মোটেও হিংম্বর নয়। এদের প্রধান খাদ্য হলো বিভিন্ন শস্যদানা। কোনো কোনো সময় অবশ্য এরা পোকামাকড়ও খেয়ে থাকে। এদের তো দাত নেই। সেজন্য খাবার খাওয়ার সময় উট পাখিরা কিছু পাথর খেয়ে নেয়। এই পাথর এদের পাকস্থলীতে খাদ্যদানা হজম করতে পেষার কাজটি করে। একটি পূর্ণাঙ্গ উট পাখি এদের পাকস্থলীতে ১ কেজি পাথর খেয়ে ঘুরে বেড়াতে পারে। ভাবো তো একবার, খুবই অদ্ভূত তাই না?
উট পাখির মতই এর ডিমও অনেক বড়ো হয়ে থাকে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো ডিম এই উট পাখিরই। অন্য কোনো প্রাণী আর এতো বড়ো ডিম পাড়ে না। এদের একেকটা ডিমের ওজন হয়ে থাকে ১.৫ কেজি। আর এই ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় ৩৫ থেকে ৪০ দিনে।

উট পাখি দেখতে তোমাকে কিন্তু আফ্রিকাতে যেতে হবে না। তুমি ইচ্ছে করলেই ঢাকার চিড়িয়াখানাতে গিয়ে দেখে আসতে পারো। আর যারা দেখে ফেলেছো তাদের তো নতুন করে দেখতে যেতে বাধা নেই, তাই না?




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/সুমনা/এসএ/এইচবি/নভেম্বর ০৪/১০

আমাদের প্রিয় কার্টুন by সুমনা হক

কার্টুন দেখতে কেমন লাগে? এই দেখ, আবার একটা বাজে প্রশ্ন করে ফেলেছি? কার্টুন আবার কারো খারাপ লাগে নাকি দেখতে? তবে হ্যাঁ, বলা যেতে পারে কোন কার্টুনটা দেখতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে! কারো হয়তো মিনা আবার কারো হয়তো টম এন্ড জেরি। কেউ পছন্দ করে পাপাই শো আবার কেউ বা ডোনাল্ড ডাক কিংবা মিকি মাউস কে পেলে অন্য সবকিছু ভুলে যায়। এরকমই সব কার্টুনদের সঙ্গে নিয়ে চলো আজ আমরা কিছুক্ষণ গল্প করি।
undefinedমিনা
প্রথমেই চলো গল্প করি আমাদের অনেকেরই প্রিয় মিনা কার্টুন নিয়ে। মিনাকে তো আমরা সবাই চিনি। আমাদের প্রিয় সেই মিনার টিয়া পাখি মিঠু আর ছোট ভাই এর নাম রাজু। সে কিন্তু গ্রামের মেয়ে। ছোট ভাই রাজু ছাড়াও তার পরিবারে আছে বাবা-মা, বোন আর দাদী। আদরের টিয়া পাখি মিঠু সারাক্ষণ মিনার সঙ্গেই থাকে। কার্টুনটি আমাদের অনেকেরই প্রিয় কারণ এখানে মিনার অনেক বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতা আমরা দেখেছি। সবার জন্য ভালো কিছু করতে মিনা সবার আগেই থাকে। সবসময়ই তার আগ্রহ, কিসে এলাকার মানুষের উপকার হয়। কিভাবে বুদ্ধি করে সে চোর ধরেছিলো তা তো আমরা দেখেছি। এতে অবশ্য এটাও বোঝানো হয়েছে যে শিক্ষা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। শুধু কি তাই, মিনা তার বাবাকে ঠকে যাবার হাত থেকেও বাঁচিয়েছিলো। এজন্যই মিনা কার্টুন সারা পৃথিবী জুড়েই ব্যাপক ভাবে জনপ্রিয়। এজন্য বছরের একটি দিনতো মিনার জন্মদিন হিসেবেই পালন করা হয়ে থাকে। সবাই তো জানোই, তারপরও বলছি প্রতি বছর ২৪ সেপ্টেম্বর মিনার জন্মদিন হিসেবে পালন করা হয়।

বাংলাদেশে প্রথম ১৯৯৫ সালে বিটিভিতে মিনা কার্টুন দেখানো শুরু হয়েছিলো। তারপর থেকে বাংলাদেশের ছেলেবুড়ো প্রত্যেকের কাছেই মিনা দারুণ জনপ্রিয়।

টম ও জেরি
কার্টুন দেখতে বসে টম এবং জেরির দুষ্টুমি না দেখে কেউ ওঠে? সারাক্ষণ কেবল এ ওর পিছনে লেগেই আছে। আর ওদের এই দুষ্টুমি দেখতে সবারই দারুণ মজা লাগে। কখনও টমের হাতে জেরি নাস্তানাবুদ হচ্ছে আবার কখনও বা জেরির কাছে টমের জেরবার অবস্থা। সারাক্ষন কেবল ছুটোছুটি আর মারামারি। বলো তো টম ও জেরি কে লিখেছেন? জানি অনেকেই বলতে পারবে। এই জনপ্রিয় কার্টুনটির এর লেখক কিন্তু দুইজন, উইলিয়াম হান্না এবং জোসেফ বারবারা। টম এন্ড জেরি সর্বপ্রথম ১৯৬০ সালে কার্টুন নেটওয়ার্ক চ্যানেলে প্রচারিত হয়। আর প্রথম থেকেই সবার পছন্দের শীর্ষে জায়গা করে নেয় এই কার্টুনটি।  টম আর জেরি ছাড়াও এই কার্টুনে আর কিছু চরিত্র আছে। ওই যে হোতকা মোটা কুকুরটা, স্পাইক আর তার ছোট্ট বাচ্চাটা যার নাম আবার টাইক। এরাও কিন্তু টম এন্ড জেরি কার্টুনের বেশ মজার চরিত্র। বিশেষ করে জেরি, স্পাইক এর সঙ্গে তার বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে টমকে যারপরনাই ভাবে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে।  এই সারাক্ষণ দুষ্টুমি দেখতে কার না ভালো লাগে বলো? 

পাপাই দ্যা সেইলর

নাবিক পাপাই আর তার অসীম সাহসিকতার সেই গল্প কি ভোলা যায়! পাপাই, তার বান্ধবী অলিভ এবং তাদের শত্রæ ব্লুটো। এই তিন জনকে নিয়েই বিভিন্ন কাহিনী প্রত্যেকেরই ভালো লাগে। বিশেষ করে প্রথমে পাপাই ব্লুটোর হাতে মার খেয়ে পরে যখন স্পিনাচ খায়, তখন আর তাকে পায় কে। মুহূর্তের মধ্যে ব্লুটোকে তুলোধুনো করে ছেড়ে দেয় পাপাই। তবে পাপাই এর মুখে সবসময়ের জন্যই তার পাইপটি থাকে। কখনোই পরে যায় না। এবং প্রত্যেকবার ব্লুটোর সঙ্গে জেতার পরে পাইপে ফুঁ দিয়ে সে বাঁশি বাজায়। এই দৃশ্য তো তোমাদের সবারই খুবই পরিচিত। এই আকর্ষনীয় কার্টুনটি বানিয়েছেন, এলজি ক্রিসলার সিজার। শুরুর দিকে এই কার্টুনটি পত্রিকায় প্রকাশিত হতো। পরে এর জনপ্রিয়তার জন্য কার্টুন সিরিয়াল বানানো হয়। 

ডোনাল্ড ডাক

ডোনাল্ড ডাক কার্টুনটি দেখতেও আমাদের দারুণ ভালো লাগে। ওই যে উঁচু গলাওয়ালা একটি হাঁস, তার দুটি হাত ও পা হলুদ- আর পোষাক পুরো নাবিকের মত। গলায় লাল টাই। সবার সঙ্গেই ডোনাল্ডের খুব ভাল সম্পর্ক থাকলেও সে নিজেকে নিয়ে সুখী নয়। তার জন্ম দিন ১৩ মার্চ, আর এই জিনিসটিই সে মেনে নিতে পারতো না। সে মনে করতো এটি তার দূর্ভাগ্য। তার মনে হতো সে যা করবে তাই খারাপ হবে। এই দুঃখে সে কোনো কাজই করতে যেত না। এই কার্টুনটির  নাম প্রথম দিকে ছিল দ্যা ওয়াইজ আইটেম  (the wise item.) পরে একে ডোনাল্ড ডাক নামকরন করা হয়। এই কার্টুন সবচেয়ে জনপ্রিয় জার্মানিতে। এটি প্রথমে বের হয়েছিল ওয়াল্ট ডিজনী কোম্পানী থেকে।

মিকি মাউস

আমাদের প্রিয় আরেকটি কার্টুন হলো মিকি মাউস। মিকি মাউস দেখতে সবারই ভালো লাগে। বেশ একটা আদুরে ব্যাপার আছে মিকি মাউসের মধ্যে। আসলে মিকির পুরো নাম হচ্ছে, মাইকেল মাউস। একে সংক্ষেপে সবাই মিকি মাউস বলতে বলতে এর নাম হয়ে গেছে মিকি মাউস। কার্টুন দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রটি হলো এই পুচকে মিকি মাউস। আর এর লেখক হচ্ছেন খোদ ওয়াল্ট ডিজনী। ওয়াল্ট ডিজনী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে  ১৯২৮ সালে প্রথম মিকি মাউস প্রচারিত হয়। মিকির বিভিন্ন ধরনের কার্যকলাপ আমাদের মনে সবসময়ের জন্য ভালো লাগা তৈরি করে। সেই যে প্রথম গলফ খেলতে গিয়ে কি বিপদেই না সে পরেছিল! আবার নিজের এলাকাকে বাঁচানোর জন্য সে যুদ্ধও করেছিলো। সবসময়ের জন্যই সবার প্রিয় এই কার্টুন চরিত্রটি।
শুনলে তো প্রিয় কার্টুন গুলো নিয়ে গল্প। এখন তবে যার কাছেই প্রিয় কার্টুনটি নিয়ে গল্প করো না কেনো, সঙ্গে জানিয়ে দিয়ো এর বিভিন্ন তথ্য। তোমার কাছ থেকেই হয়তো সে শিখে নিতে পারবে কার্টুন গুলোর না জানা অনেক তথ্যই।

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ