প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts

Tuesday, January 10, 2012

প্রয়োজনীয় ও মজার কয়েকটি সাইট

এ মুহূর্তে ঢাকার সময় যদি বিকাল সাড়ে পাঁচটা হয় তাহলে লন্ডনের সময় কত? জোহোনেসবার্গে যদি সন্ধ্যা ছয়টা বাজে তাহলে ওয়াশিংটন ডিসিতে কত? বিভিন্ন সময় এ রকমের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা আমাদের প্রয়োজন হতে পারে। আর তখন যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার সামনে থাকে তাহলে গোটা বিশ্বের চলতি সময় জানার জন্য কষ্ট করতে হবে না।
এসবের জন্য চলে যেতে হবে অসাধারণ ওয়েবসাইট টাইমটিকারে। সেখানে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে পৃথিবীর একটি মানচিত্র। সেই মানচিত্রে আমার দরকারি জায়গাটায় মাউস কার্সর রাখলেই ওই নির্দিষ্ট টাইম জোনে ক’টা বাজছে তা জেনে নেয়া যাবে। এছাড়া নিচে সাজানো আছে বিভিন্ন দেশ ও শহরের নাম। তার কোনো একটিকে সিলেক্ট করলেই সঙ্গে সঙ্গে বড় অক্ষরে লিখে জানানো হবে এখন ওখানে ক’টা বাজে। তাহলেই বাংলাদেশের সময়ের সঙ্গে সে এলাকার সময়ের তুলনা করতে পারবেন আপনি। ওয়েবসাইট ঠিকানা : http://www.timeticker.com আমরা সবাই জানি ইন্টারনেটে ফ্রি জিনিসের অভাব হয় না। নানা কাজে ইন্টারনেটের কাছে হাত পাতলেই ফ্রি তথ্য, ফ্রি উপদেশ, ফ্রি সফটওয়্যার বা ফ্রি বুদ্ধির অভাব হবে না।

বিমটোনস : মোবাইলের রিংটোন বানান এবং ডাউনলোড করুন
অনলাইনে মোবাইল ফোনের জন্য সুন্দর সুন্দর রিংটোন তৈরি করা এবং তারপর সেগুলো নিজের মোবাইল ফোনে ডাউনলোড করার সুযোগ করে দেয় এই অসাধারণ ওয়েবসাইটটি। এখানে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের নাম পাবেন ড্রপ ডাউন বক্সের মধ্যে। তারপর কিবোর্ড বা মাউসের মাধ্যমে এসব বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নিজের পছন্দমত টিউন তৈরি করে ফেলুন। নিজেই হয়ে যান আজকের বিটোভেন বা মোজার্ট। যত খুশি রিংটোন বানান, নিজে ডাউনলোড করুন, বন্ধুদের উপহার দিন, সবই একই ওয়েবসাইট থেকে।
ওয়েব ঠিকানা : http://www.bimtones.com

আর্জ-মি : দরকারি কাজের কথা মনে করিয়ে দেবে
আজকের ব্যস্ত জীবনে হাজারও ঝামেলার ভিড়ে অনেক দরকারি কাজের কথাই আমরা ভুলে যাই। আর্জ-মি সাইটের কাজ হচ্ছে যাতে দরকারি কাজ ভুলে গিয়ে একটা দুর্ঘটনা পাকিয়ে না ফেলি সেটি নিশ্চিত করা। দরকারি বিভিন্ন কাজের জন্য আপনাকে ই-মেইলের মাধ্যমে রিমাইন্ডার দেবে এই সাইট। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, যে কাজের কথা আপনাকে মনে করিয়ে দিতে হবে সেটির নাম এই সাইটে প্রবেশ করানো, একটা ডেডলাইন ঠিক করে দেয়া এবং তারপর ঙশধু বাটনে ক্লিক করা। ব্যস, আর আপনাকে কিছুই করতে হবে না। ওই ডেডলাইন অনুসারে আপনাকে ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে দরকারি সেই কাজের কথা মনে করিয়ে দেবে আর্জ-মি নামের এই সাইট।
ঠিকানা : http://www.urge-me.com

হুইসপার : নিজের ই-মেইল ঠিকানা লুকিয়ে রাখতে
নিজেদের ই-মেইল অ্যাড্রেস নিয়ে আমাদের প্রায়ই বিব্রত হতে হয়। আমরা চাই না, তবু নানা জায়গায় নিজের ই-মেইল ঠিকানা দিতে হয়। ব্যস, আর যায় কোথায়! ঝাঁকে ঝাঁকে অবাঞ্ছিত মেইল এসে ইনবক্সে হানা দেয়। মেইল চেক করার কাজটিকেই করে তোলে ভোগান্তির নামান্তর। যারা নিজের ই-মেইল ঠিকানা খুব বেশি মানুষের মধ্যে ছড়াতে চান না তাদের জন্যই এই ওয়েবসাইট : হুইসপার। এটি আপনার ই-মেইল ঠিকানাকে লুকিয়ে রেখে যারা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চায় তাদের দেবে একটি ছোট ফরম। এই ফরম পূরণ করেই তারা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। ফলে অনলাইনে যেখানে খুশি আপনি আপনার ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে বেড়াতে পারেন, স্প্যাম মেইলের শিকার হওয়ার ভয় না করেই!
ওয়েব ঠিকানা : http://whspr.me

সূত্র : আমার দেশ
লেখক : এম. হারুন অর রশিদ

Wednesday, October 19, 2011

ভাইরাসের উপস্থিতি বোঝার উপায়

নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই কম্পিউটার ভাইরাসের ব্যাপারে অভিজ্ঞ হন না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা বুঝতে পারেন না কম্পিউটার তার অজান্তে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে কি-না। সে ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো একটু লক্ষ্য করলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি-না :
— কম্পিউটারের গতি ধীর হয়ে যাবে।
— সফটওয়্যার, গেমস এমনকি অডিও-ভিডিও ফাইল চালু হতেও সময় নেবে বেশি।
— ডিস্কে ব্যাড সেক্টর বারবার দেখাবে।
— ওয়ার্ড, নোটপ্যাড ফাইলের ফন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
— র্যাম, এজিপি কম দেখাতে পারে।
— ডিস্কের ভলিউম লেবেল পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।
— কোনো কিছু সেভ হতে বা লোড হতে বেশি সময় নেবে।
— সিডি, ডিভিডি কপি হতে বেশি সময় নেবে।
— হার্ডডিস্কে জায়গা কমে যেতে পারে।
— অজানা এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল দেখা যাবে।
— স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রাম রান করবে বা বন্ধ হবে।
— ফোল্ডার অপশন মুছে যাবে।
— ওয়ার্ডে বা নোটপ্যাডে কিছু লিখলে তা অনেক ক্ষেত্রেই সেভ করা যাবে না।
— কিবোর্ড ও মাউস ব্যবহারে সমস্যা হতে পারে।
— যে গেম আগে ঠিকভাবে চলত সেগুলো কোনো কারণ ছাড়াই চলার সময় বারবার আটকে যাবে।
— পিসি হ্যাং করতে পারে।
— টাস্ক ম্যানেজার কাজ করবে না।
— অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফোল্ডারের আইকন পরিবর্তন করা যায় না।
সূত্র : আমার দেশ

ইন্টারনেট আসক্তি থেকে মুক্তির কৌশল || বেলাল হোসাইন

ইন্টারনেটের প্রতি আসক্তি অনেককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যখন আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গেই আনন্দিত থাকতে পারেন, তখন কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের স্ক্রিনের সামনে সময় নষ্ট করছেন? এই আর্টিকেলটি আপনাকে ইন্টারনেট আসক্তি থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করবে।
১. যখনই আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন : একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করুন, কখনোই আজ ২ ঘণ্টা কাল ৩ ঘণ্টা আর পরশু ১ ঘণ্টা করলে চলবে না। অন্যভাবে বলতে গেলে, এমনটি বলবেন না যে, আজকে আমি কেবল ১ ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটাব। তারপর একটানা ৪-৫ ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে মনে মনে বলবেন, আমি আজকে মোটামুটি ভালো করেছি। প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ১ ঘণ্টা যথেষ্ট, খুব প্রয়োজনে ২ ঘণ্টা ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন, এই বিষয়ে সতর্ক না হলে আবারও ইন্টারনেট আসক্তির দাসে পরিণত হতে পারেন।
২. যদি ঘড়ি আপনাকে সময়ের মাঝে বেঁধে রাখতে না পারে : তবে একটি Parental control সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন, কিছু সফটওয়্যার সময় বেঁধে দেয়া (time lock) সমর্থন করে। আপনার বাসার অন্য কাউকে পাসওয়ার্ডটি সেট করতে বলুন যাতে করে শুধু জরুরি ক্ষেত্রেই আপনি এটিকে আনলক করতে পারেন, যখন ইচ্ছা তখন নয়।
৩. অপ্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্টগুলো মুছে ফেলুন : কতগুলো এমন ওয়েবসাইট আছে যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট রাখার কোনো দরকারই নেই? ফেসবুক, মাইস্পেস, টুইটার, ইউটিউব কখনও কখনও ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হতে পারে এমন বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে যারা আমাদের কাছে নেই। তবে ইউটিউব, মাইস্পেস, গুগল প্লাস ইত্যাদি অ্যাকাউন্ট কেবল সময়ের অপচয়ই নয় বরং আসক্তিকরও বটে। এই অ্যাকাউন্টগুলোতে অনেক আলাপ হয়ে থাকে অপরিচিত লোকজনের সঙ্গে। তারপরও যদি অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে না চান তবে পেজগুলো ব্লক করে দিন।
৪. আপনার পেজগুলোও মুছে ফেলুন : শুধু সেই পেজগুলোই রাখুন যা আপনার কাজের জন্য দরকার (hgbÑhomework, office work েইত্যাদি)। যদি ইউটিউব বা অন্যান্য অ্যাকাউন্ট এগুলোর জন্য নিতান্তই প্রয়োজনীয় না হয় তবে মুছে ফেলতে দ্বিধা বোধ করবেন না।
৫. অনলাইন কাজ ছাগা অনেকগুলো অফলাইন কাজ রাখতে ভুলবেন না : আপনি যাতে আনন্দ পান এমন অনেক কাজ করুন। যদি আপনার কোনো শখ না থাকে তাহলে আজই খুঁজতে শুরু করুন। এছাড়া অন্যকে সাহায্য করা বা সমস্যার সমাধান দেয়া একটা অন্যতম উপায়। এটা আপনার মানসিক ও শারীরিক উভয় দিকের খেয়াল রাখে।
৬. অনলাইন বা অফলাইনে থাকা সম্পর্কে সচেতন থাকুন : আপনি কি বুঝতে পারেন না যে কখন আপনি অতিরিক্ত অনলাইনে সময় কাটাচ্ছেন? যদি তাই হয়, আপনার সমস্যা আছে!
৭. আপনি জানেন যে ইন্টারনেট আসক্তি আপনার বাস্তবিক জীবনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে : আপনাকে আপনার জীবনযাপন করতে হবে পুরোপুরিভাবে, কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে থেকে নয়। বিশ্বাস করতে পারেন যে প্রতিদিন ১,০০০,০০০,০০০ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তথ্যটি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। আর গবেষক এবং ডাক্তাররা দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রতিদিন মানুষ এতে আসক্ত হয়ে পড়ছে।
৮. তাই ইন্টারনেটকে আপনার জীবনে হস্তক্ষেপ করতে দেয়া বন্ধ করুন : এমন নয় যে আপনি পুরোপুরিভাবে একে ত্যাগ করবেন বা আর কোনোদিন ব্যবহার করবেন না, আপনাকে শুধু দেখতে হবে সঠিক সময়টি। জীবনের পূর্ণতাকে অনুভব করুন। বাইরে যান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, আশপাশে ঘুরতে যান এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে উপভোগ করুন। যা আপনার দৈহিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়ে সাহায্য করবে।
৯. আপনি এখন তৈরি! আপনার নিত্যদিনের কাজ করুন সতেজতার সঙ্গে। তবে অবশ্যই ইলেকট্রনিক ডিভাইস তথা ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকবেন।
সূত্র : আমার দেশ

 ইন্টারনেটে সেরা ১০ সমস্যা || রাজিব

হ্যাকিং ও ডাটা সিকিউরিটি
আপনার ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও হ্যাকিং সম্পর্কে নিশ্চয় শুনেছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে যে কোনো হ্যাকার আপনার পিসি অরক্ষিত অবস্থায় থাকলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা এমনকি ব্যাংকিং তথ্যও হ্যাক করতে পারে। হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার সাধের ইমেইল আইডি বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে আপনি নিজে সতর্ক থাকলে হ্যাকারদের এড়াতে পারেন বলেই সম্ভবত এই সমস্যাটিকে ব্যবহারকারীরা রেখেছে দশ নম্বরে।

প্রাইভেসি
মূলত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে প্রাইভেসি রক্ষা করা খুবই কঠিন। আপনি হয়তো বন্ধুদের শেয়ার করার জন্য কোনো ছবি বা আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য আপলোড করলেন, কিন্তু তা খুব দ্রুতই আপনার অজান্তে ছড়িয়ে পড়তে পারে লাখ লাখ ইউজারের কাছে। যদিও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এ থেকে আপনি রেহাই পেতে পারেন, তবে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন—ব্লগ, ফেসবুক, ফোরাম, এসবে আপনার ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য, মোবাইল নাম্বার শেয়ার না করাই উত্তম।

ভাইরাস
না, তালিকার প্রথম সারিতে ভাইরাস বা ওয়ার্ম নেই। যদিও ভাইরাসের প্রজননস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টারনেট। তবে বিশ্বস্ত সাইটগুলো ভিজিট করলে অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল ওপেন না করলে ভালো এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

যৌন হয়রানি
এ ব্যাপারটিও ঘটে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ও চ্যাট রুমগুলোতে। খুব ভদ্রভাবে আপনার সঙ্গে মিশবে, তারপর আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি হাতাবে, তারপর ওগুলো প্রচার করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করা হবে। আমাদের দেশীয় অসংখ্য সাইট আছে যেগুলোতে প্রতিনিয়ত এ ধরনের প্রতারণা এবং ভুক্তভোগীদের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী তা প্রথম প্রথম জানতেও পারছেন না।

অনলাইনে আসক্তি
ব্যাপারটা আর শুধু টিনেজদের মধ্যেই থেমে থাকেনি। বয়স্কদের মধ্যেও এ সমস্যাটি ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যস্ত অফিসের বড়কর্তা বা ব্যবসায়ীরাও চ্যাটিং, ব্লগিং বা অনলাইনে গেমস খেলে নষ্ট করছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়। নতুন ইউজারদের যতটা সম্ভব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ মূলত এই সাইটগুলোই অনলাইনে আসক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

প্রতারণা
দিন দিন অনলাইন প্রতারকদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে। নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বনে প্রতারকরা জালিয়াতি করে যাচ্ছে। আপনি হয়তো অফিসের কোনো কাজে বা নিতান্ত শখের বশে একটি ইমেইল আইডি খুললেন। কিছুদিন পর দেখলেন আপনার কাছে মেইল এলো একটি অনলাইন ভিত্তিক লটারি সংস্থার। তারা জানাল, আপনি তাদের অনলাইন সিলেকশনে ১ লাখ ডলারের লটারি জিতেছেন, এখন এগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ১০০০ ডলার তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে। অথবা সুদূর সিয়েরা লিওন থেকে কোনো তরুণী মেইল করল, তার বাবা ওই দেশের একজন মস্ত বড়লোক ছিল তাকে খুন করা হয়েছে। তার কোনো আত্মীয় ওই দেশে নেই। আপনাকে তার খুব ভালো লেগেছে তাই সে তার লাখ লাখ ডলার ব্যাংক থেকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে চাচ্ছে এবং সে আপনার কাছে চলে আসতে চাচ্ছে। এজন্য তার হাজার দুয়েক ডলার প্রয়োজন। আপনি যদি এদের বিশ্বাস করেন তবেই ফেঁসেছেন। এমনভাবে তারা মেইল চালাচালি করবে যে পুরো ব্যাপারটিই আপনার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে। এমনি নানা উপায়ে অনলাইনে প্রতারকরা প্রতারণার জন্য ওঁত্ পেতে বসে আছে। তাদের কাছ থেকে বাঁচতে আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি এমন কোনো ভাগ্যবান না যে লটারি বা অন্য কোনো উপায়ে রাতারাতি লাখ লাখ ডলার পেয়ে যাবেন। তাই এ জাতীয় মেইল এলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই এড়িয়ে যাবেন।

ভুল তথ্য/প্রোপাগাণ্ডা
অনলাইনের সবচেয়ে বিরক্তিকর একটি দিক এটি। আপনি কোনো সফটওয়্যার বা ফাইল নামাতে চাচ্ছেন ফ্রিতে। সার্চ দিয়ে ফ্রি সাইট বের করলেনও। তারপর দেখবেন রেজিস্ট্রেশন চাচ্ছে। এরপর নানা বিরক্তিকর ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ড চাইবে। অসংখ্য এমন সাইট আছে অনলাইনে। আবার কিছু সাইট আছে, ফাইল নামানোর পর দেখবেন তা নষ্ট। আবার প্রতিপক্ষ বা শত্রু শ্রেণীর কাউকে ঝামেলায় ফেলার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল প্রচারণা চালাতে ইন্টারনেট এক ধরনের লোকের প্রথম পছন্দ। এখানে যে কেউ লেখতে পারে, তার কথা শেয়ার করতে পারে এবং তা অন্যায় উদ্দেশ্যে প্রায়ই ব্যবহৃতও হচ্ছে। একবার বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার টমি হিলফিজার সম্পর্কে বলা হলো—তিনি উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রে সম্পর্কে বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন। চেইন মেইলে লাখ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে এ তথ্য পাঠানো হলো এবং বলা হলো তার তৈরি পোশাক বর্জন করার জন্য। অনেক দিন পর জানা গেল, ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভুয়া কিন্তু ততদিনে টমির ব্যবসায়িক ভাবমূর্তি পুরো শেষ।

কালোবাজার
যদিও আমাদের মতো দরিদ্র দেশে কপিরাইট আইন পুরোপুরিভাবে কার্যকর হওয়ার পক্ষে আমি নিজেও নই, তবু কিছু কথা থেকে যায়। নতুন একটি অডিও অ্যালবাম বের হলো বা সিনেমা বের হলো, এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ভালো দিক, কারণ বিনামূল্যে সে ফাইলটি ডাউন লোড করতে পারছে। কিন্তু শিল্পী বা পরিচালকের জন্য চরম কষ্টকর এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ। প্রতি বছর দুনিয়াজুড়ে অনলাইনের কারণে মিডিয়াগুলো হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার বাজার। এছাড়াও অনলাইনে ইদানীং বন্যপ্রাণী পাচার এমনকি মাদকদ্রব্য পাচারও হয়ে থাকে।

হয়রানি
সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর এটি আরেক সমস্যা। ছদ্মনামে থাকায় আপনি আপনার বন্ধুদের শনাক্ত করতে পারবেন না বেশিরভাগ সময়ই। তাদের সঙ্গে মেশার পর আপনার নানা তথ্য নিয়ে আপনাকে নানাভাবে হয়রানি করা হতে পারে।

শিশু পর্নোগ্রাফি
ভয়াবহ একটা ব্যাপার ধীরে ধীরে বেড়ে চলছে ইন্টারনেটের কারণে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অনলাইনের পর্নোগ্রাফির ২০ ভাগই চাইল্ড পর্নো। বিলিয়ন ডলারের এক শিল্পে পরিণত হওয়ায় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াটাও বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি অ্যাডাল্ট সাইটগুলোতে ৫ বছরের শিশুরও নগ্ন ছবি ভিডিও আপলোড করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর ফলে একটি প্রজন্মকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে।
সূত্র : আমার দেশ

Saturday, October 8, 2011

যেসব কারণে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে || আহসান হাবিব

আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার অধিকারী ফেসবুক ব্যবহার করছেন প্রতিদিন। শত শত বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। একদিন ফেসবুকে না ঢুকলে ভালো লাগে না। তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, ফেসবুক যে কোনো সময় বিনা নোটিশে আপনার এই শখের অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিতে পারে।
আর তাই আমাদের সবারই সতর্ক থাকা উচিত এবং জানা থাকা উচিত যেসব কারণে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে।

পর্নোগ্রাফি
এটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার একটি অন্যতম প্রধান কারণ। আপনার ফেসবুক প্রোফাইল বা অন্য কোথাও আপনি যদি এ ধরনের কোনো ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করেন, তাহলে ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান করে দিতে পারে কোনো অ্যাবিউজ রিপোর্ট অথবা নোটিশ ছাড়াই।

ভাষার অপব্যবহার
স্ট্যাটাস আপডেট অথবা মেসেজ আদান-প্রদানের সময় আপনার ভাষার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। বাজে ভাষা ব্যবহার করলে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা কেউ আপনার নামে রিপোর্ট করতে পারে এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভূয়া প্রোফাইল
আপনি যদি আপনার নিজের নামের বদলে কোনো সেলিব্রেটি অথবা অন্য কারও নাম ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হবে খুব তাড়াতাড়ি। তবে এজন্য কাউকে অভিযোগ পাঠাতে হয়।

ভয়-ভীতি বা হুমকি প্রদর্শন
কাউকে হুমকি দেয়ার জন্য কখনোই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না। এমনকি মজা করার জন্য হলেও না। ফেসবুক এ বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে নেয় এবং খুব দ্রুত অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দেয়।
স্প্যামিং করা
শুধু ফেসবুক নয়, পুরো ইন্টারনেট জগত এটিকে ঘৃণা করে। আপনার পণ্য বা ওয়েব সাইট প্রমোট করার জন্য ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করাই ভালো। তবে একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত এটি করা যেতে পারে যেটি স্প্যামিংয়ের পর্যায়ে পড়ে না।

অতিরিক্ত বন্ধু রিকোয়েস্ট
প্রতিদিন ২০টির বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না। যত কম হয় ততই ভালো। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার এটি আরেকটি অন্যতম কারণ।

অনেক গ্রুপে জয়েন করা
খুব বেশি গ্রুুপে জয়েন না করাই ভালো। ফেসবুক এটি ভালো চোখে দেখে না। আর গ্রুপগুলো থেকে মেসেজ এসে আপনার ইনবক্স ভর্তি হয়ে যেতে পারে প্রতিদিন।

অতিরিক্ত মেসেজ
আপনি যদি আপনার বন্ধুদের ওয়াল অথবা ইনবক্সে প্রতিদিন অনেক বেশি সংবাদ বা মেসেজ পোস্ট করেন, তাহলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর একই মেসেজ বার বার দিতে চাইলে সেখানে কিছুটা পরিবর্তন করে দিন। নাহলে ফেসবুক এটি স্প্যাম হিসেবে ধরবে হয়তো। মূলত ফেসবুক ব্যবহারের সময় এই বিষয়গুলোর দিকে একটু খেয়াল রাখলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার তেমন কোনো আশঙ্কা থাকবে না। আর ফেসবুক ব্যবহারও হয়ে উঠবে মজার ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।

Monday, June 20, 2011

মাত্র ৫ টাকা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন আপনার পোর্টেবল মোবাইল চার্জার... ।। আহাম্মেদ খালিদ



আমরা কম বেশী সবাই মোবাইল ব্যাবহার করে থাকি, কেউ কথা কম বলি আবার কাউকে সারাদিন হয়ত কাজের নাহয় আকাজের কথা বলতে দেখা যায়। মোবাইলের প্রধান শক্তি হল তার পাওয়ার, যেটা ব্যাটারিতে সন্চিত থাকে। আমরা যারা সারাদিন অফিসে বা বাইরে থাকতে হয় বিভিন্ন কাজে তাদের অনেক সময় দেখা যায় মোবাইলের চার্য নিয়ে প্রায়ই বিপাকে পরতে হয়। অনেকে হয়ত চার্জার পকেটে নিয়ে ঘুরেন আর এটা পকেটে রাখাও এক ঝামেলার কাজ। আর ভাল একটা চার্জারের দামও অনেক, তাই আজ আমি আপনাদের এমন একটা চার্জারের কথা বলব যা আপনি মাত্র কয়েক টাকা দিয়ে নিজেই বানিয়ে নিতে পারবেন। আর এটা বহন করতেও আপনার কোন ঝামেলা হবেনা। তবে এটা তাদেরই কাজে আসবে যারা কম্পিটার ব্যাবহার করেন।

আসুন তাহলে চার্জারটা আমরা কিভাবে বানাব সেটা দেখে নিই:
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যাবহার করি তারা USB সম্পর্কে ভাল করেই জানি, আমরা USB মাউস, কি বোর্ড আরও অনেক কিছু ব্যাবহার করে থাকি। অনেক সময় মাউস বা কি বোর্ড খারাপ হয়ে যায় এবং তা আমরা ফেলে দিই। আজ আমি আপনাদের সেই ফেলে দেয়া জিনিসটাকেই কাজে লাগানোর ট্রিক্স শিখিয়ে দিব, আমরা আমাদের মোবাইলের চার্জার বানাব সেই ফেলে দেয়া মাউস অথবা কি বোর্ড এর ক্যাবল দিয়ে।
প্রথমে আপনাকে একটা USB ক্যাবল জোগার করতে হবে আর আপনার মোবাইলের একটা চার্জার পিন, পিন আপনি যে কোন ইলেকট্রিকের দোকানেই পাবেন, হয়ত ৫ টাকার মত নিবে। এখন আপনি সেই ক্যাবল টার উপরের প্লাস্টিকের আবরন টা কিছুটা উঠিয়ে নিন, সেখানে দেখবেন ৪ রকমের তার আছে আপনাকে সেখান থেকে কালো এবং লাল টি ছাড়া বাকি দুটি টেপ দিয়ে পেচিয়ে নিন যেন একটির সাথে আরেকটি না লাগে।


চার্জিং পোর্টের ভিতরের অংশের সাথে লাল তারটি এবং উপরের অংশের সাথে কালো তারটি পেচিয়ে নিন। তারপর টেপ দিয়ে পেছিয়ে নিন। ব্যাস হয়ে গেল একটি সুন্দর USB চার্জার।


এটা আপনি অফিসে বা পকেটে পুরে যে কোন জায়গায় অনায়েসে বহন করতে পারবেন। এটা আপনি ল্যাপটপ বা ডেস্সটপ যেখানে ইচ্ছা ব্যাবহার করতে পারবেন। আপনার নোকিয়া সেটের সঙ্গে যে চার্জারটি তার পরিমাপ হলো ৫ ভোল্ট এবং ৫০০ মিলি এ্যাম্পিয়ার । ফলে আপনার ব্যাটারী বাজারের অন্যান্য চার্জরের তুলনায় দ্রুত চার্জ হয়। আর কম্পিউটারের USB Port এর পরিমাপ হলো ৫ ভোল্ট ১০০ মিলি এ্যাম্পিয়ার । যেহেতু এর কারেন্টের পরিমাণ খুবই কম – মাত্র ১০০ মিলি এ্যাম্পিয়ার , সেহেতু USB Port দিয়ে ব্যাটারী চার্জ হতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে। ঠেকার কাজ যদি চলে তাতে খারাপ কি ?

ধন্যবাদ আপনাকে, পোষ্টটা পড়ার জন্য।

তথ্যসূত্র: নকিয়া 

Wednesday, June 15, 2011

কম্পিউটার রিস্টার্টের কারণ ।। নবাব আমিন

কম্পিউটার মাঝে মধ্যেই বিরক্তিকর সব কাণ্ড ঘটায়। পরিচিত সব ছোটখাটো ঝামেলার মধ্যে কিছুক্ষণ চলার পর রিস্টার্ট হওয়া কিংবা অপারেটিং সিস্টেম চালুর ঠিক আগে কম্পিউটার রিস্টার্ট হওয়াটা প্রায় সব কম্পিউটারে কম-বেশি ঘটে। অনেক কারণেই কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হতে পারে_ কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে। * র‌্যামের কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে র‌্যাম কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা র‌্যামের চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। * এটা একটা কমন সমস্যা। হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ। ড্রাইভের ওপর মাউচের রাইট সাইট ক্লিক করে এরর চেক করতে পারেন অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে। * ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে। * বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে। * বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। * বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

Wednesday, May 18, 2011

নোটপ্যাডের মাধ্যমে নিজেই বানান ক্যালকুলেটর ।। মেহেদি হাসান শিশির

হিসাব নিকাশ করতে গেলে ক্যালকুলেটর লাগেই। আর সে ক্যালকুলেটরটি যদি হয় নিজের বানানো তাহলে কেমন হয় ? আসুন জেনে নিই কিভাবে ক্যালকুলেটর বানানো যায়। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা ইচ্ছে করলে নোটপ্যাডের সাহায্যে নিজেই ক্যালকুলেটর
বানাতে পারেন। এজন্য নোটপ্যাড
ওপেন করে নিচের কোডটি হুবহ নোটপ্যাডে লিখুন অথবা কপি করুন-

@echo off
color 1F
title MY CALCULATOR
:loop
cls
echo Created by "Your Name Here"
echo Assist by Mahedi Hasan Ccr

echo Presente by Jaher Rahman
echo www.jonaaki.tk
echo.
echo My Calculator
echo -----------------------------------------------
echo * = MULTIPLY
echo + = ADD
echo - = SUBTRACT
echo 2 = SQUARED
echo / = DIVIDE
echo After an equation, type CLEAR to clear the screen of your equations, type KEEP to leave them there, or type EXIT to leave.
echo -----------------------------------------------
:noclear
set /p UDefine=
set /a UDefine=%UDefine%
echo.
echo =
echo.
echo %UDefine%
echo KEEP, CLEAR, OR EXIT?
set /p clearexitkeep=
if %clearexitkeep%==CLEAR goto loop
if %clearexitkeep%==clear goto loop
if %clearexitkeep%==KEEP echo. && goto noclear
if %clearexitkeep%==keep echo. && goto noclear
if %clearexitkeep%==EXIT (exit)
if %clearexitkeep%==exit (exit)
:misspell
echo.
echo -----------------------------------------------
echo You misspelled your command. Please try again (make sure you are typing in all caps o smalls).
echo Commands:
echo CLEAR Clear all previous equations and continue calculating.
echo KEEP Keep all previous equations and continue calculating.
echo EXIT Leave your calculating session
echo Enter in a command now.
set /p clearexitkeep=
if %clearexitkeep%==CLEAR goto loop
if %clearexitkeep%==clear goto loop
if %clearexitkeep%==EXIT (exit)
if %clearexitkeep%==exit (exit)
if %clearexitkeep%==KEEP goto noclear
if %clearexitkeep%==keep goto noclear
goto misspell


এখন file/save as এ গিয়ে save as type হিসেবে all files নির্বাচন করে my calculator.bat নামে এটি সেভ করুন। ফাইলটিতে ওপেন এবং হিসাব নিকাশের কাজে এটি ব্যবহার করুন।

Wednesday, March 30, 2011

মাইক্রোসফট এক্সেল দিয়ে সহজেই বয়স হিসাব করুন

অনেকেই বয়স বের করার পদ্ধতি জানেন না। বা অনেক সময় এটি ভুল হয়ে যায়। আপনি ইচ্ছা করলে সহজেই মাইক্রোসফট এক্সেল দিয়ে বয়স, যেকোনো তারিখে আপনার বয়স বের করতে পারেন। এজন্য ডাউনলোড করুন age calculator এক্সেল ডকুমেন্টটি। এটি ওপেন করে এর Current Date দিন এবং Date of Birth Change করুন। ব্যস হয়ে গেল নিচে পেয়ে যাবেন আপনার বর্তমান বয়স।

Friday, March 25, 2011

ফ্রি কল করুন

ওয়েবসাইটের খোঁজ পেলাম যেটা দিয়ে কম্পিউটার থেকে মোবাইলে ফ্রি কল করা যায়। দিনে দুইটা কল করা যাবে ফ্রি তে। আইপি পরিবর্তন করে আরও বেশী করা যেতে পারে।

ঠিকানাটা হল - http://evaphone.com/

একসাথে ৫০-১০০ বা তারও বেশী ছবি রিসাইজ করুন ।। শাহিন

ফটোশপ ৭ বা সি.এস দিয়ে এর সমাধান করতে পারেন। যা করতে হবে:

১। যে ফোল্ডার এর অরজিনাল ছবি আছে, তার সাথ রিসাইজ নামে আরেকটি ফোল্ডার তৈরি করুন।
২। ফটোশপ চালু করুন এবং view হতে action বা ALT+ F9 চাপুন।( যদি একশন প্যালেট চালু না থাকে।) ৩। এবার প্যালেট এর create new action baton ক্লিক করে name text box এ resizepic টাইপ করে Record baton এ ক্লিক করুন।

৪। এবার file>open এ ক্লিক করে আপনার অরজিনাল ফটো ফোল্ডার হতে যে কোন একটি ফটো অপেন করুন।
৫। এবার image>image size এ ক্লিক করে, width 800 and height 600 type করুন। ok বাটনে ক্লিক করুন।

৬। এখন file>save as এ ক্লিক করে format এর drop down baton এ ক্লিক করে JPEG(*.jpg,*.ipeg,*.jpe)সিলেক্ট করন এবং ফাইলের নাম পরিবতন না করে শুধুমাত্র আপনার resize folder লোকেশন নিধারন করে save baton এ ক্লিক করুন। JPEG OPTIONS এর Qulity box এ ৫ অথবা ৪ টাইপ করুন। এবার OK বাটনে ক্লিক করুন।

৭। ফটো ফাইলটি বন্ধ করুন। একশন প্যালেট এর stop এ Cilck করুন ।

৮। File>automate>batch এ ক্লিক করুন।

৯। এবার action dropdown হতে resizepic selet , অতপর source হতে Folder এবং choose এ ক্লিক করে আপনার অরজিনাল ফোল্ডার সিলেক্ট করে দিন। একইভাবে destination হতে Folder এবং choose এ ক্লিক করে আপনার Resize ফোল্ডার সিলেক্ট করে দিন। Ok বাটনে ক্লিক করুন।

১০। দেখুন আপনার অরজিনাল ফোল্ডার হতে ( হতে পারে আপনার অরজিনাল ফোল্ডার এ হাজার এর উপরে ছবি আছে, তাতে ও কোন সমস্যা নেই। ) অটোমেটিক একের পর এক করে Resize folder এ জমা হচ্ছে, আপনার নতুন সেটিং অনুযায়ী । এই প্রসেস চলাকালিন JPEG OPTIONS box আসলে OK বাটনে ক্লিক করুন।

Tuesday, March 15, 2011

উইন্ডোজ এক্সপিতে ভাইরাস আক্রমণ সাবধান !

মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপিতে ভাইরাস আক্রমণ দেখা দিয়েছে। লাইসেন্সকৃত ব্যবহারকারী যাঁরা মাইক্রোসফটের বিশেষ ক্ষুদ্র আপডেট (প্যাচ) ছাড়াই কম্পিউটার ব্যবহার করছেন, তাঁদের কম্পিউটারে এ আক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উইন্ডোজের সর্বশেষ নিরাপত্তা হালনাগাদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে রুটকিট নামক একটি ভাইরাসের আক্রমণের ফলে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। যে কম্পিউটারে এ ভাইরাস আক্রমণ করেছে, সেসব কম্পিউটারে নিরাপত্তা হালনাগাদ হচ্ছে না।গত শুক্রবার উইন্ডোজ এক্সপির সর্বশেষ একটি নিরাপত্তা হালনাগাদ বের হয়। যখন এ ভাইরাসটি কম্পিউটারে থাকে, তখন বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর নাম, ব্যবহূত গোপন নম্বর ও ক্রেডিট কার্ড নম্বর চেয়ে থাকে। ২০০৮ সালে প্রথম বের হওয়া এ ভাইরাসটি বিভিন্ন ধরনের ফোরাম, ওয়েবসাইট এবং লিংকে ক্লিক করে আয় করুন ইত্যাদির মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। এ ভাইরাসটি কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পরিবর্তন করে দেয়, ফলে নতুন নিরাপত্তা হালনাগাদ ইনস্টল হয় না। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন পর্যন্ত কতজন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তা জানাযায়নি। তবে আতঙ্কিত না হয়ে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা হালনাগাদ ব্যবহারের আগে রুটকিট ভাইরাসের মুছে ফেলার প্রোগ্রাম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

সূত্র : প্রথম আলো

USB দিয়ে ভাইরাস আর ঢুকবেনা আপনার কম্পিউটারে !

ডাটা ট্রাভেলার USBs and/or MP3 devices এর চেয়ে উপকারী বিষয় কমই আছে। এর যেমন উপকারী দিক আছে ঠিক তেমন অপকারী দিকও রয়েছে। যতই উপকারীতা থাক কম্পিউটারে ভাইরাস (Torjan, Spywares, Malwares) ছড়ানোর একমাত্র মাধ্যম ঐ সকল portable storage devices। সবচেয়ে ড্যাঞ্জারাস যেইটা সেটা হলো অটোরান, অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কমান্ডের মাধ্যমে তৈরি করা হয় অটোরান ভাইরাস। অটোরান ভাইরাসের কাজ হলো পেনড্রাইভ অটোমেটিক্যলি বুট করা। আর এই অটোমেটিক্যালি বুট করার মাধ্যমেই ছড়িয়ে অন্যান্য ভাইরাস সমূহ। আর এই অটোরান বন্ধ করতে নিচের সহজ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন:

1. Start Menu, থেকে Run এ ক্লিক করুন।

2. gpedit.msc টাইপ করে এন্টার করুন

3. ‘Group Policy‘, নামের একটা উইন্ডো আসবে।

4. প্রথমে ‘Administrative Templates‘ এবং তারপর ‘System‘, এ ক্লিক করুন

5. ডান প্যানেলে ‘Turn off Autoplay‘ তে ডাবল ক্লিক করুন

6. একটা নতুন পপ আপ উইন্ডো আসবে।

7. Settings এর ভিতর থেকে ‘Enabled‘ ক্লিক করে OK করুন।

8. Group Policy ক্লজ করুন।

আমার এই ট্রিকটি যদিও কার্যকর কোন ভাইরাস এর হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেনা। তবে এটা অটোরানের সকল ভাইরাসকে রোধ করতে পারে। তবে একটু সচেতন হলে পেনড্রাইভের সকল ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে পারেন। যেমন প্রেনড্রাইভ সবসময় এক্সপ্লোর করে ব্যবহার করতে পারেন।

আমার FM রেডিও ষ্টেশনে আমিই RJ, বানিয়ে ফেলুন আপনারটিও, মাত্র ২৫ টাকায়, খুব সহজে!!!

ইলেকট্রনিক্স সম্পর্কে যাদের মৌলিক জ্ঞান আছে এবং ইতমধ্যেই ছোটখাট দু-একটি সার্কিট বানিয়েছেন তারা অতি সহজেই বানাতে পারেন আপনার নিজস্ব FM রেডিও ষ্টেশনটি।

এই সাকির্টের মুল বৈশিষ্ট গুলো হলঃ

১. মাত্র তিন ভোল্ট ডিসিতে চলে (২টি পেন্সিল অথবা বাটন ব্যাটারী) তাই সহজে বহনযোগ্য
২. ফ্রিকোয়েন্সি ৮০-১১০ মেগা হার্জ এবং রেন্জ ১০০-১৫০ মিটার (১০০ মিটারের অধিক দুরত্বের ট্রান্সমিটার বানানো এবং ব্যবহার বাংলাদেশে নিষিদ্ব)
৩. খুবই অল্প স্হানে (ভেরো বোর্ড বা প্লাস্টিকের উপর) তৈরি করা যায় এমনকি একটি ঝরণা কলমের ভেতরেও রাখা যায় (বুঝতেই পারছেন কোন ধরনের ব্যবহারের কথা বলছি!)
৪. কয়েল বানানোর জন্য কোন ফেরিট কোরের দরকার নাই, ২২ নং তার (মোটর রিপায়ারিং দোকানে পাবেন) একটি গোল পেন্সিলের উপর ৪ প‌্যাঁচ দিলেই আপনার কয়েল রেডি।
৫. সব রেজিস্টর ১/৪ ওয়াটের হবে। 0.1uf টি হলো ইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর ১৬ বা ২৫ ভোল্টের হলেই চলবে এবং + - দেখে লাগাবেন।
৬. MIC হিসেবে কন্ডেন্সার মাইক ব্যবহার করবেন, দাম ৫ থেকে ১০ টাকা ।
৭. 5pf ট্রিমার দিয়ে FM ব্যান্ডে 88-108 MHz এ ট্রান্সমিটারের ফ্রিকোয়েন্সি সেট করতে হবে।এন্টেনা হিসেবে ১ ফুট বা এর অধিক লম্বা যেকোন ধাতব তার ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কি করবেন ?

অনেকদিন ল্যাপটপটা ব্যবহার করা হয়না, ডেক্সটপ নিয়াই আছি। আসলে ডেক্সটপ যতটা রাফভাবে ইউজ করা যায় ল্যাপটপ করা যায়না। তো হটাৎ করে একটা অতি পার্সোনাল ডকুমেন্ট দরকার হওয়ায় ল্যাপটপ ওপেন করলাম।লোড হওয়ার পর পাওয়ার্ড দেই, পাসওয়ার্ড নেয়না।যতবারই পাসওয়ার্ড দেই বলে আপনি কি আপনার পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?? আবার চেস্টা করুন কোনো পাসওয়ার্ড হিন্টসও নাই বুঝলাম আমি সত্যিই আমার পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি। এটা হল আমার এই পোস্টের পটভূমি।আমি অবশ্য পরে ট্রায়াল এন্ড এরর পদ্ধতিতে ২৫-৩০ বারের চেষ্টায় আমার পাসওয়ার্ড উদ্ধার করেছিলাম। এবার দেখা যাক আপনি পাসওয়ার্ড একদমই ভুলে গেলে কি করবেন। পদ্ধতি ১ :
আপনার সিপিউ (CPU) খুলে এর সিমস(CMOS) এর লিথিয়াম ব্যাটারীটা খুলে ফেলুন এবং ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর আবার লাগিয়ে দিন এবং পিসি রিস্টাট দিন (এটা শুধু বায়োসের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে প্রযোজ্য)

পদ্ধতি ২ :
যে সব কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম উইনডোজ XP সেগুলার অধিকাংশতেই administrator account হিডেন থাকে এবং কুনো পাসওয়ার্ড থাকেনা। পিসি রিস্টাট দেয়ার পর ওয়েলকাম স্কিন / উইনডোজ লগঅন স্কিন ওপেন হবে, সেখান থেকে অ্যাডভান্সড লগইন স্কিন এ যেতে হবে।এইজন্য পরপর দুইবার একইসাথে CTRL+ALT+DEL প্রেস করুন। এবার টাইপ ইউজার নেইম Administrator এবং enter প্রেস করে লগইন করুন এবং আপনার একাউন্ট রিসেট করে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করুন।
একাউন্ট রিসেট করে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করার জন্য
ক্লিক Start এবং তারপর ক্লিক Run।Run এর বক্স এ "control userpasswords2" টাইপ করুন কোনো quotes ছাড়াই।
এখন আপনি এখান থেকে administrators অ্যাকাউন্ট সহ সব অ্যাকাউন্টই অ্যাকসেস করতে পারবেন এবং আপনার হারানো পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন। administrator/অন্য যে কোনো ইউজার একাউন্ট এ ক্লিক করুন এবং ক্লিক Reset Password. একটা নতুন পাসওয়ার্ড সেট করে কনফার্ম করে OK ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।পিসি রিস্টাট দিয়ে পুনরায় লগইন করুন।

পদ্ধতি ৩ :
এই পদ্ধতিও যে সব কম্পিউটারের administrator account হিডেন থাকে এবং কুনো পাসওয়ার্ড থাকেনা তার জন্য প্রযোজ্য।
আপনার কম্পিউটার রিস্টাট দিয়ে বারবার F8 চাপতে থাকুন । নতুন window ওপেন হলে সেখান থেকে Safe mode এ ক্লিক করুন। অপক্ষা করতে থাকুন যতক্ষন পর্যন্ত লগইন স্কিন ওপেন না হয়।এইবার লগইন স্কিন থেকে Adminisrtrator এবং পরে YES ক্লিক করে লগইন করুন।এখন আপনি যা করতে চান তাই করতে পারবেন। কিন্তু Administrator একাউন্টে পাসওয়ার্ড থাকলে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না তখন পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক তৈরি করতে হবে (পদ্ধতি ৬ )।
এই পদ্ধতিতে লগইন করতে পারলে Adminisrtrator এবং অন্যান্য একাউন্টের পাসওয়ার্ড রিসেট এবং পুনরায় সেট করার পদ্ধতি ২ এরটা ছাড়াও আরও দুইটা পদ্ধটি আছে।

সাব-পদ্ধতি ১ :
My Computer এর উপর মাউসের রাইট ক্লিক করুন, Manage এ যান এবং local user and groups এর উপর ক্লিক করুন। তারপর user এর উপর ডাবল ক্লিক করুন এবং তারপর ইউজার নেইম উদাহরনসরুপ "System Engineer" এর উপর রাইট ক্লিক করুন এবং set password এর উপর ক্লিক করুন। তারপর আপনার নতুন পাসওয়ার্ড সেট করুন এবং পিসি রিস্টাট দিয়ে পুনরায় লগইন করুন।

সাব-পদ্ধতি ২ :
control panel ওপেন করুন. সেখান থেকে user account আইকনে ক্লিক করুন এবং আপনি যে অ্যকাউন্ট এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন সেই অ্যকাউন্ট এ ক্লিক করুন। তারপর ক্লিক "remove password" তাহলে আপনার অ্যাকাউন্টটি পাসওয়ার্ড ফ্রি হবে। এখন আপনি ইচ্ছা করলে নতুন পাসওয়ার্ডও সেট করতে পারেন।
পদ্ধতি ৩ তখনই কাজ করবে যদি আপনার হিডেন administrator account এ কোনো পাসওয়ার্ড না থাকে এবং আপনার অপারেটিং সিস্টেম যদি Windows XP হয় কারন Windows Vista এ সেইফ মুডে হিডেন administrator account অ্যাকসেস করা যায় না. 

সূত্র : অপেস্ট

Sunday, March 13, 2011

মাউস হাতে ব্যথা বাড়ায়

কম্পিউটারে যারা কাজ করেন তারা প্রায়ই হাতে ব্যথার সমস্যায় ভোগেন। কাজ করার সময় ভুলভাবে মাউস ব্যবহারের ফলে হতে পারে এ ব্যথা। চিকিত্সাশাস্ত্রে এর নাম রিপেটিটিভ স্ট্রেইন ইন্জুরি তথা আরএসআই। এটি মাউস আর্ম নামেও পরিচিত। এ থেকে মুক্তি চাইলে মাউস ব্যবহার কমিয়ে কি-বোর্ডের ব্যবহার বাড়াতে হবে। আর এ ধরনের কোনো ব্যথার লক্ষণ দেখা দিলে বা কোনো কিছু তুলতে গিয়ে হাতে ব্যথা অনুভূত হলে, দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্নায়ুবিদের কাছে যাওয়া উচিত। ডাক্তারের কাছে যেতে যত দেরি করবেন ততই এ ব্যথা চিরস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকবে।
জার্মান অ্যাসোসিয়েশন অব নার্ভ ডক্টরসের প্রধান ফ্র্যাঙ্ক বার্জম্যান বলেন, হাত বা বাহুর নিচে টনটন করা, অসাড়তা বা দুর্বল বোধ করা হচ্ছে এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। বেকায়দায় মাউস ধরে অনেকক্ষণ ব্যবহার করলে হাতের কোষগুলো আঘাতপ্রাপ্ত হতে থাকে, যা থেকে স্নায়ুতন্ত্রে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হয়। এই ব্যথা প্রাথমিকভাবে মস্তিস্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এ ব্যথা থেকে মুক্তির উপায় জানাতে এই স্নায়ুবিজ্ঞানী বলেন, মাউসের ব্যবহার কমিয়ে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। মাউসের অনেক কাজই কিবোর্ড দিয়ে করা যায়। কিবোর্ডের সেসব কমান্ড জেনে নিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে হবে।
মাউসের আকৃতিও হতে হবে হাতের সঙ্গে মানানসই। এছাড়া মাউস প্যাডও হাতের ব্যথা উপশমে সাহায্য করে। তাই প্যাডবিহীন মাউস ব্যবহার করা উচিত নয়।
মাউস বাদে অন্যান্য অপশন যেমন ভয়েস রিকগনিশন পদ্ধতি ব্যবহার করেও মাউসের ওপর চাপ কমানো যায়। এতে হাতের ওপর থেকেও চাপ কমবে। বার্জম্যান পরামর্শ দিতে গিয়ে বলেন, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ টান টান করা ধরনের ব্যয়াম, স্বাভাবিকভাবে হাত নাড়াচাড়া করা সেই সঙ্গে কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিলে হাতের পেশির ওপর থেকে চাপ কমে।

সূত্র : আমার দেশ

Saturday, March 12, 2011

নেট স্পিড কম হলেও ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় আর ছবি আটকে যাবে না ।। নঈম মাহমুদ

আমরা প্রায় সবাই You tube এর ভিডিও দেখে থাকি। কিন্তু অনেক সময় উন্নত স্পীডের ইন্টারনেট কানেকশন না থাকার কারনে You tube এ ভিডিও বাফার হতে অনেক বেশী সময় নেয় যা খুবই বিরক্তিকর। এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলে মুক্ত করতে পারে Speed Bit Video Accelerator নামের একটি সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটি You tube এর ভিডিওকে দ্রুত বাফারিং করবে। এছাড়াও এটি থেকে আপনি ভিডিও সার্চিং সুবিধাও পাবেন। সফটওয়্যারটি থেকে পছন্দের ভিডিও এর লিংক শেয়ার করতে পারবেন টুইটারে। এটি জনপ্রিয় সকল ব্রাউজারেই চলবে। সফটওয়্যারটি ডাওনলোড করুন http://www.videoaccelerator.com/download

Wednesday, February 9, 2011

ফটোশপ ছাড়াও অনলাইনে চমকপ্রদ ডিজাইন :: আহসান হাবিব

বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকেরই ফটোশপের ওপর কাজ করা হয়ে উঠে না। কারণগুলো অনেক রকম হতে পারে, যেমন কেউবা অন্য অপারেটিং সিস্টেম ইউজ করছেন যাতে ফটোশপের এক্সিকিউটিভ ফাইল সাপোর্ট করে না, আবার কেউবা সঠিক জ্ঞানের অভাবে এতে কাজ থেকে বঞ্চিত হয়। কিন্তু তাই বলে কারও ছবি এডিট বা একটু ডিজাইন করতে মন চায় না, তা ভুল কথা। তবে কোনোরকম কাজের জ্ঞান ছাড়াই ছবিকে করে তুলতে পারবেন চমত্কার সব ডিজাইন দিয়ে, তাও একটি নয়, দুটি নয় মোট ১৯৫টি ডিজাইনে!
ঢ়যড়ঃড়ভঁহরধ.পড়স নামের ওয়েবসাইটটিতে গেলে প্রথমেই দেখতে পাবেন মোট ১৯৫টি ডিজাইন পরিবেশন করা হয়েছে, যাতে বিভিন্ন ডিজাইনের আউটপুট দেয়া আছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফটো এক্সটেনশন সাপোর্ট করে এবং আউটপুট দেয়, যেগুলো হলো JPG/JPEG (Joint Photographic Experts Group), GIF, PNG (Portable Network Graphics). তবে ছবিটা বা ভিডিওটা ১০ মেগাবাইটের মধ্যে হতে হবে।
এর জন্য প্রথমে ফটোফানিয়া সাইটে যান, তারপর ১৯৫টা ডিজাইন থেকে যেকোন একটা ডিজাইন সিলেক্ট করুন। এ ক্ষেত্রে আপনি হয়তো Newspaper ডিজাইনটা সিলেক্ট করেছেন। ডিজাইনটির ডানে Choose File বা ছবি নির্বাচন আছে, ছবি বা স্টিল পিকচার হলে Browse চাপুন আর ভিডিওকে ডিজাইন করতে ডানের ভিডিওর চিহ্ন ক্লিক করুন।
এখন আপলোড হতে থাকবে এবং আপনার নেট স্পিড ও ফাইল সাইজ অনুযায়ী সময়ক্ষেপণ হবে। আপলোড শেষে স্কয়ার সাইজে ক্রপ করার অপশন দেবে। তবে মনে রাখবেন রেশিও ১:১।
ক্রপ শেষে আপনাকে ক্রপকৃত অংশ দেখাবে, ভালো লাগলে এঙ চেপে এগিয়ে যান আর অন্য অংশ ক্রপ করতে চাইলে ঊউওঞ করে নিন
ব্যস! আপনার আউটপুট চলে এসেছে। দেখুন কি চমত্কার একটা ডিজাইন হয়ে গেল খুব সহজে।
এখন আপনি ইচ্ছে করলে আপনার পিসিতে সে ফাইলটা সেভ করে রাখতে পারেন বা পোস্টকার্ড হিসেবেও কাউকে পাঠাতে পারেন। আবার ইচ্ছে হলে এখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটে শেয়ার করতেও পারেন। সাইটগুলো হলো : ফেসবুক, মাই-স্পেস, হায়৫, টুইটার, অরকুট, ফ্রেন্ডস্টারসহ যেকোন ব্লগ বা ওয়েব সাইট বা যে কোন ফোরামে। আবার পেতে পারেন সরাসরি লিঙ্কও।
এরকম আরও কয়েকটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা হলো—
http://www.befunky.com
http://www.dumpr.net
http://www.fotocrib.com
http://www.fototrix.com
http://funny.pho.to
http://funphotobox.com
http://jpgfun.com
http://www.hairmixer.com
http://www.loonapix.com
http://www.magmypic.com
http://www.picartia.com
http://www.photo505.com
http://www.photovisi.com
http://www.pizap.com/application.php
http://www.writeonit.org
এবার মনের মতো ডিজাইন দিয়ে চমকে দিন সবাইকে।

সূত্র : আমার দেশ

Saturday, February 5, 2011

মোবাইল ফোনে বিনামূল্যে জানুন ফেসবুক আপডেট by আতাউর রহমান কাবুল

সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক কম্পিউটারে ব্যবহার করার পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকেও ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। এর জন্য মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হয় না। অন্যান্য দেশের ব্যবহারকারীরা এসব নোটিফিকেশন ই- মেইলের পাশাপাশি মোবাইল ফোনেও পেয়েছেন এতদিন। এবার আমাদের দেশেও এসেছে এ সুযোগ। সম্প্রতি বাংলাদেশের দু’টি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক ব্যবহারকারীদের জন্য এ সুবিধাটি চালু করেছে। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও এখন স্ট্যাটাস আপডেট, কারও ওয়ালে পোস্ট করা এবং নোটিফিকেশন মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে দেখার সুবিধা রয়েছে।
কীভাবে পাবেন এ সেবা?
এর জন্য ফেসবুকে কিছু সেটিংস পরিবর্তন করে নিতে হবে। এজন্য ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটার থেকে প্রথমে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করুন। এবার Account থেকে Account Settings অপশনে যান।
এবার Account Settings থেকে Mobile লেখা ট্যাবে যেতে হবে।
মোবাইল ট্যাবে গেলে নিচের একটি পেজ খুলবে। যেখানে একেবারে নিচে লেখা রয়েছে Already received a confirmation code?। এ লেখাটির ওপর ক্লিক করুন।
এরপর যে মোবাইল নম্বর থেকে ফেসবুক স্ট্যাটাস আপডেট করতে চান এবং নোটিফিকেশন পেতে চান সেটির মেসেজ অপশনে গিয়ে fb লিখে গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা ২৫৫৫ নম্বর এবং বাংলালিংক ব্যবহারকারীদের ৩২৬৬৫ নম্বরে একটি এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ব্যবহারকারীকে একটি Confirmation Code পাঠানো হবে। এবার ফেসবুকের মোবাইল ট্যাবের নিচে Already received a confirmation code? লেখা বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে। এবার যে Confirmation Code-টি এসএমএসে এসেছে সেটি কনফার্মেশন বক্সে লিখতে হবে।
এবার Confirm-এ ক্লিক করুন। এখন কী কী নোটিফিকেশন মোবাইলে পেতে চান তার সেটিংগুলো ঠিক করে দিন। এরপর থেকে ফেসবুকের সব ধরনের নোটিফিকেশন এসএমএসের মাধ্যমে পাবেন। এর জন্য অতিরিক্ত কোনো চার্জ দিতে হবে না।

সূত্র : আমার দেশ

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ