প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

Showing posts with label বিজ্ঞান ও কম্পিউটার. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও কম্পিউটার. Show all posts

Wednesday, October 19, 2011

ভাইরাসের উপস্থিতি বোঝার উপায়

নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই কম্পিউটার ভাইরাসের ব্যাপারে অভিজ্ঞ হন না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা বুঝতে পারেন না কম্পিউটার তার অজান্তে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে কি-না। সে ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো একটু লক্ষ্য করলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি-না :
— কম্পিউটারের গতি ধীর হয়ে যাবে।
— সফটওয়্যার, গেমস এমনকি অডিও-ভিডিও ফাইল চালু হতেও সময় নেবে বেশি।
— ডিস্কে ব্যাড সেক্টর বারবার দেখাবে।
— ওয়ার্ড, নোটপ্যাড ফাইলের ফন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
— র্যাম, এজিপি কম দেখাতে পারে।
— ডিস্কের ভলিউম লেবেল পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।
— কোনো কিছু সেভ হতে বা লোড হতে বেশি সময় নেবে।
— সিডি, ডিভিডি কপি হতে বেশি সময় নেবে।
— হার্ডডিস্কে জায়গা কমে যেতে পারে।
— অজানা এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল দেখা যাবে।
— স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রাম রান করবে বা বন্ধ হবে।
— ফোল্ডার অপশন মুছে যাবে।
— ওয়ার্ডে বা নোটপ্যাডে কিছু লিখলে তা অনেক ক্ষেত্রেই সেভ করা যাবে না।
— কিবোর্ড ও মাউস ব্যবহারে সমস্যা হতে পারে।
— যে গেম আগে ঠিকভাবে চলত সেগুলো কোনো কারণ ছাড়াই চলার সময় বারবার আটকে যাবে।
— পিসি হ্যাং করতে পারে।
— টাস্ক ম্যানেজার কাজ করবে না।
— অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফোল্ডারের আইকন পরিবর্তন করা যায় না।
সূত্র : আমার দেশ

 ইন্টারনেটে সেরা ১০ সমস্যা || রাজিব

হ্যাকিং ও ডাটা সিকিউরিটি
আপনার ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও হ্যাকিং সম্পর্কে নিশ্চয় শুনেছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে যে কোনো হ্যাকার আপনার পিসি অরক্ষিত অবস্থায় থাকলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা এমনকি ব্যাংকিং তথ্যও হ্যাক করতে পারে। হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার সাধের ইমেইল আইডি বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে আপনি নিজে সতর্ক থাকলে হ্যাকারদের এড়াতে পারেন বলেই সম্ভবত এই সমস্যাটিকে ব্যবহারকারীরা রেখেছে দশ নম্বরে।

প্রাইভেসি
মূলত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে প্রাইভেসি রক্ষা করা খুবই কঠিন। আপনি হয়তো বন্ধুদের শেয়ার করার জন্য কোনো ছবি বা আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য আপলোড করলেন, কিন্তু তা খুব দ্রুতই আপনার অজান্তে ছড়িয়ে পড়তে পারে লাখ লাখ ইউজারের কাছে। যদিও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এ থেকে আপনি রেহাই পেতে পারেন, তবে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন—ব্লগ, ফেসবুক, ফোরাম, এসবে আপনার ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য, মোবাইল নাম্বার শেয়ার না করাই উত্তম।

ভাইরাস
না, তালিকার প্রথম সারিতে ভাইরাস বা ওয়ার্ম নেই। যদিও ভাইরাসের প্রজননস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টারনেট। তবে বিশ্বস্ত সাইটগুলো ভিজিট করলে অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল ওপেন না করলে ভালো এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

যৌন হয়রানি
এ ব্যাপারটিও ঘটে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ও চ্যাট রুমগুলোতে। খুব ভদ্রভাবে আপনার সঙ্গে মিশবে, তারপর আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি হাতাবে, তারপর ওগুলো প্রচার করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করা হবে। আমাদের দেশীয় অসংখ্য সাইট আছে যেগুলোতে প্রতিনিয়ত এ ধরনের প্রতারণা এবং ভুক্তভোগীদের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী তা প্রথম প্রথম জানতেও পারছেন না।

অনলাইনে আসক্তি
ব্যাপারটা আর শুধু টিনেজদের মধ্যেই থেমে থাকেনি। বয়স্কদের মধ্যেও এ সমস্যাটি ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যস্ত অফিসের বড়কর্তা বা ব্যবসায়ীরাও চ্যাটিং, ব্লগিং বা অনলাইনে গেমস খেলে নষ্ট করছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়। নতুন ইউজারদের যতটা সম্ভব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ মূলত এই সাইটগুলোই অনলাইনে আসক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

প্রতারণা
দিন দিন অনলাইন প্রতারকদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে। নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বনে প্রতারকরা জালিয়াতি করে যাচ্ছে। আপনি হয়তো অফিসের কোনো কাজে বা নিতান্ত শখের বশে একটি ইমেইল আইডি খুললেন। কিছুদিন পর দেখলেন আপনার কাছে মেইল এলো একটি অনলাইন ভিত্তিক লটারি সংস্থার। তারা জানাল, আপনি তাদের অনলাইন সিলেকশনে ১ লাখ ডলারের লটারি জিতেছেন, এখন এগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ১০০০ ডলার তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে। অথবা সুদূর সিয়েরা লিওন থেকে কোনো তরুণী মেইল করল, তার বাবা ওই দেশের একজন মস্ত বড়লোক ছিল তাকে খুন করা হয়েছে। তার কোনো আত্মীয় ওই দেশে নেই। আপনাকে তার খুব ভালো লেগেছে তাই সে তার লাখ লাখ ডলার ব্যাংক থেকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে চাচ্ছে এবং সে আপনার কাছে চলে আসতে চাচ্ছে। এজন্য তার হাজার দুয়েক ডলার প্রয়োজন। আপনি যদি এদের বিশ্বাস করেন তবেই ফেঁসেছেন। এমনভাবে তারা মেইল চালাচালি করবে যে পুরো ব্যাপারটিই আপনার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে। এমনি নানা উপায়ে অনলাইনে প্রতারকরা প্রতারণার জন্য ওঁত্ পেতে বসে আছে। তাদের কাছ থেকে বাঁচতে আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি এমন কোনো ভাগ্যবান না যে লটারি বা অন্য কোনো উপায়ে রাতারাতি লাখ লাখ ডলার পেয়ে যাবেন। তাই এ জাতীয় মেইল এলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই এড়িয়ে যাবেন।

ভুল তথ্য/প্রোপাগাণ্ডা
অনলাইনের সবচেয়ে বিরক্তিকর একটি দিক এটি। আপনি কোনো সফটওয়্যার বা ফাইল নামাতে চাচ্ছেন ফ্রিতে। সার্চ দিয়ে ফ্রি সাইট বের করলেনও। তারপর দেখবেন রেজিস্ট্রেশন চাচ্ছে। এরপর নানা বিরক্তিকর ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ড চাইবে। অসংখ্য এমন সাইট আছে অনলাইনে। আবার কিছু সাইট আছে, ফাইল নামানোর পর দেখবেন তা নষ্ট। আবার প্রতিপক্ষ বা শত্রু শ্রেণীর কাউকে ঝামেলায় ফেলার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল প্রচারণা চালাতে ইন্টারনেট এক ধরনের লোকের প্রথম পছন্দ। এখানে যে কেউ লেখতে পারে, তার কথা শেয়ার করতে পারে এবং তা অন্যায় উদ্দেশ্যে প্রায়ই ব্যবহৃতও হচ্ছে। একবার বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার টমি হিলফিজার সম্পর্কে বলা হলো—তিনি উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রে সম্পর্কে বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন। চেইন মেইলে লাখ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে এ তথ্য পাঠানো হলো এবং বলা হলো তার তৈরি পোশাক বর্জন করার জন্য। অনেক দিন পর জানা গেল, ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভুয়া কিন্তু ততদিনে টমির ব্যবসায়িক ভাবমূর্তি পুরো শেষ।

কালোবাজার
যদিও আমাদের মতো দরিদ্র দেশে কপিরাইট আইন পুরোপুরিভাবে কার্যকর হওয়ার পক্ষে আমি নিজেও নই, তবু কিছু কথা থেকে যায়। নতুন একটি অডিও অ্যালবাম বের হলো বা সিনেমা বের হলো, এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ভালো দিক, কারণ বিনামূল্যে সে ফাইলটি ডাউন লোড করতে পারছে। কিন্তু শিল্পী বা পরিচালকের জন্য চরম কষ্টকর এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ। প্রতি বছর দুনিয়াজুড়ে অনলাইনের কারণে মিডিয়াগুলো হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার বাজার। এছাড়াও অনলাইনে ইদানীং বন্যপ্রাণী পাচার এমনকি মাদকদ্রব্য পাচারও হয়ে থাকে।

হয়রানি
সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর এটি আরেক সমস্যা। ছদ্মনামে থাকায় আপনি আপনার বন্ধুদের শনাক্ত করতে পারবেন না বেশিরভাগ সময়ই। তাদের সঙ্গে মেশার পর আপনার নানা তথ্য নিয়ে আপনাকে নানাভাবে হয়রানি করা হতে পারে।

শিশু পর্নোগ্রাফি
ভয়াবহ একটা ব্যাপার ধীরে ধীরে বেড়ে চলছে ইন্টারনেটের কারণে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অনলাইনের পর্নোগ্রাফির ২০ ভাগই চাইল্ড পর্নো। বিলিয়ন ডলারের এক শিল্পে পরিণত হওয়ায় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াটাও বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি অ্যাডাল্ট সাইটগুলোতে ৫ বছরের শিশুরও নগ্ন ছবি ভিডিও আপলোড করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর ফলে একটি প্রজন্মকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে।
সূত্র : আমার দেশ

Monday, September 19, 2011

নতুন যা থাকছে উইন্ডোজ ৮-এ

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ক্যালিফোর্নিয়ার এনাহাইম শহরে ১৩-১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১-এ অনুষ্ঠিত বিল্ড ডেভেলপারস কনফারেন্সে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বিভাগের প্রেসিডেন্ট স্টিভেন সিনোফস্কি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮ বাজারে আনার কথা জানিয়েছেন। কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং ল্যাপটপ প্লাটফর্মের জন্য ব্যবহৃত হবে এ সংস্করণটি।

নতুন সংস্করণটিতে কী কী থাকছে
এবার সম্পূর্ণ নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে উইন্ডোজ ৮। এ প্রসঙ্গে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বিভাগের প্রেসিডেন্ট স্টিভেন সিনোফস্কি জানিয়েছেন, ‘আমরা উইন্ডোজকে নতুন করে সাজিয়েছি। উইন্ডোজ ৯৫ সংস্করণের পর অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উইন্ডোজ ৮-কেই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্যান্য সংস্করণে মাল্টিটাস্কিং সুবিধার কথা বলা হলেও উইন্ডোজ ৮-এ পাওয়া যাবে আসল মাল্টিটাস্কিংয়ের মজা।’ বিল্ড নামে ডেভেলপার্স কনফারেন্সে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮-এর বিভিন্ন ফিচার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মূলত টেক জায়ান্ট অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেমকে টক্কর দিতেই নতুন করে ভাবতে হয়েছে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষকে।

ক্লাউড কম্পিউটিংভিত্তিক এ অপারেটিং সিস্টেমে ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য নানান টুলস দিয়ে দেয়া হয়েছে যা এরই মধ্যে ডেভেলপারদের কাছে প্রশংসা পেয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে হাইপার-ভি ভার্চুয়ালাইজেশন; যার ফলে উইন্ডোজ ৭ বা তার আগের সংস্করণের জন্য তৈরি অ্যাপ্লিকেশনগুলোও এখানে কাজ করবে। আছে একটি অ্যাপ্লিকেশন স্টোর, যেখান থেকে ব্যবহারকারীরা নানান অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। ইউজার ইন্টারফেস, টাচ, স্কাইড্রাইভ, অ্যাপস্টোর, এআরএম প্রসেসর, টাস্ক ম্যানেজারসহ বেশকিছু নতুন ফিচার রয়েছে উইন্ডোজ ৮-এ।

মেট্রো ইন্টারফেস
একটি সাধারণ কম্পিউটার ইন্টারফেস এবং আরেকটি হচ্ছে ‘মেট্রো’ নামের ট্যাবলেট কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য আলাদা ইন্টারফেস। অর্থাত্ উইন্ডোজ ৮ সংস্করণে থাকছে দুটি ইন্টারফেস।
মেট্রো ইন্টারফেস অনেকটাই উইন্ডোজ ৭-এ থাকা টাইলসভিত্তিক ইন্টারফেসের মতো। এ ইন্টারফেস ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য মানানসই। মেট্রো ইন্টারফেস টাচবান্ধব ইন্টারফেস হওয়ার ফলে নেভিগেশন আরও সহজ হবে। এতে রয়েছে পার্সোনালাইজড লেআউট, যাতে স্বচ্ছ টপোগ্রাফি এবং অ্যানিমেশন ব্যবহার করা হয়েছে। দ্রুত চালু হওয়ার জন্য সব ধরনের ইউজার অ্যাপ্লিকেশন স্টার্টআপ স্ক্রিনের সামনেই দেখাবে মেট্রো ইন্টারফেস। ম্যাট্রো স্টাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন

স্কাই ড্রাইভ
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ সংস্করণে যোগ হচ্ছে ক্লাউড সুবিধা। ক্লাউড সুবিধার এ পদ্ধতিটির নাম ‘স্কাই ড্রাইভ’। এ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে যে কোনো ব্রাউজার বা মেট্রো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে কোনো ফাইল, ছবি, ডকুমেন্টে এক্সেস পাওয়া যাবে।

টাচ কি-বোর্ড
উইন্ডোজ ৮-এ থাকছে দুটি টাচ কি-বোর্ড। একটি বড় বাটনযুক্ত ফুল-সাইজ টাচ কি-বোর্ড এবং আরেকটি থার্ড কি-বোর্ড। টাইপের গতি বাড়াতে এবং নিখুঁত করতে কি-বোর্ড দুটিতেই একাধিক ফিচার রয়েছে। কোনো ওয়ার্ড টাইপ করতে শুরু করলে কি-বোর্ড সেই শব্দটি অনুমান করে দেখাবে এবং শব্দটি বেছে নেয়া যাবে। সাধারণ মাউস এবং কি-বোর্ড উইন্ডোজ সমর্থন করবে। কোন ভাষার কি-বোর্ড ব্যবহার করা হবে সেটি ব্যবহারকারী পছন্দ করে নেয়ার সুযোগ পাবে। কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের পরিবর্তে ইনপুট এবং ভাষা নির্বাচন করলে উইন্ডোজ সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো কম্পিউটারের জন্য মেনে চলবে।

নতুন টাস্ক ম্যানেজার
নতুন অপারেটিং সিস্টেমে থাকছে নতুন একটি টাস্ক ম্যানেজার। এই ম্যানেজার কতটুকু সিপিইউ, মেমোরি ব্যবহার হলো, অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রসেসরের ক্ষেত্রে কম্পিউটারের পারফর্ম্যান্স কেমন—সেসব তথ্যও দেখাবে। এছাড়াও উইন্ডোজ ৮-এর কন্ট্রোল প্যানেলেও আসছে পরিবর্তন।

অ্যাপস স্টোর
অ্যাপস স্টোর প্রসঙ্গে স্টিভেন সিনোফস্কি জানিয়েছেন, ‘নতুন অপারেটিং সিস্টেমটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনের ওপর। উইন্ডোজ ৮-এ প্রথমবারের মতো যোগ হচ্ছে অ্যাপলের অ্যাপস স্টোরের মতোই একটি অ্যাপস স্টোর। উইন্ডোজ ৭-এ যেখানে র্যাম ৪০৪ মেগাবাইট, সেখানে উইন্ডোজ ৮-এ লাগবে মাত্রই ২৮১ মেগাবাইট। মূল অপারেটিং সিস্টেমেই আসল ক্ষমতা রয়েছে, তাই আলাদা লেয়ার বসানোর প্রয়োজন পড়েনি। ফলে হার্ডওয়্যারের জন্য এটি বিদ্যুত্ সাশ্রয়ী এবং কম ব্যাটারি খরচ করে। স্টার্ট-আপ টাইমও হয়েছে মাত্র ৮ সেকেন্ড!’

নিরাপত্তা
অন্যান্য সংস্করণের চেয়ে উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা আরও গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে মাইক্রোসফট। ভাইরাস বা বাগ থেকে ফাইল বা সেটিংস রক্ষায় উইন্ডোজ ৮ কার্যকর হবে বলেই জানিয়েছেন সিনোফস্কি।

এটা পছন্দ করবে তো
এর আগে ব্যাপক ঢাকঢোল করে বের করা হয়েছিল উইন্ডোজ ভিস্তা, কিন্তু সেটি একেবারেই গ্রহণযোগ্য হয়নি ব্যবহারকারীদের কাছে। তাই এবার বেশ সতর্কই থাকছে মাইক্রোসফট। স্টিভেন সিনোফক্সি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘কত তাড়াতাড়ি বাজারে ছাড়ব, সেটির চেয়ে আমরা ভাবছি মান নিয়ে।’

Wednesday, August 3, 2011

আপনি কি জানেন যে আপনি আংশিক সত্য জানতেন? ।। রাজীব

দুনিয়াজুড়ে এমন অসংখ্য আবিষ্কার রয়েছে যার আবিষ্কারক একজন নন। একই আবিষ্কারের পেছনে একই সময় একাধিক উদ্ভাবক গবেষণা করেছেন এবং দুই বা ততধিক ব্যক্তিই সফলতা লাভ করেছিলেন। কিন্তু নানা কারণে আমরা এখন শুধু একজন আবিষ্কারকের কথাই জানি, কারণ চূড়ান্ত পর্যায়ে সব ক্রেডিট তুলে দেয়া হয়েছে একজনের হাতেই। তবে সাধারণ জনগণ না জানলেও ইতিহাসের পাতায় ঠিকই বাকি উদ্ভাবকদের অবদানের কথা লেখা আছে। ইন্টারনেট ঘেঁটে এমন কিছু আবিষ্কার ও তার নেপথ্য কাহিনী রয়েছে এই প্রতিবেদনে।

ক্রিস্টোফার কলম্বাস কোনোভাবেই উত্তর আমেরিকা মহাদেশে পা রাখা প্রথম ব্যক্তি নন
কলম্বাস প্রথম ইউরোপিয়ান যিনি আমেরিকা আবিষ্কার করেছেন একথা প্রায় সবাই জানলেও এখানে কিছু ফাঁকি আছে। আধুনিক যুগে এসে কলম্বাস প্রথম আমেরিকা আবিষ্কার করলেও তিনি কোনোভাবেই উত্তর আমেরিকা মহাদেশে পা রাখা প্রথম ব্যক্তি নন। বর্তমানে গবেষক ও ইতিহাসবিদদের কাছে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত যে, নরওয়ের বাসিন্দা লিফ এরিকসনের (৯৭০-১০২০ খ্রি.) নেতৃত্বে একদল ভাইকিং প্রথম আমেরিকা মহাদেশে পা রাখে এবং তা কলম্বাসের আমেরিকা যাওয়ার আরও প্রায় পাঁচশ’ বছর আগে। অভিযাত্রী দলটি স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকে রওনা হয়ে নিউফাউন্ডল্যান্ডে পৌঁছায়। বর্তমানে শক্ত প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, ভাইকিংরা গ্রিনল্যান্ড ও কানাডার উপকূলে তাদের আবাস গড়ে তুলেছিল। এছাড়াও প্রাচীন ফোনিশিয়ান জাতিরা (খ্রিস্টপূর্ব ১৫৫০-খ্রিস্টপূর্ব ৩০০) প্রথম উত্তর আমেরিকায় পা রেখেছিলেন এমন বেশকিছু প্রমাণ পাওয়া যায় এবং এটি ঘটেছিল কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের আরও কমপক্ষে ১০০০ বছর আগে। যদিও কলম্বাস প্রথম আমেরিকা আবিষ্কার করেননি তবু কলম্বাসের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো আধুনিক যুগে এসে আমেরিকা মহাদেশকে পুনঃআবিষ্কার করা, তাছাড়া পৃথিবী সমতল নয় এই তত্ত্বকে প্রমাণিত করা।

আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল প্রথম টেলিফোন আবিষ্কারক নন
ভাগ্য কখনও কখনও খুব নির্দয় হয়, যেমন হয়েছে এলিশা গ্রের ক্ষেত্রে। মূলত বেল টেলিফোন যন্ত্রের প্রথম পেটেম্লট করেছিলেন কিন্তু প্রথম আবিষ্কারক তিনি নন। এই দাবি করতে পারেন অ্যান্তেনিও মিউচি। তিনি ১৮৫৭ সালে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক টেলিফোন আবিষ্কারের গবেষণায় সফলতা লাভ করেন। ১৮৬৫ সালে ইতালিয়ান আবিষ্কারক ইনোচেনযো মেনজাডি একটি স্পিকিং টেলিফোন আবিষ্কার করেন। হাঙ্গেরিয়ান আবিষ্কারক থিবেদার পুশকাস সুইচবোর্ড ও পার্টি লাইন আবিষ্কার করে টেলিফোনকে ব্যবহার উপযোগী করে তোলেন। তবে এরা বেলের প্রধান প্রতিযোগী নন। বেলের প্রধান প্রতিযোগী হলেন আমেরিকান উদ্ভাবক এলিশা গ্রে। মজার ব্যাপার হলো তিনি এবং বেল একই দিন (১৮৭৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি) পেটেম্লট অফিসে যান টেলিফোন যন্ত্রের নিবন্ধন করার জন্য। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রে-র আইনজীবী বেলের চেয়ে কয়েকঘণ্টা পরে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বেলই টেলিফোন আবিষ্কারের কৃতিত্ব লাভ করেন।

চার্লস ডারউইন কখনোই বিবর্তনবাদ ধারণার প্রথম প্রবক্তা নন
ডারউইনকে বিবর্তনবাদের জনক বলা যায় এই কারণে যে তিনি বিবর্তনবাদের ধারণাকে আরও পরিমার্জিত করেন এবং এর আধুনিক তত্ত্ব তিনি প্রকাশ করেন। কিন্তু ডারউইন কখনোই বিবর্তনবাদ ধারণার প্রথম প্রবক্তা নন।
প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যানেক্সিমেন্ডার (খ্রিস্টপূর্ব ৬১০-খ্রিস্টপূর্ব ৫৪৫) প্রথম ঐশ্বরিক উপায় ছাড়াই জীবজন্তু বা উদ্ভিদের জন্মের কথা বলেন। তার দাবি ছিল বংশবিস্তারে শারীরিক ভূমিকাই সব, কোনো সুপারন্যাচারাল পাওয়ার নয়। যাই হোক আধুনিক বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রথম যুক্তিসঙ্গত ধারণা দেন ফ্রেঞ্চ গণিতবিদ পিয়েরে লুইস মোপারচিও এবং চার্লস ডারউইনের দাদা ইরাসমাস ডারউইন। ফ্রেঞ্চ প্রকৃতিবিজ্ঞানী জেন ব্যাপটিস্ট লেমার্ক বিবর্তনবাদ নিয়ে জোরালো একটি ধারণা পেশ করেন। তিনি ধারণা দিয়েছিলেন, প্রজাতির মধ্যে থাকা এক ধরনের ন্যাচারাল ফোর্স যা অর্গানিজমের মূল চাবিকাঠি এবং এর মাঝে থাকা এনভায়রনমেন্টাল ফোর্স তাদের স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী করে তোলে। তবে ডারউইনরে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন ইংরেজ প্রকৃতিবিজ্ঞানী আলফ্রেড ওয়ালেচ। যিনি ১৮৫৮ সালে প্রেস্টিজিস লিননেন সোসাইটিতে ন্যাচারাল সেকশনে বিবর্তনবাদের ওপর একটি তত্ত্ব প্রকাশ করেন, যা চার্লস ডারউইনের তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে ডারউইনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো তার বই ‘দি অরিজিন অব স্পেসিস’। মূলত এই বইয়ের ফলে বিবর্তনবাদ সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং বিবর্তনবাদের প্রথম প্রচারক ও জনক হিসেবে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। অন্যরা যেখানে কোনো ক্রেডিটই পাননি।

টমাস এডিসন প্রথম বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক নন, তিনি মূলত বাতিটির উন্নয়নে কাজ করেছেন
আরও একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য হলো টমাস এডিসন প্রথম বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক। ইলেকট্রিক্যাল বাল্ব আবিষ্কারের কৃতিত্ব এককভাবে কাউকে দেয়া যায় না। যদি দিতে হয় তবে হামফ্রে ডেভিকে দেয়া যায়। এর আবিষ্কার ও আধুনিকায়নে একাধিক উদ্ভাবকের হাত রয়েছে। মূলত এডিসন বাতিটি ডেভেলপে কাজ করেছেন। এডিসনের জন্মেরও আগে ১৮০২ সালে ইংরেজ কেমিস্ট হামফ্রে ডেভি একফালি শীর্ণ প্লাটিনামের পাতের মাঝে বিদুত্প্রবাহ চালান এবং এর ফলে ইলেকট্রিক বাল্ব আবিষ্কার করেন। যদিও এই বাল্ব ছিল খুবই ক্ষণস্থায়ী। এরপর থেকে গবেষণা চলতে থাকে উন্নত ও টেকসই ফিলামেন্ট আবিষ্কারের। এরই ধারাবাহিকতায় ইংরেজ উদ্ভাবক আলফ্রেড ডি মলিনস ১৮৪১ সালে একটি ভ্যাকুয়ামে প্লাটিনামের তার ব্যবহার করে তাতে বিদ্যুত্ প্রবাহ করে আরও দীর্ঘস্থায়ী একটি ইলেকট্রিক বাল্ব আবিষ্কার করেন। তিনিই প্রথম ইনক্যানডেসন্ট ল্যাম্পের পেটেম্লট করান। তবে তার আবিষ্কৃত এই বাল্বের প্রতিস্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এত বেশি ছিল যে তার এই আবিষ্কার জনপ্রিয়তা লাভ করেনি।
এরপর থেকে গবেষণা চলতে থাকে একই সঙ্গে সাশ্রয়ী এবং দীর্ঘস্থায়ী ফিলামেন্ট আবিষ্কারের। শেষপর্যন্ত ১৮৭৯ সালে এডিসন আবিষ্কার করেন কার্বনাইজড ব্যাম্বু ফিলামেন্ট। যা ১২০০ ঘণ্টার মতো জ্বলতে পারত এবং খরচের দিক থেকেও ছিল সাশ্রয়ী। প্রায় একই সময়ে ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী জোশেপ সোয়ানও একটি ইলেকট্রিক বাল্ব আবিষ্কার করেন। কিন্তু ব্যবসায়িক বুদ্ধিতে এডিসনের ধারেকাছেও যেতে পারেননি তিনি। এডিসন দ্রুত তার বাল্বের পেটেম্লট নেন এবং তা স্থাপন করতে থাকেন। যার ফলে সবাইকে ছাড়িয়ে এডিসনের বাল্বই ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। একথা কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না যে ইলেকট্রিক বাল্বকে আধুনিকায়ন এবং সাশ্রয়ী করার পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান টমাস এডিসন, কিন্তু একথাও দাবি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই যে এডিসনই প্রথম বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার করেন। 
সূত্র : আমার দেশ

Wednesday, June 15, 2011

কম্পিউটার রিস্টার্টের কারণ ।। নবাব আমিন

কম্পিউটার মাঝে মধ্যেই বিরক্তিকর সব কাণ্ড ঘটায়। পরিচিত সব ছোটখাটো ঝামেলার মধ্যে কিছুক্ষণ চলার পর রিস্টার্ট হওয়া কিংবা অপারেটিং সিস্টেম চালুর ঠিক আগে কম্পিউটার রিস্টার্ট হওয়াটা প্রায় সব কম্পিউটারে কম-বেশি ঘটে। অনেক কারণেই কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হতে পারে_ কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে। * র‌্যামের কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে র‌্যাম কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা র‌্যামের চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। * এটা একটা কমন সমস্যা। হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ। ড্রাইভের ওপর মাউচের রাইট সাইট ক্লিক করে এরর চেক করতে পারেন অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে। * ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে। * বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে। * বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। * বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

Tuesday, June 14, 2011

অজ্ঞানের মুহূর্তে মস্তিষ্কের ছবি


 মানুষের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ নিয়ে বিজ্ঞানীদের বিস্ময়ের অন্ত নেই। তাই মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণাও তাদের দীর্ঘদিনের। তবে এই প্রথমবারের মতো তারা মানব মস্তিষ্কের অজ্ঞান হতে শুরু হওয়ার ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন। আর সে ছবি দেখে নিজেরাই বিস্মিত। বিবিসি
আমস্টারডামের বিখ্যাত ইউরোপীয় অ্যানাস্থেসিওলজি কংগ্রেসে ম্যাঞ্চেস্টারের রয়্যাল ইনফার্মারির প্রফেসর ব্রায়ান পোলার্ড তার বক্তৃতায় জানিয়েছেন গবেষণার সেই বিরলতম অভিজ্ঞতার কথা।
পোলার্ড বলেন, অ্যানাস্থেসিয়া বা অজ্ঞান করার ওষুধ রোগীর শরীরে প্রবেশ করানোর পরপরই তারা মস্তিষ্কের স্ক্যান শুরু করে দিয়েছিলেন। দেখা যায়, মানুষটি অজ্ঞান হতে শুরু করা মাত্রই তার মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ নিউরন বা রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যেন কথা বলা শুরু করে দিল। ব্যাপারটা দেখে আমাদের সবারই চোয়াল ঝুলে গিয়েছিল। অর্থাত্ বিস্ময়ে হাঁ হয়ে যাওয়া।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই প্রথম একজন মানুষকে ওষুধ প্রয়োগ করে অজ্ঞান করার সময় তার মস্তিষ্কের ছবি তুলে দারুণ সব ব্যাপার লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে জানা গেছে অনেক নতুন তথ্য।
বর্তমানে মস্তিষ্কের স্ক্যান করা বা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের ছবি তোলার যে পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে, তাতে অনেক তথ্য জানা গেলেও মানুষ অজ্ঞান হওয়ার সময় সেই একই মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে বা আদৌ করে কিনা, সে বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য জানতেন না বিজ্ঞানীরা। এই প্রথম বোঝা গেল, মানুষ যখন অজ্ঞান হতে থাকে, মস্তিষ্ক কিন্তু তখনও সচল থাকে। তার বেশ কিছু অংশ প্রয়োজনীয় কাজ করে যায়। চেষ্টা করে যেতে থাকে শরীরবৃত্তীয় কিছু কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার।
নতুন এই জ্ঞান হার্ট অ্যাটাক বা সেরিব্র্যাল জাতীয় অসুখের চিকিত্সার ক্ষেত্রে বেশ কাজে দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষণা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আরও অনেক তথ্যই জানা যাবে। জানা দরকারও। কারণ, মানুষের শরীরের এই একটি জিনিসের বিষয়ে এখনও অনেক রহস্যের কুয়াশা রয়ে গেছে। 

পলিথিন মিশে যাবে মাটিতে!

এমন পলিথিন, যা মিশে যায় মাটির সঙ্গে। পরে এটি পরিবেশবান্ধব ও ধীরগতির সার হিসেবে ব্যবহূত হবে। আর এ পলিথিন তৈরিতে ব্যবহূত হয়েছে পরিচিত সব জিনিস। ক্ষতিকর পলিথিনের মাটিতে মিশ্রণীয় পরিবেশবান্ধব এমনই এক বিকল্প উদ্ভাবন করেছেন অধ্যাপক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান। মাটিতে মিশে যায় এমন পলিথিন তৈরির খবর শোনা যায়। তবে মাটিতে মিশ্রণীয় পলিথিন তৈরিতে ওয়াহিদুজ্জামানের পদ্ধতিটি নতুন।ভাতের মাড়, চালের গুঁড়া, আলু, অ্যারারুট প্রভৃতি শ্বেতসার-জাতীয় পদার্থের সঙ্গে পলিভিনাইল অ্যালকোহল (পিভিএ), জিগাগাছের আঠা, ইউরিয়া, চিনি, সয়াবিন তেল মিশিয়ে বিকল্প পলিথিন উদ্ভাবন করেছেন তিনি।
বিকল্প এই পলিথিন ছিল এস এম ওয়াহিদুজ্জামানের পিএইচডি গবেষণার বিষয়। গত ৯ এপ্রিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের এক বিশেষ সভায় রসায়ন বিভাগের গবেষক এস এম ওয়াহিদুজ্জামানকে তাঁর ‘প্রিপারেশন অ্যান্ড ক্যারেক্টারাইজেশন অব বায়োব্লেন্ড অব ন্যাচারালি অকারিং পলিমারস অ্যান্ড ওয়াটার সুলিউবল পলিমারস টেকনিক’ শিরোনামের অভিসন্দর্ভের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয়। রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরীফ এনামুল কবিরের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোবারক আহমদ খানের যুগ্ম তত্ত্বাবধানে তিনি এ গবেষণা সম্পন্ন করেন।
ওয়াহিদুজ্জামান জানালেন, রাসায়নিক পদার্থ ইথিলিনের পলিমার হচ্ছে পলিথিন। এই পলিথিন মাটি ও পানিতে মিশ্রণীয় না হওয়ায় পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কায় ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। তা ছাড়া সম্প্রতি পশ্চিমা বিশ্ব ক্ষতিকর পলিথিনে মোড়কজাত দ্রব্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে। আমাদের দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে প্যাকেজিংয়ের কাজে ক্ষতিকর পলিথিন ব্যবহার করা হয়। সুবিধাজনক কোনো বিকল্প না থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে এ পলিথিন ব্যবহার করছে। তাই সব দিক মিলিয়ে এই ক্ষতিকর পলিথিনের বিকল্প উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
ঠিক এমন সময়ই অধ্যাপক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান ভাতের মাড়, চালের গুঁড়া, আলু, অ্যারারুট প্রভৃতি শ্বেতসার-জাতীয় পদার্থের সঙ্গে পলিভিনাইল অ্যালকোহল (পিভিএ), জিগাগাছের আঠা, ইউরিয়া, চিনি, সয়াবিন তেল মিশিয়ে পলিথিনের মতোই এর বিকল্প উদ্ভাবন করেন। গামা রশ্মি বিকিরণের সাহায্যে উৎপন্ন পলিমারকে ক্রস লিংক বা আড়াআড়ি সংযোগ ঘটিয়ে এর গুণগত মান এবং উৎকর্ষ সাধন করা হয়েছে। বাজারে প্রচলিত পলিথিনের মতো এমন একটি পণ্য বানাতে ২০ শতাংশ চালের গুঁড়া, ১০ শতাংশ ইউরিয়া ও ৭০ শতাংশ পিভিএ ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের বিকল্প পলিথিন মাটির মধ্যে ৪২ দিনে ৩০ শতাংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং ধীরে ধীরে এটি পুরোপুরি ক্ষয় হয়ে যায়। এটি পানির মধ্যে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে। তবে পিভিএর পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর স্থায়িত্ব ও টেকসইয়ের মানও বাড়ানো যায়। এটি সাশ্রয়ী এবং মাটিতে মিশ্রণীয় বলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।
ওয়াহিদুজ্জামান জানান, বাজারে প্রচলিত পলিথিন পরিবেশের জন্য হুমকি হওয়ায় এর বিকল্প উদ্ভাবনের চেষ্টা চালানোর পর তাঁরা সাফল্য অর্জন করেন। এটি বানাতে প্রাকৃতিক এবং শ্বেতসার বা স্টার্চ-জাতীয় পদার্থের সঙ্গে পলিভিনাইল অ্যালকোহল (পিভিএ) মিশিয়ে পলিথিনের বিকল্প পলিমার-জাতীয় পদার্থ উদ্ভাবন করা হয়। পরবর্তী সময়ে সেই পলিমারকে এক্সটোডার যন্ত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় পরিপূর্ণভাবে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়। এ ছাড়া এর মধ্যে ইউরিয়া থাকায় মাটিতে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে এটি ধীরগতির সার হিসেবেও ব্যবহূত হবে। প্রচলিত পলিথিনের চেয়ে এর দাম একটু বেশি হলেও বাণিজ্যিকভাবে এটি উৎপাদন করা হলে দাম প্রচলিত পলিথিনের সমপর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে তিনি জানান।
এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আটটি পাঠ্যপুস্তকের রচয়িতা। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে তাঁর চারটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে পিএইচডি কোর্সে ভর্তি হন। ২০০৮ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ফেলোশিপ অর্জন করেন।

সূত্র : প্রথম আলো

গুগল সার্ভিসের সঠিক ব্যবহার ।। মনিরুল হক ফিরোজ



অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, একদিন গুগল ছাড়া আমরা হয়তো কাটাতে পারব না। আর এমন হবে না কেন বলুন? গুগল তো আমাদের সার্ভিস দিয়েই যাচ্ছে। আর এর অধিকাংশ সার্ভিসই ফ্রি। তবে একটা কথা সত্যি, আমরা অনেকেই গুগলের সার্ভিসগুলোর সঠিক ব্যবহার করছি না। কিংবা কে জানে, হয়তো আমরা ব্যবহার করতেই জানি না।
সার্চ ইঞ্জিনের কথাই ধরুন। গুগলে কোনো কিছু খোঁজার দরকার হলে আমরা নির্দিষ্ট শব্দ বা বাক্য/বাক্যাংশ দিয়ে সার্চ করেই সন্তুষ্ট থাকি। কিন্তু সঠিকভাবে সার্চ না করার কারণে আমাদের অনেক সময় গুগল অপ্রয়োজনীয় সার্চ রেজাল্ট বা ওয়েব পেজে নিয়ে যায়, আর এ কারণে আমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়।
একটা উদাহরণ দিই। মনে করুন আপনার এই মুহূর্তে দরকার আমেরিকার নিউইয়র্কের সময় জানা। আমাদের অনেকেই হয়তো গুগলে ড়িত্ষফ ঃরসব লিখে সার্চ দেবে। তারপর সার্চ রেজাল্ট থেকে একটা পছন্দের ওয়েব পেজে গিয়ে বের করবে নিউইয়র্কের সময়। অথচ গুগলে যদি শুধু ঃরসব ঘণ লিখে আমরা সার্চ দিতাম, তাহলে কোনো ওয়েব পেজে যাওয়া ছাড়াই সার্চ রেজাল্ট থেকে নিউইয়র্কের বর্তমান সময়টা পেয়ে যেতাম।
এজন্য প্রথমেই আসুন জেনে নিই গুগল সার্চ ইঞ্জিনের কিছু জ্ঞাতব্য বিষয় :
— গুগলে সার্চ কোয়েরি (যা লিখে সার্চ দিচ্ছেন) কেস সেনসিটিভ নয়। নধহমষধ নষড়মং আর ইঅঘএখঅ ইখঙএঝ এর সার্চ রেজাল্ট একই আসবে।
— যতি/বিরাম চিহ্ন (punctuation) গুগল গ্রাহ্যে নেয় না। এছাড়াও বিভিন্ন স্পেশাল ক্যারেক্টারকেও (যেমন : @#$%^&*()=+[]\ ইত্যাদি) গুগল আমলে নেয় না। অবশ্য এর কিছু ব্যতিক্রমও আছে। যেমন C++, C#, $25 ইত্যাদির সময় গুগল স্পেশাল ক্যারেক্টারকে ধর্তব্যে নেয়।
— হুবহু বাক্য/বাক্যাংশ সার্চ (phrase search) :
আপনি যদি আপনার ঈপ্সিত বাক্য/বাক্যাংশটি রেজাল্ট হিসেবে পেতে চান, তাহলে একে আপনি [“”] বা ইনভারটেড কমার মধ্যে লিখে সার্চ করুন। যেমন : Ôtech tunesÕ লিখে সার্চ দিলে এই বাক্যাংশটি যেসব ওয়েব সাইটে আছে তাদের দেখাবে।

সুত্র : আমার দেশ

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

Labels

মাসের পঠিত শীর্ষ দশ

 

জোনাকী | অনলাইন লাইব্রেরী © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ